ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অগ্রণী ব্যাংকের ভল্ট থেকে ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা গায়েব, গ্রেপ্তার ২ ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও বিআইডিএস-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর নোয়াখালীকে সিটি করপোরেশন করার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি ফিলিপাইনে অক্টোপাসের কবলে জেলে, প্রাণ বাঁচাতে চলল লড়াই ব্যাটারি রিকশা ও ই-বাইকের চার্জে বিদ্যুতের বিপুল চাহিদা: জ্বালানিমন্ত্রী মধ্যরাতেও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা, দুষলেন জ্বালানিমন্ত্রী লোডশেডিং ও গ্যাস সংকট: আপাতত অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই বিদ্যুৎমন্ত্রীর ময়মনসিংহে পাসপোর্ট অফিসের সামনে যুবককে কুপিয়ে হত্যা বিএনপির নতুন মহাসচিব হিসেবে আলোচনায় চার নেতার নাম ঢাকায় বাড়ছে লোডশেডিং, মধ্যরাতে বিদ্যুৎহীনতায় ভুগছে নগরবাসী

মধ্যরাতেও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা, দুষলেন জ্বালানিমন্ত্রী

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-রিকশার ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরনে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, এখন রাত ১২টার পরও বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট থাকছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সময়কে পিক আওয়ার হিসেবে গণ্য করা হলেও বর্তমানে মধ্যরাতেও রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ চাহিদা বজায় থাকছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ব্যাটারিচালিত যানবাহন বা ‘গরিবের টেসলা’কে চিহ্নিত করেছেন। সারাদিন ব্যবহারের পর রাতে বিপুল সংখ্যক ব্যাটারিচালিত রিকশা একযোগে চার্জে বসানোয় জাতীয় গ্রিডে এই বাড়তি চাপের সৃষ্টি হচ্ছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও অভিযোগ করেন যে, রাতের বেলায় এসব যানবাহন চার্জ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত অধিকাংশ সংযোগই অবৈধ বা অননুমোদিত। বিদ্যুৎ বিভাগ এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাধার মুখে পড়ছেন এবং আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।

বর্তমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটকে সাময়িক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতার মতো পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। শিল্প খাত ও বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সরকার কাজ করছে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান বৃদ্ধি ও নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছর অনুসন্ধান না করে কেবল আমদানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমেরিকা থেকে একটি বড় দল এফএসআরইউ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও তিনি জানান।

সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন ও বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর অনুসন্ধান না করে শুধু আমদানির ওপর ভিত্তি করে দেশটাকে একটি জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে। আবার আমদানির জন্য হলেও যদি ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা তৈরি ঠিকমতো করতো, দুটো এফএসআরইউর জায়গায় যদি ৪টি এফএসআরইউ বসাতো, তাহলে আমি মনে করি যে আজকে এই সমস্যাটা আমাদের দেখতে হতো না। আমেরিকা থেকে একটি বড় দল আসছে ইনভেস্ট করার জন্

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যরাতেও ১৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা, দুষলেন জ্বালানিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৪২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ই-রিকশার ব্যাপক ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরনে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, এখন রাত ১২টার পরও বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ হাজার মেগাওয়াট থাকছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। বৃহস্পতিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত সময়কে পিক আওয়ার হিসেবে গণ্য করা হলেও বর্তমানে মধ্যরাতেও রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ চাহিদা বজায় থাকছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে তিনি ব্যাটারিচালিত যানবাহন বা ‘গরিবের টেসলা’কে চিহ্নিত করেছেন। সারাদিন ব্যবহারের পর রাতে বিপুল সংখ্যক ব্যাটারিচালিত রিকশা একযোগে চার্জে বসানোয় জাতীয় গ্রিডে এই বাড়তি চাপের সৃষ্টি হচ্ছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আরও অভিযোগ করেন যে, রাতের বেলায় এসব যানবাহন চার্জ দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত অধিকাংশ সংযোগই অবৈধ বা অননুমোদিত। বিদ্যুৎ বিভাগ এসব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে মাঠপর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাধার মুখে পড়ছেন এবং আক্রমণের শিকার হচ্ছেন।

বর্তমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটকে সাময়িক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতার মতো পরিস্থিতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। শিল্প খাত ও বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে সরকার কাজ করছে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্যাস অনুসন্ধান বৃদ্ধি ও নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ১৭ বছর অনুসন্ধান না করে কেবল আমদানির ওপর নির্ভরশীলতার কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আমেরিকা থেকে একটি বড় দল এফএসআরইউ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলেও তিনি জানান।

সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী ফখরুদ্দিন আল কবীর সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন ও বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডেভিড হাসনাত সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সিপিডি আয়োজিত ‘বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা: তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার এবং টেকসই জ্বালানি ভবিষ্যতের পথ’ শীর্ষক আলোচনা সভার প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর অনুসন্ধান না করে শুধু আমদানির ওপর ভিত্তি করে দেশটাকে একটি জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে। আবার আমদানির জন্য হলেও যদি ইনফ্রাস্ট্রাকচারটা তৈরি ঠিকমতো করতো, দুটো এফএসআরইউর জায়গায় যদি ৪টি এফএসআরইউ বসাতো, তাহলে আমি মনে করি যে আজকে এই সমস্যাটা আমাদের দেখতে হতো না। আমেরিকা থেকে একটি বড় দল আসছে ইনভেস্ট করার জন্

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor