ঢাকা ১১:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত ১৬ বছর আ.লীগের ভেতরে লুকিয়ে ছিল: রাশেদ খাঁন নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে’ পাঠানোর হুঁশিয়ারি ইরানি জেনারেলের মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা: চীন-ভারতের নতুন ভূরাজনৈতিক রণক্ষেত্র সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলি, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ভারতীয় আটক প্রযুক্তির যুগে দাওয়াহর সম্ভাবনা ও দাঈদের নিয়ত রক্ষার চ্যালেঞ্জ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২ নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়: চট্টগ্রামে চরম উৎকণ্ঠায় নেপালি শিক্ষার্থীরা নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩ কোটি ডলারের আবেদন রেড ক্রসের ঋণের চাপে সপরিবারে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু আটক

বিদেশি প্রকল্পের গ্যারান্টি বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোর জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য এ ধরনের গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান আংশিক সংশোধন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসি সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মূল চুক্তিতেই বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের স্পষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি, দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের সপক্ষে বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া, গ্যারান্টি কার্যকর বা ক্যাশ হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দায় বা ব্যয় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনে পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও পালন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদেশি প্রকল্পের গ্যারান্টি বৈদেশিক মুদ্রায় দিতে পারবে ব্যাংকগুলো

আপডেট সময় : ০৫:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে বাস্তবায়িত স্থানীয় প্রকল্পগুলোর জন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বৈদেশিক মুদ্রায় ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই লেটার অব ক্রেডিট (এসবিএলসি) ইস্যু করার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই নতুন নির্দেশনার ফলে স্থানীয় ব্যাংকগুলো এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠানের চুক্তির বিপরীতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের জন্য এ ধরনের গ্যারান্টি ও এসবিএলসি ইস্যু করতে পারবে। এর মাধ্যমে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর গ্যারান্টি সংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান আংশিক সংশোধন করা হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কৌশলগত অংশীদার, স্থানীয় এজেন্ট বা অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা দেশি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকল্পের প্রয়োজনে বিড বন্ড, পারফরম্যান্স গ্যারান্টি বা এসবিএলসি সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এই সুবিধা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হবে। এর মধ্যে অন্যতম হলো, মূল চুক্তিতেই বৈদেশিক মুদ্রায় গ্যারান্টি বা এসবিএলসি গ্রহণের স্পষ্ট সুযোগ থাকতে হবে। পাশাপাশি, দেশি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদেশি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত ও গ্রহণযোগ্য বাণিজ্যিক সম্পর্কের সপক্ষে বৈধ দলিলাদি থাকা বাধ্যতামূলক।

গ্যারান্টি বা এসবিএলসি ইস্যু করার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি ও দায়ের বিপরীতে ব্যাংকগুলোকে পর্যাপ্ত জামানত বা কাউন্টার-সিকিউরিটি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জামানতের পরিমাণ নির্ধারণের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা এবং গ্রাহকের সঙ্গে ব্যাংকের সম্পর্কের বিষয়টি বিবেচনায় নিতে হবে। এছাড়া, গ্যারান্টি কার্যকর বা ক্যাশ হলে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কীভাবে অর্থ ফেরত দেবে এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের দায় বা ব্যয় কীভাবে পরিশোধ করা হবে, তা চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে। ব্যাংকগুলোকে তাদের নিজস্ব ঋণনীতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং একক গ্রাহক ঋণসীমা মেনে চলার পাশাপাশি প্রয়োজনে পর্ষদ বা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যবাধকতাও পালন করতে হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo