ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ৬ শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে অনুমোদন আছে মাত্র ৫০টির আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৬ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করলেন বাবর আজম ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: প্রেস কর্মকর্তা আবাসন ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে ইউরোপজুড়ে তীব্র ক্ষোভ, ছড়াচ্ছে বিক্ষোভ দুর্গাপূজা নিয়ে জামায়াত-শিবির-এনসিপি চক্রান্ত করছে: ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক ট্রাম্পের আহ্বানের মধ্যেও রাশিয়ায় ইউক্রেনের বড় ড্রোন হামলা, নিহত ১ লালমোহনে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে জাল জব্দ, বিতরণে এতিমখানা মুম্বাইয়ে ফুটবল খেলে ফেরার পথে টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে গুলি সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যুর মামলায় আসামি রাকিবের জামিন লোরকা থেকে এভারেট: পাঠজীবন ও লেখার গল্প শোনালেন রেবেকা পেরি

সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা কমাচ্ছে সরকার, ৩ দিনের মধ্যে তথ্য তলব

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের অস্বাভাবিক চাহিদা ও মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে রপ্তানি নীতিতে কঠোর হচ্ছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বর্তমানে চলমান সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা পুনর্বিবেচনা করে তা কমানো বা সমন্বয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, যেসব প্রতিষ্ঠান চাল রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে, তাদের প্রকৃতপক্ষে কতটুকু চাল বিদেশে পাঠানো হয়েছে, সেই হালনাগাদ তথ্য আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে রপ্তানি-২ শাখায় জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং চালের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে আগে দেওয়া রপ্তানি অনুমোদনের পরিমাণ হ্রাস বা সমন্বয় করা জরুরি হয়ে পড়েছে। মূলত যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের পরেও পূর্ণমাত্রায় চাল রপ্তানি করতে পারেনি বা আংশিক রপ্তানি করেছে, তাদের অব্যবহৃত কোটা পুনর্বিবেচনার আওতায় আনা হবে।

এর আগে গত ২ আগস্ট বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সুগন্ধি চালের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দেশের চালের উৎপাদন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং প্রকৃত রপ্তানির চিত্র পর্যালোচনা করা হয়। তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রথম দফায় ১৩ মে ২১১টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৬৭টি, অর্থাৎ মোট ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ২৭০ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনুমতি পাওয়া অনেক প্রতিষ্ঠানই তাদের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী চাল রপ্তানি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাজারে সুগন্ধি চালের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ তুলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, দেশের শীর্ষ ১০টি বড় মিল মালিকের কাছে বিপুল পরিমাণ চাল মজুদ রয়েছে। এই মজুদ বাজারে না ছাড়ার কারণেই দাম বাড়ছে। এদিকে, প্রকৃত রপ্তানিকারকদের সুযোগ অব্যাহত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার মধ্যে ভারসাম্য আনতেই সরকার এই তথ্য তলব করেছে। তথ্য যাচাইয়ের পরই রপ্তানি কোটা কমানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা কমাচ্ছে সরকার, ৩ দিনের মধ্যে তথ্য তলব

আপডেট সময় : ০৪:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশের বাজারে সুগন্ধি চালের অস্বাভাবিক চাহিদা ও মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে রপ্তানি নীতিতে কঠোর হচ্ছে সরকার। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বর্তমানে চলমান সুগন্ধি চালের রপ্তানি কোটা পুনর্বিবেচনা করে তা কমানো বা সমন্বয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, যেসব প্রতিষ্ঠান চাল রপ্তানির অনুমোদন পেয়েছে, তাদের প্রকৃতপক্ষে কতটুকু চাল বিদেশে পাঠানো হয়েছে, সেই হালনাগাদ তথ্য আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে রপ্তানি-২ শাখায় জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রপ্তানি-২ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি ইস্যু করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অভ্যন্তরীণ বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি এবং চালের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে আগে দেওয়া রপ্তানি অনুমোদনের পরিমাণ হ্রাস বা সমন্বয় করা জরুরি হয়ে পড়েছে। মূলত যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের পরেও পূর্ণমাত্রায় চাল রপ্তানি করতে পারেনি বা আংশিক রপ্তানি করেছে, তাদের অব্যবহৃত কোটা পুনর্বিবেচনার আওতায় আনা হবে।

এর আগে গত ২ আগস্ট বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সুগন্ধি চালের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দেশের চালের উৎপাদন, অভ্যন্তরীণ চাহিদা এবং প্রকৃত রপ্তানির চিত্র পর্যালোচনা করা হয়। তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে প্রথম দফায় ১৩ মে ২১১টি এবং দ্বিতীয় দফায় ৬৭টি, অর্থাৎ মোট ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানকে ৪৫ হাজার ২৭০ টন সুগন্ধি চাল রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অনুমতি পাওয়া অনেক প্রতিষ্ঠানই তাদের নির্ধারিত কোটা অনুযায়ী চাল রপ্তানি করতে ব্যর্থ হয়েছে।

বাজারে সুগন্ধি চালের কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগ তুলে ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, দেশের শীর্ষ ১০টি বড় মিল মালিকের কাছে বিপুল পরিমাণ চাল মজুদ রয়েছে। এই মজুদ বাজারে না ছাড়ার কারণেই দাম বাড়ছে। এদিকে, প্রকৃত রপ্তানিকারকদের সুযোগ অব্যাহত রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার মধ্যে ভারসাম্য আনতেই সরকার এই তথ্য তলব করেছে। তথ্য যাচাইয়ের পরই রপ্তানি কোটা কমানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh