২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা জানুয়ারির পরিবর্তে মার্চে নেওয়ার চিন্তা
- আপডেট সময় : ০২:৩৫:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

২০২৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি নেওয়ার যে পূর্বপরিকল্পনা ছিল, সেখান থেকে সরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পবিত্র রমজান এবং অভিভাবকদের মতামতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে শিক্ষা বিভাগ এখন পরীক্ষাটি আগামী মার্চ মাসে শুরু করার বিষয়ে আলোচনা করছে। শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মার্চের মাঝামাঝি সময়ে এই পরীক্ষা শুরু হতে পারে।
শিক্ষা বিভাগের উচ্চপর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বুধবার প্রথম আলোকে জানান, রমজান ও অভিভাবকদের মতামতের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে মার্চে পরীক্ষা শুরুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। এমতাবস্থায় মার্চে পরীক্ষা শুরুর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে। সেই হিসেবে রমজান ও ঈদুল ফিতর শেষে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষা শুরু করার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে, যদিও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে গত মে মাসে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময়সূচি অনুযায়ী, ২০২৭ সালের এসএসসি পরীক্ষা ৭ জানুয়ারি শুরু হয়ে ৬ ফেব্রুয়ারি শেষ হওয়ার কথা ছিল। পাশাপাশি এইচএসসি পরীক্ষা ৬ জুন থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত চলার কথা জানানো হয়েছিল।
দীর্ঘদিন ধরে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারির শুরুতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলের শুরুতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছিল। তবে করোনা মহামারির পর সেই সূচি আর বজায় রাখা সম্ভব হয়নি এবং পরীক্ষাগুলো পিছিয়ে গেছে। চলতি বছর (২০২৬) এসএসসি পরীক্ষা ২১ এপ্রিল শুরু হয়েছিল এবং এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয় জুলাই মাসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে শিক্ষা বিভাগ আগামী বছরের পরীক্ষা এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেয়। এর আগে ২০২৭ সালের পরীক্ষা ডিসেম্বরে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হলেও বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়ার মুখে তা থেকে সরে আসা হয়।
বর্তমানে দেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাবর্ষ জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ডিসেম্বরে শেষ হয়। অন্যদিকে উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষার শিক্ষাবর্ষ শুরু হয় জুলাই মাসে। শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, পাবলিক পরীক্ষাগুলো বছরের একটি নির্দিষ্ট সময়ে নেওয়া গেলে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তবে এর জন্য শিক্ষার সব পর্যায়ের শিক্ষাবর্ষ, পরীক্ষা ও ফল প্রকাশের সময়সূচির মধ্যে সমন্বয় সাধন করা জরুরি।





























