ঢাকা ০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজকের খেলার সূচি: বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ওয়ানডে ও ইউরোপীয় ফুটবলের লড়াই স্পেসএক্সের রকেট প্রযুক্তিতে আকাশে উড়বে টেসলার ‘রোডস্টার ২’ গণহত্যাকারী দল হিসেবে আ.লীগের বিচার ও কার্যক্রম নিয়ে সংশয় গায়ে হলুদের দিনই ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন বর ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তাইজ দখল করতে চায় হুতিরা পেরুর আন্দিজে মেসির নামে নতুন উদ্ভিদ ‘সালভিয়া মেসি’র সন্ধান যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশ্ন ফাঁসে এনবিআর কর্মীসহ গ্রেপ্তার ৭ রাউজানে এক অপরাধী চক্র গ্রেপ্তারের পর মাথাচাড়া দিচ্ছে আলম-আজিজ বাহিনী জামায়াত, এনসিপি ও গণঅধিকার নেতাদের তীব্র রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি আরিফিন শুভর সঙ্গে ছবি পোস্ট করে বিয়ের রহস্য উসকে দিলেন চমক

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’র জবাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি ইরানের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬ ১২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের লক্ষ্য করে নজিরবিহীন ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ বা বড় ধরনের আর্থিক অভিযানের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ওয়াশিংটনের এই অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগর থেকে বিশ্ববাজারে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেছেন, এই অর্থনৈতিক যুদ্ধ যদি চলতে থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালি কিংবা পারস্য উপসাগরের কোনো অংশ থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেয়া হবে না। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানকারী যেকোনো দেশকে সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি সামরিক হামলার কারণে ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জোরদারের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ার কথা স্বীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক, সামরিক ও নিরাপত্তা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং এই সমস্যাগুলোর জন্য আমরা দুঃখিত।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক মতামত নিবন্ধে জানিয়েছিলেন, কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় আর্থিক অভিযান হিসেবে এই ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ শুরু হবে। ওয়াশিংটন বিশেষ করে চীনকে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে, কারণ ইরানের রপ্তানি করা তেলের বড় একটি অংশ চীনে যায়। অন্যদিকে, চীনের আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। তবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই এই সংকটের সমাধান সম্ভব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’র জবাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি ইরানের

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের বাণিজ্যিক অংশীদারদের লক্ষ্য করে নজিরবিহীন ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ বা বড় ধরনের আর্থিক অভিযানের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে তেহরান। ওয়াশিংটনের এই অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত থাকলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পারস্য উপসাগর থেকে বিশ্ববাজারে তেল রপ্তানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মহসেন রেজায়ি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় ওয়াশিংটনকে সতর্ক করে বলেছেন, এই অর্থনৈতিক যুদ্ধ যদি চলতে থাকে, তাহলে হরমুজ প্রণালি কিংবা পারস্য উপসাগরের কোনো অংশ থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি হতে দেয়া হবে না। তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সহায়তা প্রদানকারী যেকোনো দেশকে সরাসরি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এবং সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি সামরিক হামলার কারণে ইরানের অর্থনীতি বর্তমানে বড় ধরনের চাপের মুখে রয়েছে। নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জোরদারের আশঙ্কায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়ার কথা স্বীকার করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, আমরা বর্তমানে একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক, সামরিক ও নিরাপত্তা যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি এবং এই সমস্যাগুলোর জন্য আমরা দুঃখিত।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সম্প্রতি ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস-এর এক মতামত নিবন্ধে জানিয়েছিলেন, কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পরিচালিত এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় আর্থিক অভিযান হিসেবে এই ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ শুরু হবে। ওয়াশিংটন বিশেষ করে চীনকে ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে, কারণ ইরানের রপ্তানি করা তেলের বড় একটি অংশ চীনে যায়। অন্যদিকে, চীনের আমদানি করা অপরিশোধিত তেলের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে আসে। তবে ওয়াশিংটনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিষেধাজ্ঞা বা চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই এই সংকটের সমাধান সম্ভব।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin