ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা কারওয়ান বাজারের কাঠপট্টিতে আগুন, ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণে ৫ ইউনিট চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিস্ফোরণের ঘটনায় মূল হোতা দুলাল গ্রেফতার বিসিবির দায়িত্ব নেবেন কি না, জানালেন ইশরাক হোসেন আজ চরমোনাই পীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমান ফেনী সোনাগাজীতে সরকারি কলেজে ছাত্রদলের উদ্যোগে মিষ্টি বিতরণ মন্ত্রিপরিষদের নতুন সচিব ড. নাসিমুল গনি মন্ত্রীপরিষদ সংসদ সদস্য শপথ অনুষ্ঠানে থাকছেন ১২০০ দেশি-বিদেশি অতিথি গণঅধিকারে ফিরছেন না, বিএনপিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত রাশেদ খানের ফেনীতে ভোট কেন্দ্র থেকে জুলাই যোদ্ধাকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ ধানমন্ডি ৩২ থেকে ঢাবি অধ্যাপক সহ আটক ৫
বিশেষ বিজ্ঞপ্তি ::
আমাদের নিউজপোর্টালে আপনাকে স্বাগতম... আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় সেল গঠন। নির্বাচনকালীন আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগের জন্য জরুরি যোগাযোগ করুন: ০২-৪৭১১৮৭০০, ০২-৪৭১১৮৭০১, ০২-৪৭১১৮৭০২, ০২-৪৭১১৮৭০৩ এবং মোবাইল নম্বর: ০১৫৫০-০৬৪২২৬ (WhatsApp) ও ০১৫৫০-০৬৪২২৭'-স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব মুখর আয়োজনে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচির

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫ ১৫০ বার পড়া হয়েছে

আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব মুখর আয়োজনে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচির

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

আজ (১২ অক্টোবর) রবিবার সকালে উৎসবমুখর আয়োজনে বেলুনফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচিরউদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। বর্ণিল এ আনন্দ শোভাযাত্রা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছাড়াও পার্কের মোড়সহ নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উত্তরের বাতিঘর খ্যাত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৭তম বছর পেরিয়ে ১৮তম বর্ষে পদার্পন করেছে। ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করা হয়েছে দিনব্যাপী বিভিন্ন আয়োজন।

পরে আলোচনা মঞ্চে কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ। আলোচনা পর্বে জুলাই আহত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তব্য রাখেন উদ্বোধক হিসেবে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. রেজাউল হক, প্রধান অতিথি তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুৎফর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রাশেদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।

এছাড়াও দিনব্যাপী আয়োজনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বাদ আসর মিলাদ মাহফিল ও সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এদিকে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭তম বর্ষপূর্তিতে রঙিন সাজে সজ্জিত করা হয় পুরো ক্যাম্পাস। প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। দিনব্যাপী নানা আয়োজন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ ও পুনর্মিলন উৎসবে মিলিত হয় এক প্রাণোচ্ছল আবহ। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য, প্রতিষ্ঠা আন্দোলনের আহ্বায়ক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়িয়ে তোলে আয়োজনের গভীরতা। এসময় তারা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মলগ্নের নানা চ্যালেঞ্জ, সংগ্রাম ও সফলতার কথা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন ও সংগ্রামের প্রতীক। প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছিলেন, তাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ।

স্মৃতি রোমন্থনের আবহে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ফিরে যান তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সোনালি দিনগুলোয়। কেউ বললেন ক্লাসরুমের গল্প, কেউ বললেন আন্দোলনের স্মৃতি, কেউ আবার খুঁজলেন পুরনো বন্ধুদের পরিচিত মুখ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন রূপ নেয় এক স্মৃতিময় মিলনমেলায়, যেখানে অতীত ও বর্তমান মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় প্রীতি ও গৌরবের বন্ধনে। স্মৃতি রোমন্থনে সবাই ফিরে যায় অতিত জীবনে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব মুখর আয়োজনে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচির

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫
print news

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

আজ (১২ অক্টোবর) রবিবার সকালে উৎসবমুখর আয়োজনে বেলুনফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচিরউদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। বর্ণিল এ আনন্দ শোভাযাত্রা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছাড়াও পার্কের মোড়সহ নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উত্তরের বাতিঘর খ্যাত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৭তম বছর পেরিয়ে ১৮তম বর্ষে পদার্পন করেছে। ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করা হয়েছে দিনব্যাপী বিভিন্ন আয়োজন।

পরে আলোচনা মঞ্চে কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ। আলোচনা পর্বে জুলাই আহত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তব্য রাখেন উদ্বোধক হিসেবে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. রেজাউল হক, প্রধান অতিথি তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুৎফর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রাশেদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।

এছাড়াও দিনব্যাপী আয়োজনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বাদ আসর মিলাদ মাহফিল ও সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এদিকে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭তম বর্ষপূর্তিতে রঙিন সাজে সজ্জিত করা হয় পুরো ক্যাম্পাস। প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। দিনব্যাপী নানা আয়োজন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ ও পুনর্মিলন উৎসবে মিলিত হয় এক প্রাণোচ্ছল আবহ। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য, প্রতিষ্ঠা আন্দোলনের আহ্বায়ক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়িয়ে তোলে আয়োজনের গভীরতা। এসময় তারা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মলগ্নের নানা চ্যালেঞ্জ, সংগ্রাম ও সফলতার কথা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন ও সংগ্রামের প্রতীক। প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছিলেন, তাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ।

স্মৃতি রোমন্থনের আবহে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ফিরে যান তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সোনালি দিনগুলোয়। কেউ বললেন ক্লাসরুমের গল্প, কেউ বললেন আন্দোলনের স্মৃতি, কেউ আবার খুঁজলেন পুরনো বন্ধুদের পরিচিত মুখ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন রূপ নেয় এক স্মৃতিময় মিলনমেলায়, যেখানে অতীত ও বর্তমান মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় প্রীতি ও গৌরবের বন্ধনে। স্মৃতি রোমন্থনে সবাই ফিরে যায় অতিত জীবনে।