বন্ধ কারখানা চালুর প্রণোদনা ঋণ পেতে জটিলতা, দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি
- আপডেট সময় : ০৯:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

বন্ধ কারখানা পুনরায় সচল করতে সরকারের ২০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা তহবিল থেকে ঋণ পেতে নানা জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতার মুখোমুখি হচ্ছেন দেশের ব্যবসায়ীরা। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা সময়মতো না হওয়া, অতিরিক্ত নথিপত্র চাওয়া এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্বের কারণে এই সংকট তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের। এই অবস্থায় ঋণের আবেদনগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ব্যবসায়ী পক্ষ থেকে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ, বাংলাদেশ চেম্বার অব অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএ), বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশন, বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশন এবং মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এমসিসিআই) প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহাম্মদ ও মো. সরোয়ার হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।
বৈঠকে ব্যবসায়ীরা জানান, ঋণের আবেদন নিষ্পত্তিতে ব্যাংকগুলোর পর্ষদ সভা করতে অনেক সময় এক মাস পর্যন্ত লেগে যাচ্ছে। এই দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে প্রতি সপ্তাহে বা প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ পর্ষদ সভা ডাকার দাবি জানান তারা। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম সাংবাদিকদের বলেন, ২০ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল থেকে সুবিধা নিতে উদ্যোক্তারা আগ্রহী হলেও ব্যাংকগুলোর অসহযোগিতার কারণে অনেকে আবেদনই করতে পারছেন না। অনেক ব্যাংক আবেদন নিতে চাচ্ছে না এবং নানা অজুহাতে উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিপত্রে থাকা কিছু জটিলতাও দ্রুত দূর করার আহ্বান জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রণোদনা কর্মসূচির নীতিমালা সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সবার যৌথ দায়িত্ব। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা যাতে দ্রুত সহায়তা পান, সে জন্য সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর জোর দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে তহবিলের অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাইয়ের তাগিদ দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র ২৫টি আবেদনের বিপরীতে ৭৫০ কোটি টাকার ঋণের আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে মাত্র তিনটি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে।





























