ঢাকা ০৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শ্রীপুরের কলেজে অনৈতিক অডিও ফাঁস, তদন্তে নেমেছে কর্তৃপক্ষ দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু ইমরান খানকে সৎ দাবি করে কেঁদে ফেললেন জাভেদ মিয়াঁদাদ, চাইলেন মুক্তি ভালো আইনজীবী হতে মামলার খুঁটিনাটি জানা জরুরি: চিফ প্রসিকিউটর নারায়ণগঞ্জে খেলনা বন্দুক নিয়ে ভিডিও তৈরি: দুই তরুণ গ্রেপ্তার গণরায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে: এটিএম আজহারুল ডাব চুরি করতে গিয়ে ভিমরুলের কামড়ে গাছ থেকে পড়ে আহত চোর বাহুবলে প্রতিপক্ষের হামলায় পোল্ট্রি ব্যবসায়ী সায়েদ মিয়ার মৃত্যু ডেঙ্গুতে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৯৬ জন নেপালে বন্যার প্রবল স্রোতেও অক্ষত সবুজ বাড়ি, নিরাপদে বাঁচল পরিবার

এলিয়েনের মুখোমুখি হলে মানুষের করণীয় কী?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে মানুষের কৌতূহল চিরন্তন। কিন্তু কখনো যদি সত্যি সত্যি কোনো এলিয়েনের মুখোমুখি হতে হয়, তবে আমাদের করণীয় কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা তৈরি করা হয়নি।

সম্প্রতি মেক্সিকোর কংগ্রেসে ইউএফও গবেষক জাইমে মাউসান দুটি মমিকৃত মরদেহ প্রদর্শন করে সেগুলোকে ভিনগ্রহের প্রাণীর দেহাবশেষ বলে দাবি করেছিলেন। যদিও সমালোচকরা এই দাবিকে ভুয়া বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মূলত অতীতে কখনোই এলিয়েনের অস্তিত্বের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় ইউএফও বা ভিনগ্রহের যান দেখার দাবিগুলোকে সাধারণত উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা, মহাবিশ্বে যদি আমাদের কোনো প্রতিবেশী থেকে থাকে এবং তাদের কাছে আমাদের টেলিস্কোপের মতো উন্নত প্রযুক্তি থাকে, তবে হয়তো তারা ইতিমধ্যেই আমাদের পাঠানো বিভিন্ন তরঙ্গ বা সংকেত শনাক্ত করে ফেলেছে।

যদি কোনো বিশাল মহাকাশযান বা ইউএফওতে চড়ে এলিয়েনরা পৃথিবীতে আসে, তবে তা সহজেই মানুষের নজর কাড়বে। এমনকি কৃত্রিম আলো না থাকলেও তাদের যানটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করবে। কিন্তু তারা চলে এলে যোগাযোগের মাধ্যম কী হবে? পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৭,১০০টি ভাষা প্রচলিত রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণীদের জন্য চরম বিভ্রান্তিকর হতে পারে। মানুষের ভাষা বাদ দিয়ে প্রাণীরা যেভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে, তা থেকে এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগের উপায় সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

কোনো সাধারণ ভাষা না থাকলে মানুষ যেভাবে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়, এলিয়েনদের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে ইশারা-ইঙ্গিত বা ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ হতে পারে যোগাযোগের একমাত্র উপায়। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, পুরো মহাবিশ্বে বিবর্তনীয় শক্তিগুলো একইভাবে কাজ করতে পারে। এই তত্ত্ব সত্যি হলে মহাবিশ্বের জীবন ও ভাষার মধ্যে কিছু সাধারণ মিল বা বৈশিষ্ট্য থাকা সম্ভব। তবে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত ভিনগ্রহের ভাষা ডিকোড বা উদ্ধার করা সম্ভব কি না, তা জানার কোনো উপায় নেই। তাই কোনো এলিয়েন সামনে এসে দাঁড়ালে আপাতত কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই; কেবল আশা করাই শ্রেয় যে তারা যেন দয়ালু ও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

এলিয়েনের মুখোমুখি হলে মানুষের করণীয় কী?

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে মানুষের কৌতূহল চিরন্তন। কিন্তু কখনো যদি সত্যি সত্যি কোনো এলিয়েনের মুখোমুখি হতে হয়, তবে আমাদের করণীয় কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা তৈরি করা হয়নি।

সম্প্রতি মেক্সিকোর কংগ্রেসে ইউএফও গবেষক জাইমে মাউসান দুটি মমিকৃত মরদেহ প্রদর্শন করে সেগুলোকে ভিনগ্রহের প্রাণীর দেহাবশেষ বলে দাবি করেছিলেন। যদিও সমালোচকরা এই দাবিকে ভুয়া বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মূলত অতীতে কখনোই এলিয়েনের অস্তিত্বের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় ইউএফও বা ভিনগ্রহের যান দেখার দাবিগুলোকে সাধারণত উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা, মহাবিশ্বে যদি আমাদের কোনো প্রতিবেশী থেকে থাকে এবং তাদের কাছে আমাদের টেলিস্কোপের মতো উন্নত প্রযুক্তি থাকে, তবে হয়তো তারা ইতিমধ্যেই আমাদের পাঠানো বিভিন্ন তরঙ্গ বা সংকেত শনাক্ত করে ফেলেছে।

যদি কোনো বিশাল মহাকাশযান বা ইউএফওতে চড়ে এলিয়েনরা পৃথিবীতে আসে, তবে তা সহজেই মানুষের নজর কাড়বে। এমনকি কৃত্রিম আলো না থাকলেও তাদের যানটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করবে। কিন্তু তারা চলে এলে যোগাযোগের মাধ্যম কী হবে? পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৭,১০০টি ভাষা প্রচলিত রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণীদের জন্য চরম বিভ্রান্তিকর হতে পারে। মানুষের ভাষা বাদ দিয়ে প্রাণীরা যেভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে, তা থেকে এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগের উপায় সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

কোনো সাধারণ ভাষা না থাকলে মানুষ যেভাবে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়, এলিয়েনদের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে ইশারা-ইঙ্গিত বা ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ হতে পারে যোগাযোগের একমাত্র উপায়। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, পুরো মহাবিশ্বে বিবর্তনীয় শক্তিগুলো একইভাবে কাজ করতে পারে। এই তত্ত্ব সত্যি হলে মহাবিশ্বের জীবন ও ভাষার মধ্যে কিছু সাধারণ মিল বা বৈশিষ্ট্য থাকা সম্ভব। তবে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত ভিনগ্রহের ভাষা ডিকোড বা উদ্ধার করা সম্ভব কি না, তা জানার কোনো উপায় নেই। তাই কোনো এলিয়েন সামনে এসে দাঁড়ালে আপাতত কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই; কেবল আশা করাই শ্রেয় যে তারা যেন দয়ালু ও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin