ঢাকা ০৭:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়ন রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসে সহযোগিতা, হুঁশিয়ারি ইরানের জীবিত থাকতেই নিজের চল্লিশার আয়োজন, দাওয়াত ৬ হাজার মানুষকে নেপালে আকস্মিক বন্যায় ৩২০ ভারতীয় নাগরিক নিখোঁজ আবাসন সংকটে ২০তম এশিয়ান গেমস, বিপাকে আয়োজক জাপান নারীদের স্বাবলম্বী করতে পারলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলাবে: সমাজকল্যাণমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ফুটবল খেলতে গিয়ে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ বীরগঞ্জে বিপুল সার জব্দ, ম্যানেজারকে ৩ মাসের কারাদণ্ড চেলসিতে যোগ দিচ্ছেন বিশ্বকাপজয়ী গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ আগামী সোমবার মন্ত্রিসভায় উঠতে পারে নতুন পে-স্কেল খুলনায় বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতনতার আহ্বান

ভোলায় এইচএসসি কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর, পুলিশের টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৩২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই হামলায় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির শিকদার ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। চরফ্যাশন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ না পেয়ে একদল বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থী এই হামলা ও ভাঙচুর চালায়। শনিবারের পরীক্ষায় প্রায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে, যখন প্রায় দুই শতাধিক পরীক্ষার্থী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতির এক পর্যায়ে তারা কলেজের উত্তর-পশ্চিম পাশের দুটি গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে এবং অধ্যক্ষের কার্যালয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আইসিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষার হলে কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ ছিল। এই ক্ষোভ থেকেই তারা পরীক্ষা শেষে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের পথ বেছে নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রগুলো নিরাপদে ডাকঘরে পাঠানো হয়।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানান, প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং শিক্ষকদের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে কিছু পরীক্ষার্থী এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলায় এইচএসসি কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর, পুলিশের টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ

আপডেট সময় : ১০:১৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কয়েক রাউন্ড টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই হামলায় কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির শিকদার ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জাহিদুল ইসলাম রাসেলসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। চরফ্যাশন মহিলা মহাবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ না পেয়ে একদল বিক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থী এই হামলা ও ভাঙচুর চালায়। শনিবারের পরীক্ষায় প্রায় ৮৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।

ঘটনার সূত্রপাত হয় দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে, যখন প্রায় দুই শতাধিক পরীক্ষার্থী কলেজের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে স্লোগান দিতে শুরু করে এবং কলেজ প্রাঙ্গণে ডিম নিক্ষেপ করে। উত্তপ্ত পরিস্থিতির এক পর্যায়ে তারা কলেজের উত্তর-পশ্চিম পাশের দুটি গেট ভেঙে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে এবং অধ্যক্ষের কার্যালয়ের জানালার কাচ ভাঙচুর করে। এ সময় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আইসিটি বিষয়ের প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়া এবং পরীক্ষার হলে কক্ষ পরিদর্শকদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা না পাওয়ায় পরীক্ষার্থীরা ক্ষুব্ধ ছিল। এই ক্ষোভ থেকেই তারা পরীক্ষা শেষে বিক্ষোভ ও ভাঙচুরের পথ বেছে নেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে টিয়ার গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সহায়তায় পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্রগুলো নিরাপদে ডাকঘরে পাঠানো হয়।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ জানান, প্রশ্ন কঠিন হওয়া এবং শিক্ষকদের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে কিছু পরীক্ষার্থী এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি, তবে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin