ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রবীণ অধিদপ্তর গঠনের দাবি: ২০৫০ সালে প্রবীণ সংখ্যা দাঁড়াবে ৫ কোটিতে রাবিতে হামলার ঘটনায় জামায়াতকে জড়ানো অনভিপ্রেত: মিয়া গোলাম পরওয়ার পিরোজপুরে আইনি ও আর্থিক সহায়তা নিয়ে ‘সেভ বাংলাদেশ’র যাত্রা হাসপাতালে ঠাঁই নেই ডেঙ্গু রোগীর, অক্টোবরে আরও অবনতির আশঙ্কা ১৪ মিনিটের ঝড়ে বেলজিয়ামকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স আধুনিক চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে পুনর্নির্মাণ হবে ভুলতা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র সাংবাদিকদের দাবির মুখে রাবির জিয়া হলের প্রভোস্টকে অব্যাহতি ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন: প্রিজন ভ্যান নয়, প্রাইভেটকারে তুলে দিয়েছিল পুলিশই বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে এখনই বিয়ের পরিকল্পনা নেই কৌশানির বাংলাদেশে বিরোধী দলের সমর্থকদের গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ এইচআরডব্লিউর

মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো ১৪৭৬ নাগরিক মিয়ানমারের জলসীমায়

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মালয়েশিয়ায় আটক থাকা প্রায় দেড় হাজার মিয়ানমারের নাগরিককে নিয়ে তিনটি জাহাজ দেশটির জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তাদের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ফেরত পাঠানো এসব মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম 'গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার'-এর বরাতে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ১ হাজার ৪৭৬ জন নাগরিককে বহনকারী তিনটি নৌযান দেশটির জলসীমায় প্রবেশ করে। অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান ও সে দেশের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করার পর তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তারা এতদিন মালয়েশিয়ার অভিবাসন হেফাজত কেন্দ্রে আটক ছিলেন।

এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে জাতিসংঘ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে ভিন্নমত দেখা গেছে। মালয়েশিয়া দাবি করেছে, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক। অন্যদিকে, জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে মিয়ানমারের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শরণার্থীদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য মোটেও অনুকূল নয়।

মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিবেদক কেলি ই. কারি গত বৃহস্পতিবার এই প্রত্যাবাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান। তিনি মালয়েশিয়াকে এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করে জাতিসংঘের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারকে হটিয়ে জান্তা বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারে তীব্র সংঘাত চলছে।

মিয়ানমারের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা নাগরিকদের খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে নৌবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইয়াঙ্গুন বন্দরে পৌঁছানোর পর স্থানীয় কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন এবং পরবর্তীতে তাদের নিজ নিজ এলাকায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ফেরত পাঠানো এই দলটিতে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর কেউ আছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সর্বোচ্চ ৫ হাজার মানুষকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর একটি বড় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রথম দলটিকে পাঠানো হলো।

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ২৬আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৩৪

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মালয়েশিয়া থেকে ফেরত পাঠানো ১৪৭৬ নাগরিক মিয়ানমারের জলসীমায়

আপডেট সময় : ০৪:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

মালয়েশিয়ায় আটক থাকা প্রায় দেড় হাজার মিয়ানমারের নাগরিককে নিয়ে তিনটি জাহাজ দেশটির জলসীমায় এসে পৌঁছেছে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তাদের বাণিজ্যিক রাজধানী ইয়াঙ্গুনে নিয়ে যাওয়া হবে। তবে মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ফেরত পাঠানো এসব মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা।

মিয়ানমারের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম 'গ্লোবাল নিউ লাইট অব মিয়ানমার'-এর বরাতে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার ১ হাজার ৪৭৬ জন নাগরিককে বহনকারী তিনটি নৌযান দেশটির জলসীমায় প্রবেশ করে। অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় অবস্থান ও সে দেশের অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ভোগ করার পর তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। তারা এতদিন মালয়েশিয়ার অভিবাসন হেফাজত কেন্দ্রে আটক ছিলেন।

এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে জাতিসংঘ ও মালয়েশিয়া সরকারের মধ্যে ভিন্নমত দেখা গেছে। মালয়েশিয়া দাবি করেছে, এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছামূলক। অন্যদিকে, জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে মিয়ানমারের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শরণার্থীদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের জন্য মোটেও অনুকূল নয়।

মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের মানবাধিকার সংক্রান্ত বিশেষ প্রতিবেদক কেলি ই. কারি গত বৃহস্পতিবার এই প্রত্যাবাসন নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানান। তিনি মালয়েশিয়াকে এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে স্থগিত করে জাতিসংঘের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত বেসামরিক সরকারকে হটিয়ে জান্তা বাহিনী ক্ষমতা দখলের পর থেকেই মিয়ানমারে তীব্র সংঘাত চলছে।

মিয়ানমারের সরকারি সংবাদমাধ্যমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেরত আসা নাগরিকদের খাবার, পোশাক ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে নৌবাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইয়াঙ্গুন বন্দরে পৌঁছানোর পর স্থানীয় কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন এবং পরবর্তীতে তাদের নিজ নিজ এলাকায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। তবে ফেরত পাঠানো এই দলটিতে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর কেউ আছেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সর্বোচ্চ ৫ হাজার মানুষকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর একটি বড় পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রথম দলটিকে পাঠানো হলো।

প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ২৬আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬: ৩৪

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh