ঢাকা ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২ পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিল মেসি পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ কারা সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলা, আহত ২ নোবিপ্রবির পুরো ক্যাম্পাস সৌরবিদ্যুৎ চালুর পরিকল্পনা প্রতি তিন মাস পর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তথ্য নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে দুই গ্রুপের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ একজন

ইউরোপে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উদ্বেগজনক হারে হ্রাস পেয়েছে বলে মার্কিন ও ন্যাটো কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি প্রকট, যা রাশিয়ার উচ্চগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইউরোপে নিযুক্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ও একজন ন্যাটো কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, এই মজুত সংকট ‘সংকটজনক অবস্থার চেয়েও বেশি’। মার্কিন এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দীর্ঘস্থায়ী কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত প্যাট্রিয়ট নেই। এমনকি একটি মাত্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলার সক্ষমতাও বর্তমানে সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।

এই ঘাটতির পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে ইরান যুদ্ধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করায় ইউরোপে থাকা মজুত থেকে সরঞ্জাম সরিয়ে নিতে হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনকে দেওয়া আগের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের চালানগুলোও মার্কিন মজুত কমিয়ে দিয়েছে।

যদিও ন্যাটো দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা অদূর ভবিষ্যতে নেই বলে মনে করা হচ্ছে, তবুও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ এই সপ্তাহে মস্কো সফর করেছেন। তবে পেন্টাগন ও ন্যাটোর মুখপাত্র কর্নেল মার্টিন ও’ডোনেল মজুত সংকটের দাবিকে ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ও’ডোনেল দাবি করেন যে, ইউরোপের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ‘ক্রিটিক্যাল’ পর্যায়ে পৌঁছায়নি এবং ন্যাটোর নিজেদের প্রতিরক্ষা ও ইউক্রেনকে সহায়তা—উভয় ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুদ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতির কারণে রাশিয়ার উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার বিকল্প ব্যবস্থা ইউরোপের হাতে খুবই সীমিত। ফ্রান্স ও ইতালির এসএএমপি/টি এনজি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছুটা সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এগুলো প্যাট্রিয়টের তুলনায় কম পাল্লার এবং নতুন সংস্করণটি এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত নয়। ন্যাটো ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়া ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোতে হামলার মতো অবস্থানে থাকতে পারে, যদিও বর্তমানে সরাসরি হামলার আশঙ্কা নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ইউরোপে প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত নিয়ে উদ্বেগ

আপডেট সময় : ০২:০৬:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটোর উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উদ্বেগজনক হারে হ্রাস পেয়েছে বলে মার্কিন ও ন্যাটো কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। বিশেষ করে প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি প্রকট, যা রাশিয়ার উচ্চগতির ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইউরোপে নিযুক্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা ও একজন ন্যাটো কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, এই মজুত সংকট ‘সংকটজনক অবস্থার চেয়েও বেশি’। মার্কিন এক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দীর্ঘস্থায়ী কোনো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ঠেকানোর মতো পর্যাপ্ত প্যাট্রিয়ট নেই। এমনকি একটি মাত্র ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবিলার সক্ষমতাও বর্তমানে সীমিত পর্যায়ে রয়েছে।

এই ঘাটতির পেছনে অন্যতম কারণ হিসেবে ইরান যুদ্ধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করায় ইউরোপে থাকা মজুত থেকে সরঞ্জাম সরিয়ে নিতে হয়েছে। এছাড়া ইউক্রেনকে দেওয়া আগের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের চালানগুলোও মার্কিন মজুত কমিয়ে দিয়েছে।

যদিও ন্যাটো দেশগুলোর বিরুদ্ধে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা অদূর ভবিষ্যতে নেই বলে মনে করা হচ্ছে, তবুও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সিআইএ পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ এই সপ্তাহে মস্কো সফর করেছেন। তবে পেন্টাগন ও ন্যাটোর মুখপাত্র কর্নেল মার্টিন ও’ডোনেল মজুত সংকটের দাবিকে ‘মিথ্যা’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ও’ডোনেল দাবি করেন যে, ইউরোপের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ‘ক্রিটিক্যাল’ পর্যায়ে পৌঁছায়নি এবং ন্যাটোর নিজেদের প্রতিরক্ষা ও ইউক্রেনকে সহায়তা—উভয় ক্ষেত্রেই পর্যাপ্ত অস্ত্র মজুদ রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতির কারণে রাশিয়ার উন্নত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করার বিকল্প ব্যবস্থা ইউরোপের হাতে খুবই সীমিত। ফ্রান্স ও ইতালির এসএএমপি/টি এনজি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিছুটা সহায়ক হতে পারে, কিন্তু এগুলো প্যাট্রিয়টের তুলনায় কম পাল্লার এবং নতুন সংস্করণটি এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে পরীক্ষিত নয়। ন্যাটো ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা সতর্ক করেছেন যে, ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়া ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোতে হামলার মতো অবস্থানে থাকতে পারে, যদিও বর্তমানে সরাসরি হামলার আশঙ্কা নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh