ঢাকা ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের পানির উৎস দখল করছে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীরা বেগম খালেদা জিয়া: সংগ্রাম ও মানুষের ভালোবাসায় এক জীবন মধ্যপ্রাচ্যে ৯ মাস আটকে চরম মানসিক ঝুঁকিতে ৫ হাজার মার্কিন সেনা একাত্তর আর চব্বিশ: বিভাজনের রাজনীতি ও নতুন বাস্তবতা ডারউইন টেস্টে মিরাজের ঘূর্ণিতে কোনঠাসা অস্ট্রেলিয়া, জয়ের পথে বাংলাদেশ মোদির ‘আলিঙ্গন কূটনীতি’ নিয়ে বিতর্ক, রাহুলকে পাল্টা নিশানা বিজেপির গাজার যুদ্ধ নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র অস্কারে পাঠাচ্ছে সুইজারল্যান্ড পাট জাগ ও বর্জ্যে বিপর্যস্ত নড়াইলের চিত্রা-নবগঙ্গা, বিলুপ্ত হচ্ছে দেশীয় মাছ ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: সীতাকুণ্ডের ফেরদৌস স্টিল ইয়ার্ডের কার্যক্রম স্থগিত কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও শান্তিচুক্তির আহ্বান সিউলের

কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও শান্তিচুক্তির আহ্বান সিউলের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটানোর লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। জাপানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার স্বাধীনতা লাভের বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত এক ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রেসিডেন্ট লি বলেন, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংলাপ অপরিহার্য। তিনি বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিবর্তে একটি স্থায়ী ‘শান্তিব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আইনগতভাবে কোরীয় যুদ্ধ এখনও স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট লি জানান, সংঘাত এড়াতে সিউল আগাম ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এছাড়া, আলোচনার মাধ্যমে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক সক্ষমতা সীমিত করার কার্যকর উপায়গুলো খতিয়ে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। লির এই আহ্বান গত বছরের দেওয়া তার প্রতিশ্রুতিরই ধারাবাহিকতা, যেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলেছিলেন।

তবে বর্তমানে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দুই কোরিয়াকে একীভূত করার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছেন এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘সবচেয়ে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত এলাকায় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছেন।

এদিকে লির এই সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়া উল্টো দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। জানা যায়, ৭৬ বছর আগে ১৯৫০ সালের ২৫ জুন কমিউনিস্ট কোরিয়ান পিপলস আর্মির সমন্বিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy

নিউজটি শেয়ার করুন

কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ও শান্তিচুক্তির আহ্বান সিউলের

আপডেট সময় : ০৭:৫২:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে-মিউং ১৯৫০-৫৩ সালের কোরীয় যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটানোর লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়া ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন। জাপানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কোরিয়ার স্বাধীনতা লাভের বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার আয়োজিত এক ভাষণে তিনি এ প্রস্তাব তুলে ধরেন।

প্রেসিডেন্ট লি বলেন, কোরীয় উপদ্বীপে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে দুই কোরিয়ার মধ্যে সংলাপ অপরিহার্য। তিনি বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পরিবর্তে একটি স্থায়ী ‘শান্তিব্যবস্থা’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। উল্লেখ্য, ১৯৫৩ সালের ২৭ জুলাই একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও আইনগতভাবে কোরীয় যুদ্ধ এখনও স্থগিত অবস্থায় রয়েছে।

নিরাপত্তার বিষয়ে প্রেসিডেন্ট লি জানান, সংঘাত এড়াতে সিউল আগাম ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে একাধিক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলবে। এছাড়া, আলোচনার মাধ্যমে পিয়ংইয়ংয়ের পারমাণবিক সক্ষমতা সীমিত করার কার্যকর উপায়গুলো খতিয়ে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। লির এই আহ্বান গত বছরের দেওয়া তার প্রতিশ্রুতিরই ধারাবাহিকতা, যেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার শাসনব্যবস্থাকে সম্মান জানিয়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথা বলেছিলেন।

তবে বর্তমানে দুই কোরিয়ার সম্পর্কের টানাপোড়েন অব্যাহত রয়েছে। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং-উন দুই কোরিয়াকে একীভূত করার দীর্ঘদিনের নীতি থেকে সরে এসেছেন এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে ‘সবচেয়ে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র’ হিসেবে চিহ্নিত করে সীমান্ত এলাকায় প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছেন।

এদিকে লির এই সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়া উল্টো দক্ষিণ কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে নিন্দা জানিয়েছে দেশটি। জানা যায়, ৭৬ বছর আগে ১৯৫০ সালের ২৫ জুন কমিউনিস্ট কোরিয়ান পিপলস আর্মির সমন্বিত হামলার মাধ্যমে এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Amader Shomoy