ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণের চাপে সপরিবারে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু আটক পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ মিয়ানমারে পণ্য রপ্তানির অর্থ আসবে তৃতীয় দেশ থেকে, ছাড় দিচ্ছে এনবিআর নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯, নিখোঁজ দেড় হাজার হরমুজ প্রণালি খুলতে শর্তের তালিকা তৈরি করছে ইরান শরীয়তপুরে সাংবাদিক মারধরের পর বিএনপি নেতার পাল্টা চাঁদাবাজির অভিযোগ দুই বছরের প্রেমের ইতি টানলেন অনন্যা পাণ্ডে লা লিগায় জয়রথ অব্যাহত বার্সেলোনার, হারল আথলেতিক বিলবাও এলিয়েনের মুখোমুখি হলে মানুষের করণীয় কী?

বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, গত বছর এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি ছিল প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি ছিল পৌনে এক বিলিয়ন ডলারের মতো। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাবে আন্তবাণিজ্যে কিছু বিধিনিষেধ তৈরি হলেও গত বছরের বাণিজ্যের পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, অনেক সময় অর্থনৈতিক বিবেচনা অন্যান্য বিষয়ের চেয়ে গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে অনেক ইস্যু রয়েছে এবং উন্নয়নের অনেক সুযোগও বিদ্যমান, যা নিয়ে নিয়মিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবনার বিষয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, সম্প্রতি একটি ভারতীয় প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে এবং পরে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তারা দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ এবং অন্যটি ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাজ করবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র ও সুযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলবে।

বৈঠকে দুই দেশের স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, সীমান্ত হাট পুনরায় চালু এবং স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সাবরুমসহ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গত বছর চালু হওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধার বিষয়েও কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় এবং এ নিয়ে তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্বকালীন সময়ে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

বাংলাদেশ-ভারতের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, গত বছর এই বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি ছিল প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার এবং বাংলাদেশ থেকে ভারতে রপ্তানি ছিল পৌনে এক বিলিয়ন ডলারের মতো। ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাবে আন্তবাণিজ্যে কিছু বিধিনিষেধ তৈরি হলেও গত বছরের বাণিজ্যের পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে, অনেক সময় অর্থনৈতিক বিবেচনা অন্যান্য বিষয়ের চেয়ে গুরুত্ব পায়।

বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক অংশীদার। বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে অনেক ইস্যু রয়েছে এবং উন্নয়নের অনেক সুযোগও বিদ্যমান, যা নিয়ে নিয়মিত আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলের প্রস্তাবনার বিষয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, সম্প্রতি একটি ভারতীয় প্রতিনিধিদল তার সঙ্গে এবং পরে এফবিসিসিআইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছে। তারা দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে দুটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বাংলাদেশের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ এবং অন্যটি ডিজিটাল অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাজ করবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের ক্ষেত্র ও সুযোগ খুঁজে বের করার চেষ্টা চলবে।

বৈঠকে দুই দেশের স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, সীমান্ত হাট পুনরায় চালু এবং স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সাবরুমসহ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং গত বছর চালু হওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধার বিষয়েও কথা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় এবং এ নিয়ে তার সঙ্গে কোনো কথা হয়নি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, বর্তমান ভারতীয় হাইকমিশনারের দায়িত্বকালীন সময়ে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin