ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আস্থা ফেরাতে কঠিন সত্য স্বীকারের আহ্বান জাতিসংঘ সভাপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকাডুবি, নারী ও শিশুর মৃত্যু সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল মার্ডার: তদন্তে নামল পিবিআই, বাবুল ২ দিনের রিমান্ডে নতুন পেশায় যুক্ত হলেন অভিনেতা হাসান মাসুদ গোপালগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ১৭ বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ভাটারা নতুন বাজারে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত মানুষকে সমস্যার বদলে সমাধানের কারিগর হিসেবে দেখার আহ্বান শ্যামনগরে মুন্ডা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী কারাম উৎসব উদযাপিত মালয়েশিয়ায় শিশু নির্যাতনবিরোধী অভিযানে বাংলাদেশি সহ ৫৩ জন আটক

নগরীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু হত‍্যার রায় ৫ বছর পর প্রকাশ

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর।
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫ ৮৬৭ বার পড়া হয়েছে

নগরীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু হত‍্যার রায় ৫ বছর পর প্রকাশ

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি




স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু (৭০) নামের এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার দায়ে আরমান আলী (৩২) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে আরও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত অভিযুক্ত আরমান আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আরমান আলী নগরীর আনছারী মোড়ের রমজান আলীর ছেলে।
পরে পুলিশি পাহারায় তাঁকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৯ মে রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় নিজ বাসায় আনজুমান বানুকে (৭০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আনজুমান বানু ছিলেন ভূমি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। ঘটনার সময় তিনি বাসায় একাই ছিলেন। পরের দিন নিহতের জামাতা এনায়েত হোসেন মহন কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আরমান আলী এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান বলেন, রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট। কেননা আমার মক্কেল আরমান আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও সেটি ছিল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেওয়া। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আশা করছি সেখানে ন্যায় বিচার পাবো।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদি বেলাল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বৃদ্ধা আনজুমান বানুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সেই সময় সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলাম। আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা ন্যায়বিচারের একটি মাইলফলক এবং আইনের শাসনের প্রতি আস্থার জায়গা আরও মজবুত করবে আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

নগরীর অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু হত‍্যার রায় ৫ বছর পর প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:৫১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর

রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী আনজুমান বানু (৭০) নামের এক বৃদ্ধা নারীকে হত্যার দায়ে আরমান আলী (৩২) নামে একজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে আরও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মশিউর রহমান খান আলোচিত এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত অভিযুক্ত আরমান আলী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আরমান আলী নগরীর আনছারী মোড়ের রমজান আলীর ছেলে।
পরে পুলিশি পাহারায় তাঁকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২০ সালের ১৯ মে রংপুর নগরীর দক্ষিণ মুলাটোল এলাকায় নিজ বাসায় আনজুমান বানুকে (৭০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আনজুমান বানু ছিলেন ভূমি অফিসের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। ঘটনার সময় তিনি বাসায় একাই ছিলেন। পরের দিন নিহতের জামাতা এনায়েত হোসেন মহন কোতোয়ালি থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে বেরিয়ে আসে, পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আরমান আলী এ হত্যাকাণ্ড ঘটান। পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে তিনি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী হাবিবুর রহমান বলেন, রায়ে আমরা অসন্তুষ্ট। কেননা আমার মক্কেল আরমান আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও সেটি ছিল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দেওয়া। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করব। আশা করছি সেখানে ন্যায় বিচার পাবো।

পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট আব্দুল হাদি বেলাল রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বৃদ্ধা আনজুমান বানুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সেই সময় সমাজকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে আমরা সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছিলাম। আদালত যে রায় দিয়েছেন, তা ন্যায়বিচারের একটি মাইলফলক এবং আইনের শাসনের প্রতি আস্থার জায়গা আরও মজবুত করবে আশা করছি।