পশ্চিমতীরে বসতি সম্প্রসারণ ইস্যুতে ইসরাইলকে বৃটেনের নিষেধাজ্ঞার হুমকি
- আপডেট সময় : ০৯:৪৫:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

দখলীকৃত পশ্চিমতীরে ইসরাইলের অবৈধ বসতি সম্প্রসারণের পরিকল্পনার জেরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তাপ বেড়েছে। বৃটিশ সরকার এই বসতি নির্মাণের নিন্দা জানিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বিবেচনা করছে। বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড জানিয়েছেন, ইসরাইল এর মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নীতির ‘লাল সীমা’ অতিক্রম করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরাইল বিষয়ক সরকারি নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি জানান।
বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পশ্চিম তীরে নতুন ইসরাইলি বসতিতে বৃটিশ কোম্পানিগুলোর অর্থায়ন, নির্মাণকাজে অংশগ্রহণ কিংবা বিজ্ঞাপন দেয়ার বিষয়টি কীভাবে বন্ধ করা যায়, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে একটি সমন্বিত পদক্ষেপের প্যাকেজ তুলে ধরা হবে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ে এসব কর্মকাণ্ডের বৈধতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তাও সরকার গুরুত্বের সাথে দেখছে।
এর আগে বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম হাউস অব কমন্সে সতর্ক করে বলেন, ই-১ বসতি নিয়ে ইসরাইলের সিদ্ধান্ত দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাকে ‘বিপন্ন বা শেষ’ করে দিতে পারে। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, অক্টোবরের সাধারণ নির্বাচনের আগেই ইসরাইল এই প্রকল্পের দরপত্র চূড়ান্ত করতে পারে। সরকার জানিয়েছে, ই-১ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীর থেকে পূর্ব জেরুজালেম বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
এদিকে, বৃটিশ মন্ত্রী স্টিফেন ডাউটি ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, নীতি পরিবর্তনের অংশ হিসেবে অবৈধ বসতির সঙ্গে বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার পদক্ষেপও নেয়া হতে পারে। তিনি বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের তীব্র নিন্দা জানান।
বৃটেনের এই হুঁশিয়ারির বিপরীতে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইসরাইল। ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার বলেন, বৃটেন যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, তবে ইসরাইলও পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। তিনি এক ইসরাইলি গণমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, বৃটেন এমন পদক্ষেপ নিলে তা বড় ধরনের ভুল হবে।

























