সৌদিতে অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর ৭ প্রবাসীর মরদেহ আত্রাইয়ে পৌঁছেছে
- আপডেট সময় : ০৮:৪৩:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ০ বার পড়া হয়েছে

সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত নওগাঁর সাত প্রবাসীর মরদেহ দেশে এসে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি ৩৪০ নম্বর ফ্লাইটে মরদেহগুলো হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এরপর রাত দেড়টার দিকে ফ্রিজিং অ্যাম্বুলেন্সে করে নিহতদের মরদেহ নওগাঁর আত্রাইয়ে পৌঁছায়।
মরদেহগুলো পৌঁছানোর পর আত্রাই থানা কম্পাউন্ডে নিহতদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ঢল নামে। স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রশাসনের উদ্যোগে এবং নিহতদের পরিবারের সঙ্গে সমন্বয় করে বিনা খরচে মরদেহগুলো দেশে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
নিহতদের জানাজার বিষয়ে ইউএনও জানান, শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল কলেজ মাঠে একত্রে সাতজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর মুহাম্মদ রেজায়ে রাব্বি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে মরদেহ শনাক্তের তথ্য নিশ্চিত করা হয়। রিয়াদের ওই কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মোট ১৬ জন বাংলাদেশি কর্মী মারা যান। সৌদি কর্তৃপক্ষ ফিঙ্গার প্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে এখন পর্যন্ত নওগাঁর ১১ জন এবং নওগাঁ সদরের একজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে। বাকিদের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
শনাক্ত হওয়া নওগাঁর সাতজন হলেন—আত্রাইয়ের উদনপৈ গ্রামের ময়েন উদ্দীনের ছেলে মো. ফরিদ, গণ্ডগোহালী গ্রামের সাইদুর রহমানের ছেলে রুবেল প্রামানিক, একই গ্রামের গুফফার প্রামাণিকের ছেলে মোহন আলী ও সুমন আলী এবং বজলুর রহমানের ছেলে কলিমুদ্দিন, ডুবাই গ্রামের বাদল তরফদারের ছেলে সোহেল রানা এবং উপজেলার পারকাসুন্দা গ্রামের তমেজ উদ্দিন সরদারের ছেলে আব্দুল জলিল সরদার।
ইউএনও আরও জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুরুতে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১৩ জন নিহতের খবর পাওয়া গেলেও বর্তমানে আত্রাইয়ের ১১ জন এবং নওগাঁ সদরের একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।



























