ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সোবহানার সেঞ্চুরি, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের রেকর্ড সংগ্রহ ৫ বছর পর ন্যান্সি ও জাহিদ নিরবের দ্বৈত গান ‘দিওয়ানা দিল’ তুরস্কে পর্যটকবাহী বাস ও টো ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত ১১, আহত ২৭ পিরোজপুরে ডেঙ্গু ও কিশোর গ্যাং দমনে প্রতিমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনা জাতীয় ক্রিকেট লিগে একদিনে পাঁচ ব্যাটারের সেঞ্চুরি দিল্লির রাজপথে প্রতিবাদের ভূত যেভাবে মোদি সরকারকে তাড়া করছে দুর্গাপূজায় নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টা রুখতে সজাগ থাকার আহ্বান রিজভীর আয়াসসহ চারজনের বিরুদ্ধে যেসব ধারায় মামলা, রিমান্ডের আদেশ চাঁদপুরে জেলেদের ৫ টন চাল জব্দ, তদন্ত কমিটি গঠন নতুন রেকর্ডের হাতছানি হানসি ফ্লিকের বার্সেলোনার সামনে

কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও শান্তিচুক্তির আহ্বান সিউলের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটানোর লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। জাপানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার স্বাধীনতা লাভের বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত এক ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রেসিডেন্ট লি বলেন, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংলাপ অপরিহার্য। তিনি বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিবর্তে একটি স্থায়ী ‘শান্তিব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আইনগতভাবে কোরীয় যুদ্ধ এখনও স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট লি জানান, সংঘাত এড়াতে সিউল আগাম ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এছাড়া, আলোচনার মাধ্যমে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক সক্ষমতা সীমিত করার কার্যকর উপায়গুলো খতিয়ে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। লির এই আহ্বান গত বছরের দেওয়া তার প্রতিশ্রুতিরই ধারাবাহিকতা, যেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলেছিলেন।

তবে বর্তমানে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দুই কোরিয়াকে একীভূত করার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছেন এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘সবচেয়ে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত এলাকায় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছেন।

এদিকে লির এই সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়া উল্টো দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। জানা যায়, ৭৬ বছর আগে ১৯৫০ সালের ২৫ জুন কমিউনিস্ট কোরিয়ান পিপলস আর্মির সমন্বিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও শান্তিচুক্তির আহ্বান সিউলের

আপডেট সময় : ০৭:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটানোর লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। জাপানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার স্বাধীনতা লাভের বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত এক ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রেসিডেন্ট লি বলেন, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংলাপ অপরিহার্য। তিনি বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিবর্তে একটি স্থায়ী ‘শান্তিব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আইনগতভাবে কোরীয় যুদ্ধ এখনও স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট লি জানান, সংঘাত এড়াতে সিউল আগাম ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এছাড়া, আলোচনার মাধ্যমে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক সক্ষমতা সীমিত করার কার্যকর উপায়গুলো খতিয়ে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। লির এই আহ্বান গত বছরের দেওয়া তার প্রতিশ্রুতিরই ধারাবাহিকতা, যেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলেছিলেন।

তবে বর্তমানে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দুই কোরিয়াকে একীভূত করার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছেন এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘সবচেয়ে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত এলাকায় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছেন।

এদিকে লির এই সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়া উল্টো দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। জানা যায়, ৭৬ বছর আগে ১৯৫০ সালের ২৫ জুন কমিউনিস্ট কোরিয়ান পিপলস আর্মির সমন্বিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল।