ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
র‍্যাবের গ্রেপ্তার নিয়ে দীর্ঘ স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন পরীমনি ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল মাঠের ঘাস বিক্রি করে ১৩৫ কোটি টাকা আয় ফিফার ফুটবলের অরা বা মহিমার আসল উদাহরণ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো: ইয়ামাল ফরিদপুরে দুর্ঘটনাকবলিত পিকআপ উদ্ধারকালে বাসচাপায় ৫ জনের প্রাণহানি বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বসতবাড়িতে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ভোলায় এইচএসসি কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর, পুলিশের টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে: শফিকুর রহমান চরফ্যাশনে এইচএসসি কেন্দ্রে নকলের সুযোগ না পেয়ে হামলা ও ভাঙচুর পশ্চিমবঙ্গে সোমবার থেকে কার্যকর বিতর্কিত গুন্ডা দমন আইন

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বন্যার পানিতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি জেলার সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো বান্দরবান-চট্টগ্রাম ও বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানিয়েছেন, বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে গত ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে জেলার সাতটি উপজেলায় বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

দুর্গতদের সহায়তায় প্রশাসন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাইক্লোন শেল্টারে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে, তবে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে স্থানীয় বিভিন্ন ভবনে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে নদীতীরবর্তী কয়েকশ ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি বসতিগুলো খালি করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ সম্মিলিতভাবে এই উদ্ধার ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মঞ্জুরুল হক জানান, বন্যা পরিস্থিতির অবনতির ফলে মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশাসন জনসাধারণকে নিরাপদ স্থানে থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত না করার পরামর্শ দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
print news

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। বন্যার পানিতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি জেলার সাথে সারা দেশের সড়ক যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। টানা তৃতীয় দিনের মতো বান্দরবান-চট্টগ্রাম ও বান্দরবান-রাঙামাটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৭৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল জানিয়েছেন, বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে গত ৫ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণে জেলার সাতটি উপজেলায় বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। এতে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

দুর্গতদের সহায়তায় প্রশাসন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সাইক্লোন শেল্টারে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে, তবে অনেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে স্থানীয় বিভিন্ন ভবনে অবস্থান নিয়েছেন। এদিকে সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যার ফলে নদীতীরবর্তী কয়েকশ ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। পাহাড়ি এলাকায় বৃষ্টির কারণে ভূমিধসের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ি বসতিগুলো খালি করে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ সম্মিলিতভাবে এই উদ্ধার ও সতর্কতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বান্দরবানের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম মঞ্জুরুল হক জানান, বন্যা পরিস্থিতির অবনতির ফলে মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের মাঝে শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রশাসন জনসাধারণকে নিরাপদ স্থানে থাকার এবং প্রয়োজন ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় যাতায়াত না করার পরামর্শ দিয়েছে।