ঢাকা ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলালিংক গ্রাহকরা পাবেন স্টারলিংক মোবাইল সুবিধা ভাঙ্গুড়ায় দুর্গাপূজার নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি পর্যবেক্ষণ করল উপজেলা প্রশাসন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে আসছে বড় ধরনের রদবদল প্রেমের টানে মাদারীপুরে চীনা যুবক, ধর্মান্তরিত হয়ে বিয়ের ইচ্ছা বাবার মৃত্যুতে সাদামাটা জন্মদিন কাটাচ্ছেন শ্রাবণ্য তৌহিদা নতুন ভিডিওতে সীতার রণরূপে সাই পল্লবী, রামায়ণে রণবীর-যশ যমুনায় কোটি টাকার অবৈধ জাল উদ্ধার, পুড়িয়ে ধ্বংস করলো মৎস্য বিভাগ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা ও গরুর মাংস ঘিরে রাজনীতির বিশ্লেষণ রায়পুরে মন্দিরে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু মাথায় গুরুতর চোট পেয়ে হাসপাতালে চেলসি গোলরক্ষক মার্তিনেজ

বাম্পার ফলনে দেশের খাদ্য চাহিদা মেটানোর আশা: খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫ ২৯৬ বার পড়া হয়েছে

বাম্পার ফলনে দেশের খাদ্য চাহিদা মেটানোর আশা: খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী জেলা সার্কিট হাউসে শুক্রবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিত খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় খাদ্য ও ভূমিসংক্রান্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে দেশে বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে এবং দেশের খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের খাদ্য মজুদ প্রতিনিয়ত খরচ হচ্ছে এবং তা পূরণও হচ্ছে। এবার বোরোর পাশাপাশি আগামীর আমন চাষ ভালো হলে আর বিদেশ থেকে চাল আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।

মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, পটুয়াখালী জেলায় বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১,৯২৫ মেট্রিক টন এবং চালের লক্ষ্যমাত্রা ৫,৬৯৫ মেট্রিক টন নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে ধান পুরোপুরি এবং চাল ৪,৯৯৭ মেট্রিক টন ইতিমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। আর বরগুনা জেলার ধান এবং চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৫০০ মেট্রিক টন এবং ১,৫১৩ মেট্রিক টন, যার মধ্যে ধান পুরোটা এবং চাল ১,৩৪৯ মেট্রিক টন সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি বরগুনা জেলার ৬টি এলএসডির মজুদ ক্ষমতা রয়েছে ১৫ হাজার মেট্রিক টন।

জেলার খাদ্য ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসককে কড়া নজরদারি রাখার নির্দেশ দেন খাদ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে পটুয়াখালী ও বরগুনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং খাদ্য সাপ্লাই চেইন অটুট রাখা অপরিহার্য।

চলতি বোরো মৌসুমে সারা দেশ থেকে সাড়ে ১৭ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান এবং ১৪ লাখ মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বাড়িয়ে ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা কেজিতে কেনা হচ্ছে। এই ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান ২৪ এপ্রিল শুরু হয়েছে এবং আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ২০২৫–২৬ অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে ৯,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করছে, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ৮,০৫৯ কোটি টাকা। তিনি আরও বলেন, সরকার আগামী অর্থবছর থেকে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমের আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করবে এবং প্রতিটি পরিবারকে ১৫ টাকা কেজিতে মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বর্তমানে এই কার্যক্রম বছরের ৫ মাস চালু থাকলেও আগামী বছর থেকে তা ৬ মাস করা হবে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। এছাড়া বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

বাম্পার ফলনে দেশের খাদ্য চাহিদা মেটানোর আশা: খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার

আপডেট সময় : ০৭:৫৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:

পটুয়াখালী জেলা সার্কিট হাউসে শুক্রবার (২০ জুন) অনুষ্ঠিত খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় খাদ্য ও ভূমিসংক্রান্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার জানিয়েছেন, চলতি মৌসুমে দেশে বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে এবং দেশের খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের খাদ্য মজুদ প্রতিনিয়ত খরচ হচ্ছে এবং তা পূরণও হচ্ছে। এবার বোরোর পাশাপাশি আগামীর আমন চাষ ভালো হলে আর বিদেশ থেকে চাল আমদানি করার প্রয়োজন হবে না।

মতবিনিময় সভায় জানানো হয়, পটুয়াখালী জেলায় বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১,৯২৫ মেট্রিক টন এবং চালের লক্ষ্যমাত্রা ৫,৬৯৫ মেট্রিক টন নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে ধান পুরোপুরি এবং চাল ৪,৯৯৭ মেট্রিক টন ইতিমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। আর বরগুনা জেলার ধান এবং চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৫০০ মেট্রিক টন এবং ১,৫১৩ মেট্রিক টন, যার মধ্যে ধান পুরোটা এবং চাল ১,৩৪৯ মেট্রিক টন সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি বরগুনা জেলার ৬টি এলএসডির মজুদ ক্ষমতা রয়েছে ১৫ হাজার মেট্রিক টন।

জেলার খাদ্য ব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসককে কড়া নজরদারি রাখার নির্দেশ দেন খাদ্য উপদেষ্টা। তিনি বলেন, দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে পটুয়াখালী ও বরগুনাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং খাদ্য সাপ্লাই চেইন অটুট রাখা অপরিহার্য।

চলতি বোরো মৌসুমে সারা দেশ থেকে সাড়ে ১৭ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এর মধ্যে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান এবং ১৪ লাখ মেট্রিক টন চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বাড়িয়ে ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা কেজিতে কেনা হচ্ছে। এই ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান ২৪ এপ্রিল শুরু হয়েছে এবং আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য সহায়তার অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার আগামী ২০২৫–২৬ অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে ৯,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করার পরিকল্পনা করছে, যা চলতি অর্থবছরে ছিল ৮,০৫৯ কোটি টাকা। তিনি আরও বলেন, সরকার আগামী অর্থবছর থেকে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রমের আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখ করবে এবং প্রতিটি পরিবারকে ১৫ টাকা কেজিতে মাসে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বর্তমানে এই কার্যক্রম বছরের ৫ মাস চালু থাকলেও আগামী বছর থেকে তা ৬ মাস করা হবে।

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। এছাড়া বরিশাল বিভাগের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।