ঢাকা ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২ পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিল মেসি পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ কারা সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলা, আহত ২ নোবিপ্রবির পুরো ক্যাম্পাস সৌরবিদ্যুৎ চালুর পরিকল্পনা প্রতি তিন মাস পর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তথ্য নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মোহাম্মদপুরে দুই গ্রুপের গোলাগুলি, গুলিবিদ্ধ একজন

প্রতি তিন মাস পর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তথ্য নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশব্যাপী সবুজায়নের লক্ষ্য নিয়ে চলমান ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় রোপণ করা চারাগাছগুলো বাঁচিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ তাগিদ দেন। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অগ্রগতির ওপর একটি তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এতে জানানো হয়, গত ১৩ জুন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৩ কোটি ৫৭ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সভায় সুন্দরবনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে বনের ৩৯ শতাংশ সুন্দরী গাছ রোগে আক্রান্ত। এছাড়া মা গাছ পাওয়া গেছে ৫ হাজারটি, যার মধ্যে ১৭ প্রজাতির গাছের ক্ষেত্রে মাত্র একটি করে টিকে আছে। প্রধানমন্ত্রী এসব গাছের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সেগুলো বাঁচিয়ে রাখার ওপর জোর দেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন যে, প্রতি তিন মাস অন্তর রোপিত গাছের হালনাগাদ তথ্য প্রদান করতে হবে।

নিজের সিগনেচার প্রকল্প হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি এমন একটি উদ্যোগ যার সুফল সবাই পাবেন। তাই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরদের সম্পৃক্ত করার উপায় খুঁজে বের করতে অনুরোধ করেন। এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলসহ উজাড় হয়ে যাওয়া বনভূমিকে পুনরায় বৃক্ষরোপণের আওতায় আনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সভায় জানান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারার সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী বছর সারা দেশে ৫০৩টি নার্সারি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা নির্বাচনী ইশতেহারে সবুজ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সরকার সব করবে এমন প্রত্যাশা না করে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সহজ হবে। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের গাছ রোপণে উৎসাহ দেওয়ার জন্য তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জন্মদিনে বা বাবা-মায়ের জন্মদিনে গাছ রোপণের মাধ্যমে শিশুদের উৎসাহিত করা যেতে পারে।

সভায় মা গাছ সংরক্ষণ, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও আওতা বাড়ানো এবং প্রণোদনামূলক ছাদবাগান সম্প্রসারণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্বের বাইরে গিয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রতি তিন মাস পর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তথ্য নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

দেশব্যাপী সবুজায়নের লক্ষ্য নিয়ে চলমান ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় রোপণ করা চারাগাছগুলো বাঁচিয়ে রাখতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ তাগিদ দেন। সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশবিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা খানম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অগ্রগতির ওপর একটি তথ্য উপস্থাপন করা হয়। এতে জানানো হয়, গত ১৩ জুন কর্মসূচি উদ্বোধনের পর থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৩ কোটি ৫৭ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। সভায় সুন্দরবনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে বনের ৩৯ শতাংশ সুন্দরী গাছ রোগে আক্রান্ত। এছাড়া মা গাছ পাওয়া গেছে ৫ হাজারটি, যার মধ্যে ১৭ প্রজাতির গাছের ক্ষেত্রে মাত্র একটি করে টিকে আছে। প্রধানমন্ত্রী এসব গাছের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সেগুলো বাঁচিয়ে রাখার ওপর জোর দেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন যে, প্রতি তিন মাস অন্তর রোপিত গাছের হালনাগাদ তথ্য প্রদান করতে হবে।

নিজের সিগনেচার প্রকল্প হিসেবে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি এমন একটি উদ্যোগ যার সুফল সবাই পাবেন। তাই পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে শিশু-কিশোরদের সম্পৃক্ত করার উপায় খুঁজে বের করতে অনুরোধ করেন। এছাড়া পার্বত্য অঞ্চলসহ উজাড় হয়ে যাওয়া বনভূমিকে পুনরায় বৃক্ষরোপণের আওতায় আনার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।

পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু সভায় জানান, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে চারার সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগামী বছর সারা দেশে ৫০৩টি নার্সারি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে, যা নির্বাচনী ইশতেহারে সবুজ কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সরকার সব করবে এমন প্রত্যাশা না করে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সহজ হবে। ছোটবেলা থেকেই সন্তানদের গাছ রোপণে উৎসাহ দেওয়ার জন্য তিনি অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জন্মদিনে বা বাবা-মায়ের জন্মদিনে গাছ রোপণের মাধ্যমে শিশুদের উৎসাহিত করা যেতে পারে।

সভায় মা গাছ সংরক্ষণ, সুন্দরবনের সুরক্ষা ও আওতা বাড়ানো এবং প্রণোদনামূলক ছাদবাগান সম্প্রসারণের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সবশেষে প্রধানমন্ত্রী সবাইকে নিজ নিজ দায়িত্বের বাইরে গিয়ে দেশের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo