দুর্নীতির তদন্তের মুখে জেলেনস্কির জ্যেষ্ঠ সহযোগী ইরিনা মুডরা বরখাস্ত
- আপডেট সময় : ১১:০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তাঁর একজন জ্যেষ্ঠ সহযোগীকে বরখাস্ত করেছেন। নতুন করে দুর্নীতির তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বরখাস্ত হওয়া ওই কর্মকর্তার নাম ইরিনা মুডরা, যিনি প্রেসিডেন্টের ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
দেশটির সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থ পাচারের অভিযোগে ইরিনা মুডরার বাসায় তদন্ত কর্মকর্তারা তল্লাশি চালাচ্ছেন। এ ঘটনার পর এক ডিক্রি জারি করে তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তাঁর বরখাস্তের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক কারণ জানানো হয়নি।
এই ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন ইউক্রেনের সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভ দেশটিতে ‘শাসনব্যবস্থার সংকট’ চলছে বলে সতর্ক করেছেন। মঙ্গলবার রাতে এক ভিডিও ভাষণে তিনি ইউক্রেনে যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের দাবি তোলেন। যদিও জেলেনস্কি তাঁর এই দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি, তবে তিনি ফেদোরভের উত্তরসূরি হিসেবে উয়েভহেন খমারাকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পদে নিশ্চিত করার জন্য পার্লামেন্ট সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফেদোরভ অভিযোগ করেছেন, জেলেনস্কির আমলে ইউক্রেনে দুর্নীতি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রেসিডেন্ট তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি বলেন, দুর্নীতি কেবল একটি উপসর্গ, এর মূল সমস্যাটি শাসনব্যবস্থার পদ্ধতিগত সংকটের গভীরে নিহিত। গত জুলাই মাসে জেলেনস্কি নিজেই ফেদোরভকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন, যা যুদ্ধের মধ্যে দেশটিতে বড় ধরনের গণবিক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল।
ফেদোরভ আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে সফরের পরিকল্পনা করছেন, যেখানে তিনি মার্কিন প্রশাসনের সমর্থন পাওয়ার চেষ্টা করবেন বলে জানা গেছে। এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছিলেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আক্রমণের পর ইউক্রেনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন স্থগিত হয়ে যায়। এখন ফেদোরভই দেশটির প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে প্রথম, যিনি প্রকাশ্যে এই নির্বাচনের দাবি তুলে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।



























