ঢাকা ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা ও গরুর মাংস ঘিরে রাজনীতির বিশ্লেষণ রায়পুরে মন্দিরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে চেলসি গোলরক্ষক মার্তিনেজ সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড আমাদের জন্য বড় শিক্ষা: শামা ওবায়েদ মতলব উত্তরে কলেজ শিক্ষকের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু, স্বামী আটক কলকাতার পূজামণ্ডপে পদপিষ্ট হয়ে নারী ও শিশুসহ নিহত ১৮ মাছরাঙা টিভির দুঃখ প্রকাশে ক্ষুব্ধ পরীমণি, নিজেকেই দায়ী করলেন অপরাধী হিসেবে নেতানিয়াহুকে হটাতে ইসরায়েলের পাঁচ বিরোধী নেতার অনাক্রমণ চুক্তি ২৭২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে চাপে বাংলাদেশ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা

সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা নিম্নমুখী হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের উচ্চমূল্য এবং কয়েকটি পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করেছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্যাকেটজাত ময়দার দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। চিনির বাজারেও অস্থিরতা স্পষ্ট; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক দোকানেই চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

ভোজ্যতেলের বাজারেও একই ধরনের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও বাজারে চাহিদা অনুযায়ী তা পাওয়া যাচ্ছে না।

সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যার মধ্যে পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় এবং পাড়া-মহল্লার দোকানে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে সবজির দাম কিছুটা কমলেও চিনি, তেল, আটা-ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে সাধারণ ক্রেতারা চাপে রয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত

আপডেট সময় : ১১:১৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা নিম্নমুখী হলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের উচ্চমূল্য এবং কয়েকটি পণ্যের সরবরাহ ঘাটতি ক্রেতাদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করেছে।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্যাকেটজাত ময়দার দাম কেজিতে ১০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেটের দাম ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকায় দাঁড়িয়েছে। চিনির বাজারেও অস্থিরতা স্পষ্ট; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের চেয়ে প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক দোকানেই চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।

ভোজ্যতেলের বাজারেও একই ধরনের সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও বাজারে চাহিদা অনুযায়ী তা পাওয়া যাচ্ছে না।

সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যার মধ্যে পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তবে ডিমের বাজারে স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকায় এবং পাড়া-মহল্লার দোকানে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে সবজির দাম কিছুটা কমলেও চিনি, তেল, আটা-ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে সাধারণ ক্রেতারা চাপে রয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din