ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্ত দিয়ে ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেলো রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি রবিউলের কিশোরগঞ্জে নকল ঔষধ কারখানায় অভিযান ও জরিমানা ‎জলঢাকায় বুড়িতিস্তা নদী খনন প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত চালুর ও মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুরে কবরস্থান থেকে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার নির্বাচনে নাশকতার সন্দেহ মনোহরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ননদের কামড়ে ছিড়ে গেছে ভাবীর ঠোঁট নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মনোহরদীতে মোটরসাইকেল চাপায় মাদ্রাসা সুপার নিহত দেশের সবকিছুর ভিত্তি আইনশৃঙ্খলা শুরুতে সমস্যা থাকলেও এখন ভালো অবস্থা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় “শান্তিতে থাকবো” অপরকে শান্তিতে রাখবো সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগ শীতবস্ত্র বিতরণ

সোনালী ধানে সোনালী স্বপ্ন দেখছেন জলঢাকার কৃষকেরা

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান বুরো চিপ রংপুর বিভাগ
  • আপডেট সময় : ০২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫ ১৩৭ বার পড়া হয়েছে

সোনালী ধানে সোনালী স্বপ্ন দেখছেন জলঢাকার কৃষকেরা

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান বুরো চিপ রংপুর বিভাগ

উত্তরে জনপদ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সোনালী ধানে সোনালী স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। এদিকে এই ধান দেখে হাসি ফটেছে কৃষকের মুখে। এবার ধানের ভালো ফলন হওয়ায় মনের আনন্দে ধান কেটে মাড়াই করছেন তারা। শনিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা ও জানাযায় উপজেলার ১১ ইউনিয়ন সহ পৌর এলাকার মাঠ জুড়ে পাকা ধানেসোনালী রঙের সমারোহ দেখা গেছে। এছাড়া বাজারে ধানের দাম ভালো পাওয়ার আশা কৃষকদের। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় চলতি মৌসুমে উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে প্রায় ২৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। এবার এ ধানের মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকদের বোরো ধান চাষে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। বিশেষ করে বীজতলা থেকে ধান রোপণ করা ও পরিচর্যা সহ সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে কৃষকের সোনালী ধান এখন দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। এদিকে উপজেলার অনেক মাঠে ধান পাকতে ও পাকা বোরো ধান কাটতেও শুরু করেছে কৃষকেরা। তারপরও অধিকাংশ মাঠ গুলোতে সোনালী ধানের শীষের সঙ্গে এখন দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। এদিকে জমির পর জমিতে পাকা ধানেসোনালী রঙে রঙ্গিন হয়ে উঠেছে। উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল হাজীপাড়া এলাকার কৃষক মুজিবুর রহমান বলেন, এ মৌসুমে আমি ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছি। এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে যথাযথ ভালো পরিচর্যা করায় আমার জমিতে ধান ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যে পাকা ধান কাটতে শুরু করেছি। ফলন ও ভালো হয়েছে। ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নেকবক্ত এলাকার কৃষক আলম জানান এবার ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছি। আবার পাকাধান কাটতে শুরু করেছি। আশাকরি ভালো দাম পাবো। গোলমুন্ডা ইউনিয়ন বাজারের ধান ব্যবসায়ি জাকির জানান গত বাজারে ধান তেমন আমদানি হয়নি। তবে টুক টাক বেচা কেনা হয়েছে। আশাকরছি দু – চারদিনের মধ্যে ধান পুরোদমে আমদানি শুরু হবে। কৈমারী ইউনিয়নে গাবরোল এলাকার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান অধিক ফলনের জন্য পরিমিত সার ব্যাবহার পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সবসময় পরামর্শ দিয়ে আসছি। এবার উপজেলার কোথাও পোকার আক্রমণ না থাকায় প্রতিটি ইউনিয়নে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানান বোরো ধানের শুরু থেকেই ভালো মানের বীজ জমির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছি। বর্তমানে উপজেলার প্রতিটি এলাকাতে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের ধুম পড়ছে। ফলনও বাম্পার হয়েছে। তারপরেও যেসব জমির ধান ৮০ ভাগ পেকে গেছে ওই সব জমির ধান দ্রুত কেটে নিতে আমরা কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে আসছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

সোনালী ধানে সোনালী স্বপ্ন দেখছেন জলঢাকার কৃষকেরা

আপডেট সময় : ০২:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ মে ২০২৫

হাসানুজ্জামান সিদ্দিকী হাসান বুরো চিপ রংপুর বিভাগ

উত্তরে জনপদ নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সোনালী ধানে সোনালী স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। এদিকে এই ধান দেখে হাসি ফটেছে কৃষকের মুখে। এবার ধানের ভালো ফলন হওয়ায় মনের আনন্দে ধান কেটে মাড়াই করছেন তারা। শনিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা ও জানাযায় উপজেলার ১১ ইউনিয়ন সহ পৌর এলাকার মাঠ জুড়ে পাকা ধানেসোনালী রঙের সমারোহ দেখা গেছে। এছাড়া বাজারে ধানের দাম ভালো পাওয়ার আশা কৃষকদের। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় চলতি মৌসুমে উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নে প্রায় ২৬ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ করা হয়েছে। এবার এ ধানের মৌসুমের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকদের বোরো ধান চাষে কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। বিশেষ করে বীজতলা থেকে ধান রোপণ করা ও পরিচর্যা সহ সব মিলিয়ে মাঠে মাঠে কৃষকের সোনালী ধান এখন দর্শনীয় হয়ে উঠেছে। এদিকে উপজেলার অনেক মাঠে ধান পাকতে ও পাকা বোরো ধান কাটতেও শুরু করেছে কৃষকেরা। তারপরও অধিকাংশ মাঠ গুলোতে সোনালী ধানের শীষের সঙ্গে এখন দোল খাচ্ছে কৃষকের সোনালী স্বপ্ন। এদিকে জমির পর জমিতে পাকা ধানেসোনালী রঙে রঙ্গিন হয়ে উঠেছে। উপজেলার কৈমারী ইউনিয়নের গাবরোল হাজীপাড়া এলাকার কৃষক মুজিবুর রহমান বলেন, এ মৌসুমে আমি ৪ বিঘা জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছি। এবং কৃষি অফিসের পরামর্শে যথাযথ ভালো পরিচর্যা করায় আমার জমিতে ধান ভালো হয়েছে। ইতিমধ্যে পাকা ধান কাটতে শুরু করেছি। ফলন ও ভালো হয়েছে। ডাউয়াবাড়ী ইউনিয়নের নেকবক্ত এলাকার কৃষক আলম জানান এবার ৬ বিঘা জমিতে বোরো ধান লাগিয়েছি। আবার পাকাধান কাটতে শুরু করেছি। আশাকরি ভালো দাম পাবো। গোলমুন্ডা ইউনিয়ন বাজারের ধান ব্যবসায়ি জাকির জানান গত বাজারে ধান তেমন আমদানি হয়নি। তবে টুক টাক বেচা কেনা হয়েছে। আশাকরছি দু – চারদিনের মধ্যে ধান পুরোদমে আমদানি শুরু হবে। কৈমারী ইউনিয়নে গাবরোল এলাকার উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জানান অধিক ফলনের জন্য পরিমিত সার ব্যাবহার পানি সাশ্রয় এবং সার্বিক পরিচর্যায় কৃষকদের সবসময় পরামর্শ দিয়ে আসছি। এবার উপজেলার কোথাও পোকার আক্রমণ না থাকায় প্রতিটি ইউনিয়নে এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানান বোরো ধানের শুরু থেকেই ভালো মানের বীজ জমির উর্বরতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছি। বর্তমানে উপজেলার প্রতিটি এলাকাতে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের ধুম পড়ছে। ফলনও বাম্পার হয়েছে। তারপরেও যেসব জমির ধান ৮০ ভাগ পেকে গেছে ওই সব জমির ধান দ্রুত কেটে নিতে আমরা কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দিয়ে আসছি।