ঢাকা ০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুদ্ধ জিতলে লুটের মালে বিজয়ীরই অধিকার, জাতিসংঘে ঘোষণা ট্রাম্পের বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের দুই প্রশাসনিক পদে সেনা কর্মকর্তাদের নিয়োগ জাতিসংঘের বিকল্প কেবলই কল্পনাতীত: ড. খলিলুর রহমান পুলিশের দাবি উন্নতি, বাস্তবে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকণ্ঠা পাকিস্তানে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের ফাঁদে ১৫ লাখ শিশু গাজায় বিশ্ববাসীর নিষ্ক্রিয়তা লজ্জাজনক: জাতিসংঘে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে স্থানীয়ভাবে প্রতিহত করার আহ্বান প্রিন্সের স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তে ঘুষ: অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও আট মাসের ভাতিজিকে আছড়ে হত্যা

বাগাদীতে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

রিপোর্টার: মোঃ জাহিদুল ইসলাম খন্দকার
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ২১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




রিপোর্টার: মোঃ জাহিদুল ইসলাম খন্দকার

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮নং বাগাদী ইউনিয়নের মধ্য বাগাদী এলাকায় পৈতৃিক সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জমি সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বাদী রবিউল গাজী অভিযোগ করেন, তাদের পৈতৃক জমির ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ আব্দুল খালেক গাজী ও তাঁর সহযোগীরা জোরপূর্বক নির্মাণকাজ শুরু করেছেন। বাধা দিতে গেলে হুমকি-ধমকি, গালমন্দ এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতিপক্ষ প্রায়ই শক্তি প্রদর্শন করে তাদের অনুপস্থিতিতে পরিবারের নারী সদস্যদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করে থাকে।

রবিউল গাজীর ভাষ্যমতে, সম্পত্তিটি তাঁদের দখলে ছিল এবং তাদের ওয়ারিশসূত্রে মালিকানা রয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় কোনো পক্ষই দখল পরিবর্তন বা স্থাপনা নির্মাণ করতে পারে না বলে দাবি তাঁর।

অন্যদিকে, বিবাদীপক্ষ আব্দুল খালেক গাজী দাবি করেন, তারা বহুদিন ধরে ওই জমিতে বসবাস করছেন এবং আদালতের জবাবও তারা দাখিল করেছেন। তাঁর দাবি—আদালত নাকি তাদের কাজ অব্যাহত রাখার মৌখিক অনুমতি দিয়েছে। তবে আদালতের লিখিত কোনো নথি দেখাতে তিনি পারেননি বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুই পক্ষের সীমা, রেকর্ড, মালিকানা ও দখল—সবকিছু নিয়েই রয়েছে বড় ধরনের অসংগতি। মামলা চলমান থাকার কারণে প্রশাসন ও আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই পক্ষই আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান করার কথা বললেও, অভিযোগ-প্রতিবাদের ধারাবাহিকতায় পরিস্থিতি সংঘাতের ঝুঁকিতে রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বাগাদীতে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রিপোর্টার: মোঃ জাহিদুল ইসলাম খন্দকার

চাঁদপুর সদর উপজেলার ৮নং বাগাদী ইউনিয়নের মধ্য বাগাদী এলাকায় পৈতৃিক সম্পত্তিকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধ আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জমি সংক্রান্ত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্ত্বেও ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

বাদী রবিউল গাজী অভিযোগ করেন, তাদের পৈতৃক জমির ওপর আদালতের নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ আব্দুল খালেক গাজী ও তাঁর সহযোগীরা জোরপূর্বক নির্মাণকাজ শুরু করেছেন। বাধা দিতে গেলে হুমকি-ধমকি, গালমন্দ এবং ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, প্রতিপক্ষ প্রায়ই শক্তি প্রদর্শন করে তাদের অনুপস্থিতিতে পরিবারের নারী সদস্যদের সঙ্গেও অশোভন আচরণ করে থাকে।

রবিউল গাজীর ভাষ্যমতে, সম্পত্তিটি তাঁদের দখলে ছিল এবং তাদের ওয়ারিশসূত্রে মালিকানা রয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় কোনো পক্ষই দখল পরিবর্তন বা স্থাপনা নির্মাণ করতে পারে না বলে দাবি তাঁর।

অন্যদিকে, বিবাদীপক্ষ আব্দুল খালেক গাজী দাবি করেন, তারা বহুদিন ধরে ওই জমিতে বসবাস করছেন এবং আদালতের জবাবও তারা দাখিল করেছেন। তাঁর দাবি—আদালত নাকি তাদের কাজ অব্যাহত রাখার মৌখিক অনুমতি দিয়েছে। তবে আদালতের লিখিত কোনো নথি দেখাতে তিনি পারেননি বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুই পক্ষের সীমা, রেকর্ড, মালিকানা ও দখল—সবকিছু নিয়েই রয়েছে বড় ধরনের অসংগতি। মামলা চলমান থাকার কারণে প্রশাসন ও আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা ছাড়া পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। দুই পক্ষই আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান করার কথা বললেও, অভিযোগ-প্রতিবাদের ধারাবাহিকতায় পরিস্থিতি সংঘাতের ঝুঁকিতে রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।