ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তুরস্কের ইয়ালোভায় প্রশিক্ষণকালে বিধ্বস্ত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়নে মন্ত্রণালয়ের মতবিনিময় অস্ট্রেলিয়া সফর থেকে দেশে ফিরছেন জাকের আলী ও মুশফিক হাসান ভারতে সাজাভোগ শেষে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফিরলেন তিন নারী দেশের ৬ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস অমিত শাহের ২৪ ঘণ্টার আলোচনার প্রস্তাব খারিজ করলেন রাহুল গান্ধী থাইল্যান্ডে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের উদ্যোগ, সই হবে সমঝোতা স্মারক ইউটিউবে ৩০ লাখ সাবস্ক্রাইবার, মাইলফলক উদযাপন করলেন মনির খান ইইউয়ের নতুন পরিকল্পনায় পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি পুতিনের সুপ্রিম কোর্টের ৫ কর্মচারী বরখাস্ত, এক বেঞ্চ অফিসারের বেতন স্থগিত

নিখোঁজের ৫ দিন পর ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

মো.এমরুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫ ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিখোঁজের ৫ দিন পর ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো.এমরুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের ৫ দিন পর হাবি মিয়া (৪৫) নামে এক ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার(২৬ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় উপজেলার নিলক্ষা এলাকার মেঘনা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে করিমপুর নৌ ফাঁড়ি পুলিশ।

করিমপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত কুমার পোদ্দার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হাবি মিয়া (৪৫) নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদনগর গ্রামের মালেক মিয়ার ছেলে এবং পেশায় ট্রলার চালক।

নিখোঁজের পর গত ২১ জানুয়ারি রাতে নরসিংদী সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই নায়েব আলী মিয়া।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার বলছে, গত ২১ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় ট্রলার নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় হাবি মিয়া। ঐদিন তার ব্যবহৃত ট্রলারটি পাওয়া গেলেও তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ৫ দিন রবিবার সন্ধ্যায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নিলক্ষা গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে তার লাশ ভেসে ওঠে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই নায়েব আলী মিয়া বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আওয়ামী দোসররা প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচার জন্য এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আমি আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আছি। আমার সাথে রাজনৈতিক মতবিরোধের ফলে আমার ভাইকে খুন করে থাকতে পারে। আমরা আশাবাদী পুলিশ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে বিচার নিশ্চিত করবেন।”

করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুব্রত কুমার পোদ্দার বলেন, “লাশের পায়ে রশি দিয়ে বাঁধা ছিলো, মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড মনে হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার হতে এখনও মামলা দায়ের করেনি। মামলা দায়েরের পর পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নিখোঁজের ৫ দিন পর ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

মো.এমরুল ইসলাম, নরসিংদী জেলা প্রতিনিধিঃ নরসিংদীর রায়পুরায় নিখোঁজের ৫ দিন পর হাবি মিয়া (৪৫) নামে এক ট্রলার চালকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার(২৬ জানুয়ারী) সন্ধ্যায় উপজেলার নিলক্ষা এলাকার মেঘনা নদী থেকে লাশটি উদ্ধার করে করিমপুর নৌ ফাঁড়ি পুলিশ।

করিমপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক সুব্রত কুমার পোদ্দার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হাবি মিয়া (৪৫) নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের মুরাদনগর গ্রামের মালেক মিয়ার ছেলে এবং পেশায় ট্রলার চালক।

নিখোঁজের পর গত ২১ জানুয়ারি রাতে নরসিংদী সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই নায়েব আলী মিয়া।

পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার বলছে, গত ২১ জানুয়ারি সকাল ৯ টায় ট্রলার নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় হাবি মিয়া। ঐদিন তার ব্যবহৃত ট্রলারটি পাওয়া গেলেও তিনি নিখোঁজ ছিলেন। ৫ দিন রবিবার সন্ধ্যায় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় নিলক্ষা গ্রাম সংলগ্ন মেঘনা নদীতে তার লাশ ভেসে ওঠে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করার পর পরিবারের সদস্যরা তাকে শনাক্ত করেন। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

ভুক্তভোগীর মামাতো ভাই নায়েব আলী মিয়া বলেন, “গত ৫ আগস্টের পর আওয়ামী দোসররা প্রশাসনের হাত থেকে বাঁচার জন্য এলাকা ছেড়ে চলে যায়। আমি আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আছি। আমার সাথে রাজনৈতিক মতবিরোধের ফলে আমার ভাইকে খুন করে থাকতে পারে। আমরা আশাবাদী পুলিশ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে বিচার নিশ্চিত করবেন।”

করিমপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুব্রত কুমার পোদ্দার বলেন, “লাশের পায়ে রশি দিয়ে বাঁধা ছিলো, মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড মনে হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার হতে এখনও মামলা দায়ের করেনি। মামলা দায়েরের পর পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।