ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিহারের গঙ্গায় নৌকাডুবি: শিশুসহ নিহত ১৩ হুতিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইসরাইলের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন সৌদি যুবরাজ সৌদি আরামকোর দাহরান কমপ্লেক্সে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আগুন বুধবার দুপুর পর্যন্ত ৫ অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি, ১ নম্বর সতর্ক সংকেত রাশিয়ায় গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে জাপানি সাংবাদিক গ্রেপ্তার রিয়াদে প্রাণঘাতী হামলার আগে সৌদির আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা কেন নীরব ছিল সৌদি আরবের আরামকো তেল স্থাপনায় হুতি বিদ্রোহীদের হামলা রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন সম্পন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধৈর্য ও আল্লাহর স্মরণে মুমিনের করণীয় প্রথম ভারতীয় সুপারস্টার অশোক কুমারের জীবন ও ক্যারিয়ারের অজানা কথা

গোয়াইনঘাটে ২৬ কোটির মহাসড়ক নির্মাণে বাধা ৯০ গাছ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নে হাদারপার থেকে দমদমা পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজ বর্তমানে চরম সংকটের মুখে পড়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে ২৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা ব্যয়ে আরসিসি ঢালাই ও ৭টি কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স কামরুল অ্যান্ড ব্রাদার্স’ এই কাজের দায়িত্ব পেলেও সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা ৯০টি গাছ অপসারণ না হওয়ায় প্রকল্পটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

প্রকল্পের সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়ে ২০২৬ সালের ২৮ জুন শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু বগাইয়া থেকে দমদমা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছগুলো রয়ে যাওয়ায় কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের মাঝ বরাবর সারিবদ্ধ গাছ রেখেই ঢালাই দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও গাছ বাঁচাতে গিয়ে ঢালাই আঁকাবাঁকা করায় সড়কের স্বাভাবিক আকৃতি ও প্রশস্ততা নষ্ট হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছের শিকড় কেটে আরসিসির গার্ডওয়াল নির্মাণের ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি সড়কের স্থায়িত্ব নিয়েও স্থানীয়রা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার জুবায়ের আহমদ জানান, কাজের শুরু থেকেই এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে গাছ কাটার অনুরোধ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে বাধ্য হয়েই গাছের অংশ রেখেই কাজ করতে হচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যয়বহুল এবং ক্ষতিকর। উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহামেদ জানান, বিষয়টি শুরু থেকেই বন বিভাগকে জানানো হয়েছিল। সারী রেঞ্জ কর্মকর্তা এক মাস আগে গাছগুলো টেন্ডার হওয়ার কথা জানালেও এখনো তা কার্যকর হয়নি এবং বর্তমানে তিনি ফোন রিসিভ করছেন না।

বন বিভাগের সারী রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহ আলম ইসলাম জানিয়েছেন, ৯০টি গাছ তালিকাভুক্ত করে টেন্ডারের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের এক মহলদারকে দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গাছ কাটা শুরু হবে বলে তিনি আশা করছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারী জানিয়েছেন, গাছগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য বন বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

গোয়াইনঘাটে ২৬ কোটির মহাসড়ক নির্মাণে বাধা ৯০ গাছ

আপডেট সময় : ১২:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি ইউনিয়নে হাদারপার থেকে দমদমা পর্যন্ত সাড়ে ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নির্মাণকাজ বর্তমানে চরম সংকটের মুখে পড়েছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্পে ২৬ কোটি ৬৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা ব্যয়ে আরসিসি ঢালাই ও ৭টি কালভার্ট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ঢাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স কামরুল অ্যান্ড ব্রাদার্স’ এই কাজের দায়িত্ব পেলেও সড়কের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা ৯০টি গাছ অপসারণ না হওয়ায় প্রকল্পটি মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

প্রকল্পের সময়সীমা অনুযায়ী ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর কাজ শুরু হয়ে ২০২৬ সালের ২৮ জুন শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু বগাইয়া থেকে দমদমা পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছগুলো রয়ে যাওয়ায় কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের মাঝ বরাবর সারিবদ্ধ গাছ রেখেই ঢালাই দেওয়া হয়েছে। কোথাও কোথাও গাছ বাঁচাতে গিয়ে ঢালাই আঁকাবাঁকা করায় সড়কের স্বাভাবিক আকৃতি ও প্রশস্ততা নষ্ট হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছের শিকড় কেটে আরসিসির গার্ডওয়াল নির্মাণের ফলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি সড়কের স্থায়িত্ব নিয়েও স্থানীয়রা গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার জুবায়ের আহমদ জানান, কাজের শুরু থেকেই এলজিইডি কর্তৃপক্ষকে গাছ কাটার অনুরোধ জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে বাধ্য হয়েই গাছের অংশ রেখেই কাজ করতে হচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানের জন্য ব্যয়বহুল এবং ক্ষতিকর। উপজেলা প্রকৌশলী হাসিব আহামেদ জানান, বিষয়টি শুরু থেকেই বন বিভাগকে জানানো হয়েছিল। সারী রেঞ্জ কর্মকর্তা এক মাস আগে গাছগুলো টেন্ডার হওয়ার কথা জানালেও এখনো তা কার্যকর হয়নি এবং বর্তমানে তিনি ফোন রিসিভ করছেন না।

বন বিভাগের সারী রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহ আলম ইসলাম জানিয়েছেন, ৯০টি গাছ তালিকাভুক্ত করে টেন্ডারের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের এক মহলদারকে দেওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই গাছ কাটা শুরু হবে বলে তিনি আশা করছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রতন কুমার অধিকারী জানিয়েছেন, গাছগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য বন বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin