ঢাকা ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক মাদক বিরোধী দিবস উপলক্ষ্যে বেগমগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত আরপিএমপি তাজহাট থানার অভিযানে চোরাই মালামাল সহ চোর গ্রেফতার পানি বেড়েছে তিস্তায়, খুলে দেওয়া হয়েছে জলকপাট কক্সবাজার বিপুল ইয়াবা সহ আটক স্বামী-স্ত্রী ফেনীতে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ডাকাত গ্রেফতার-৭ গাইবান্ধায় সাইফুল্লাহ বারী হত্যার প্রতিবাদে রংপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত মালেশিয়া প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে একান্ত বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ​কিশোরগঞ্জ জেল কারাগার পরিদর্শনে ডিসি, দিলেন ১ গুচ্ছ নির্দেশনা গাইবান্ধায় শিবির নেতা হত্যা, অভিযুক্ত যুবদল নেতার বাড়িতে আগুন-ভাঙচুর ব্রাহ্মণপাড়া পুলিশের অভিযানে গাঁজা সহ গ্রেফতার-২

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:-

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
print news

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:-

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।