গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে: শফিকুর রহমান
- আপডেট সময় : ১০:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, গণভোটের রায় কার্যকর, সীমান্ত হত্যা ও পুশইন বন্ধ এবং জনদুর্ভোগ নিরসনের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
সমাবেশে শফিকুর রহমান বলেন, গণভোট বাস্তবায়নের দাবি থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য নানা কথা বলা হচ্ছে। তবে তারা জাতির সঙ্গে বেইমানি করবেন না বলে স্পষ্ট জানান। তিনি বলেন, “জাতিকে আমরা কথা দিয়েছি, লড়াই আমরা করে যাবো, গণভোট বাস্তবায়নে বাধ্য করবো ইনশাআল্লাহ। এর থেকে এক চুল পরিমাণও আমরা সরবো না। এই আবু সাঈদের রক্তে ভেজা রংপুরে আবারও সেই অঙ্গীকার ব্যক্ত করে গেলাম।”
নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ও বৈষম্য দূর করতে গণভোটের আয়োজন করা হয়েছিল উল্লেখ করে জামায়াতের আমির বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এক সময় বলেছিলেন তিনি দুটি ভোট দেবেন— একটি নিজের দলের জন্য, অন্যটি গণভোটে ‘হ্যাঁ’। তিনি প্রথমটি রক্ষা করলেও দ্বিতীয়টি রক্ষা করেননি। বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তিস্তা নিয়ে সরকার নির্বাচনের আগে ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাও’ আন্দোলন করলেও এবারের বাজেটে তিস্তা প্রকল্পের জন্য কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। তিনি কথার ফুলঝুরির বদলে বাস্তব পদক্ষেপ দেখার দাবি জানান। সরকার ব্যর্থ হলে আগামীতে ১১ দল সরকার গঠন করে দাবি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সীমান্ত উত্তেজনার বিষয়ে জামায়াতের আমির বলেন, প্রতিবেশী দেশ সীমান্তে উসকানি দিলেও সরকার মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে। জনগণ এবং বিজিবি সদস্যরা প্রতিরোধের জন্য লড়াই করলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো শব্দ শোনা যায়নি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, সরকার কাকে খুশি করার জন্য বা কার ভয়ে চুপ আছে। বাংলাদেশের জনগণের নাড়ির স্পন্দন বোঝার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের অভিপ্রায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তার পরিণাম সাম্প্রতিক ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। তিস্তা প্রকল্পের ব্যাপারে কোনো ধরনের ছলচাতুরি বরদাস্ত করা হবে না বলেও তিনি সাফ জানিয়ে দেন।
তিনি বলেন, “তিস্তা নিয়ে বর্তমান সরকারি দল নির্বাচনের আগে ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাও’ আন্দোলন করেছে। কিন্তু তিস্তা নিয়ে এ বাজেটে ১০ টাকারও কোনো বরাদ্দ নেই। আমরা কথার ফুলঝুরি শুনতে চাই না, বাস্তব পদক্ষেপ দেখতে চাই। এই সরকার যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে আগামীতে আপনাদের সহযোগিতা, দোয়া, ভালোবাসা, সমর্থন ও ভোটে নির্বাচিত হয়ে ১১ দল সর



























