ঢাকা ১২:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না ইরান: পেজেশকিয়ান নিউইয়র্কে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি

ঝড়-বজ্রপাতের সময় সুরক্ষিত থাকতে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬ ২৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বাংলাদেশে বর্ষাকালে বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টি একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছরই এই দুর্যোগের কারণে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া বৈরী হলে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক প্রস্তুতি ও সতর্কতা অবলম্বন করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। ঝড়ের সময় ঘরের ভেতরে বা বাইরে যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, জীবন বাঁচাতে কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।

ঝড় শুরু হওয়া মাত্রই যত দ্রুত সম্ভব একটি পাকা ও মজবুত ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়া উচিত। এ সময় ঘরের কাচের দরজা, জানালা কিংবা বারান্দার কাছাকাছি থাকা একদমই নিরাপদ নয়, কারণ ঝোড়ো বাতাসে কাচ ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ঘরের টেলিভিশন, ফ্রিজ ও কম্পিউটারের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগ খুলে রাখা জরুরি। ঘরের ভেতরের লোহার দরজা-জানালা, ধাতব আসবাবপত্র, পানির কল কিংবা প্লাম্বিং পাইপ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ বজ্রপাতের সময় এসব ধাতব বস্তু সহজে বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে উঠতে পারে।

ঝড়ের সময় ঘরের বাইরে থাকলে দ্রুততম সময়ে কোনো নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নেওয়া উচিত। কোনো অবস্থাতেই বড় গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি, বিলবোর্ড বা কোনো উঁচু কাঠামোর নিচে দাঁড়ানো যাবে না, কারণ তীব্র বাতাসে এগুলো ভেঙে গায়ে পড়তে পারে। খোলা মাঠ, উঁচু স্থান এবং নদী, খাল বা যেকোনো জলাশয়ের আশপাশে থাকা অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এসব স্থানে বজ্রপাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। এছাড়া মোটরবাইক, সাইকেল বা যেকোনো খোলা যানবাহনে চলাচলরত অবস্থায় ঝড় শুরু হলে তৎক্ষণাৎ গাড়ি থামিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

দুর্যোগের এই সময়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাস জানা এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। ঝড়ের সময় অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হওয়া, শিশু ও বয়স্কদের সুরক্ষায় বাড়তি নজর দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দুর্ঘটনা এড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামান্য সচেতনতা ও সময়োচিত সতর্কতাই বজ্রপাত ও ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে মানুষের জীবন ও সম্পদের বড় ক্ষতি রক্ষা করতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ঝড়-বজ্রপাতের সময় সুরক্ষিত থাকতে যেসব নিয়ম মেনে চলবেন

আপডেট সময় : ০১:০০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশে বর্ষাকালে বজ্রসহ ঝড়বৃষ্টি একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছরই এই দুর্যোগের কারণে বহু মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আবহাওয়া বৈরী হলে আতঙ্কিত না হয়ে সঠিক প্রস্তুতি ও সতর্কতা অবলম্বন করলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। ঝড়ের সময় ঘরের ভেতরে বা বাইরে যেখানেই অবস্থান করুন না কেন, জীবন বাঁচাতে কিছু জরুরি নিয়ম মেনে চলা আবশ্যক।

ঝড় শুরু হওয়া মাত্রই যত দ্রুত সম্ভব একটি পাকা ও মজবুত ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়া উচিত। এ সময় ঘরের কাচের দরজা, জানালা কিংবা বারান্দার কাছাকাছি থাকা একদমই নিরাপদ নয়, কারণ ঝোড়ো বাতাসে কাচ ভেঙে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। পাশাপাশি বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে ঘরের টেলিভিশন, ফ্রিজ ও কম্পিউটারের মতো বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগ খুলে রাখা জরুরি। ঘরের ভেতরের লোহার দরজা-জানালা, ধাতব আসবাবপত্র, পানির কল কিংবা প্লাম্বিং পাইপ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকতে হবে, কারণ বজ্রপাতের সময় এসব ধাতব বস্তু সহজে বিদ্যুৎ পরিবাহী হয়ে উঠতে পারে।

ঝড়ের সময় ঘরের বাইরে থাকলে দ্রুততম সময়ে কোনো নিরাপদ ভবনে আশ্রয় নেওয়া উচিত। কোনো অবস্থাতেই বড় গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি, বিলবোর্ড বা কোনো উঁচু কাঠামোর নিচে দাঁড়ানো যাবে না, কারণ তীব্র বাতাসে এগুলো ভেঙে গায়ে পড়তে পারে। খোলা মাঠ, উঁচু স্থান এবং নদী, খাল বা যেকোনো জলাশয়ের আশপাশে থাকা অত্যন্ত বিপজ্জনক, কারণ এসব স্থানে বজ্রপাতের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে। এছাড়া মোটরবাইক, সাইকেল বা যেকোনো খোলা যানবাহনে চলাচলরত অবস্থায় ঝড় শুরু হলে তৎক্ষণাৎ গাড়ি থামিয়ে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

দুর্যোগের এই সময়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত পূর্বাভাস জানা এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। ঝড়ের সময় অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের না হওয়া, শিশু ও বয়স্কদের সুরক্ষায় বাড়তি নজর দেওয়া এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা দুর্ঘটনা এড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সামান্য সচেতনতা ও সময়োচিত সতর্কতাই বজ্রপাত ও ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের হাত থেকে মানুষের জীবন ও সম্পদের বড় ক্ষতি রক্ষা করতে পারে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin