ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘তেরঙ্গা ওড়াও’ কর্মসূচির আগে অভিজিৎ দীপকে ও নেহা বোরা আটক ক্রিকেটের নতুন ফরম্যাট টেস্ট টুয়েন্টি: এক দিনে ৮০ ওভারের লড়াই শ্রীপুরে পরিত্যক্ত বোতল বিস্ফোরণে ব্যবসায়ীর হাতের আঙুল ঝলসে গেল বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে নতুন অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু কর্মসূচি বন্ধে পুলিশি নোটিশ, অভিজিৎ দিপকের সাফ কথা ‘ফাঁসি দিন’ ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে দারিদ্র্য কমবে, আশা বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের কুমিল্লায় জমি নিয়ে বিরোধে যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা বাউফলে অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ কাজীপুরের যমুনার চরাঞ্চলে যাতায়াত সংকট, নৌকাই একমাত্র ভরসা

এলিয়েনের মুখোমুখি হলে মানুষের করণীয় কী?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে মানুষের কৌতূহল চিরন্তন। কিন্তু কখনো যদি সত্যি সত্যি কোনো এলিয়েনের মুখোমুখি হতে হয়, তবে আমাদের করণীয় কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা তৈরি করা হয়নি।

সম্প্রতি মেক্সিকোর কংগ্রেসে ইউএফও গবেষক জাইমে মাউসান দুটি মমিকৃত মরদেহ প্রদর্শন করে সেগুলোকে ভিনগ্রহের প্রাণীর দেহাবশেষ বলে দাবি করেছিলেন। যদিও সমালোচকরা এই দাবিকে ভুয়া বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মূলত অতীতে কখনোই এলিয়েনের অস্তিত্বের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় ইউএফও বা ভিনগ্রহের যান দেখার দাবিগুলোকে সাধারণত উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা, মহাবিশ্বে যদি আমাদের কোনো প্রতিবেশী থেকে থাকে এবং তাদের কাছে আমাদের টেলিস্কোপের মতো উন্নত প্রযুক্তি থাকে, তবে হয়তো তারা ইতিমধ্যেই আমাদের পাঠানো বিভিন্ন তরঙ্গ বা সংকেত শনাক্ত করে ফেলেছে।

যদি কোনো বিশাল মহাকাশযান বা ইউএফওতে চড়ে এলিয়েনরা পৃথিবীতে আসে, তবে তা সহজেই মানুষের নজর কাড়বে। এমনকি কৃত্রিম আলো না থাকলেও তাদের যানটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করবে। কিন্তু তারা চলে এলে যোগাযোগের মাধ্যম কী হবে? পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৭,১০০টি ভাষা প্রচলিত রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণীদের জন্য চরম বিভ্রান্তিকর হতে পারে। মানুষের ভাষা বাদ দিয়ে প্রাণীরা যেভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে, তা থেকে এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগের উপায় সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

কোনো সাধারণ ভাষা না থাকলে মানুষ যেভাবে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়, এলিয়েনদের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে ইশারা-ইঙ্গিত বা ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ হতে পারে যোগাযোগের একমাত্র উপায়। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, পুরো মহাবিশ্বে বিবর্তনীয় শক্তিগুলো একইভাবে কাজ করতে পারে। এই তত্ত্ব সত্যি হলে মহাবিশ্বের জীবন ও ভাষার মধ্যে কিছু সাধারণ মিল বা বৈশিষ্ট্য থাকা সম্ভব। তবে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত ভিনগ্রহের ভাষা ডিকোড বা উদ্ধার করা সম্ভব কি না, তা জানার কোনো উপায় নেই। তাই কোনো এলিয়েন সামনে এসে দাঁড়ালে আপাতত কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই; কেবল আশা করাই শ্রেয় যে তারা যেন দয়ালু ও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

এলিয়েনের মুখোমুখি হলে মানুষের করণীয় কী?

আপডেট সময় : ০৯:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ভিনগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েন নিয়ে মানুষের কৌতূহল চিরন্তন। কিন্তু কখনো যদি সত্যি সত্যি কোনো এলিয়েনের মুখোমুখি হতে হয়, তবে আমাদের করণীয় কী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত এমন কোনো পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক দিকনির্দেশনা তৈরি করা হয়নি।

সম্প্রতি মেক্সিকোর কংগ্রেসে ইউএফও গবেষক জাইমে মাউসান দুটি মমিকৃত মরদেহ প্রদর্শন করে সেগুলোকে ভিনগ্রহের প্রাণীর দেহাবশেষ বলে দাবি করেছিলেন। যদিও সমালোচকরা এই দাবিকে ভুয়া বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। মূলত অতীতে কখনোই এলিয়েনের অস্তিত্বের কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় ইউএফও বা ভিনগ্রহের যান দেখার দাবিগুলোকে সাধারণত উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা, মহাবিশ্বে যদি আমাদের কোনো প্রতিবেশী থেকে থাকে এবং তাদের কাছে আমাদের টেলিস্কোপের মতো উন্নত প্রযুক্তি থাকে, তবে হয়তো তারা ইতিমধ্যেই আমাদের পাঠানো বিভিন্ন তরঙ্গ বা সংকেত শনাক্ত করে ফেলেছে।

যদি কোনো বিশাল মহাকাশযান বা ইউএফওতে চড়ে এলিয়েনরা পৃথিবীতে আসে, তবে তা সহজেই মানুষের নজর কাড়বে। এমনকি কৃত্রিম আলো না থাকলেও তাদের যানটি সূর্যের আলো প্রতিফলিত করবে। কিন্তু তারা চলে এলে যোগাযোগের মাধ্যম কী হবে? পৃথিবীতে বর্তমানে প্রায় ৭,১০০টি ভাষা প্রচলিত রয়েছে, যা ভিনগ্রহের প্রাণীদের জন্য চরম বিভ্রান্তিকর হতে পারে। মানুষের ভাষা বাদ দিয়ে প্রাণীরা যেভাবে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে, তা থেকে এলিয়েনদের সাথে যোগাযোগের উপায় সম্পর্কে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

কোনো সাধারণ ভাষা না থাকলে মানুষ যেভাবে পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়, এলিয়েনদের ক্ষেত্রেও তেমনটি ঘটতে পারে। এক্ষেত্রে ইশারা-ইঙ্গিত বা ‘বডি ল্যাঙ্গুয়েজ’ হতে পারে যোগাযোগের একমাত্র উপায়। কিছু বিজ্ঞানী মনে করেন, পুরো মহাবিশ্বে বিবর্তনীয় শক্তিগুলো একইভাবে কাজ করতে পারে। এই তত্ত্ব সত্যি হলে মহাবিশ্বের জীবন ও ভাষার মধ্যে কিছু সাধারণ মিল বা বৈশিষ্ট্য থাকা সম্ভব। তবে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত ভিনগ্রহের ভাষা ডিকোড বা উদ্ধার করা সম্ভব কি না, তা জানার কোনো উপায় নেই। তাই কোনো এলিয়েন সামনে এসে দাঁড়ালে আপাতত কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই; কেবল আশা করাই শ্রেয় যে তারা যেন দয়ালু ও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin