ঢাকা ১২:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন বিএনপি নেতা সরোয়ার আলমগীর অসদাচরণ ও দীর্ঘ অনুপস্থিতি: চার পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল সরকার মাশহাদে পৌঁছাল প্রয়াত আয়াতুল্লাহ খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের লাশ জাতীয় পরিবেশ পদক পেলেন ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান ইসলামি শরিয়তে মৃতদেহ দাফনের সময়সীমা ও করণীয় হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের প্রস্তুতি হোয়াইট হাউসের ঝিনাইদহে শিক্ষার্থীদের চুল কাটালেন স্কুল সভাপতি, অভিভাবকদের সঙ্গে হাতাহাতি জন্মদিনে ৩০০ ম্যানগ্রোভ গাছ লাগিয়ে ব্যতিক্রমী নজির গড়লেন চমক ফ্রান্সকে হারিয়ে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া মরক্কো বরিশালে আসামির মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা, আহত ১২

নিকলী থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে রুবেল (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত রুবেল নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রুবেল তার বাবার দায়ের করা একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে এএসআই আমজাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানা হাজতে রাখা হয়।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে পুলিশ জানায়, কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই শেফালী আক্তার হাজতি রুবেলকে আদালতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করছিলেন। বেলা ১১টার দিকে তিনি হাজতখানায় গিয়ে দেখতে পান যে, রুবেল তার পরিহিত শার্ট খুলে হাজতখানার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এএসআই শেফালী আক্তার নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলমকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। কিশোরগঞ্জ জেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি মরদেহ নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

নিকলী থানার ওসি মাহবুবুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রুবেল নিয়মিত মাদকসেবী ছিলেন। তার উচ্ছৃঙ্খল আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে তার বাবা মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিকলী থানা হাজতে আসামির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৭:২৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
print news

কিশোরগঞ্জের নিকলী থানা হাজতে রুবেল (২২) নামে এক আসামির ঝুলন্ত মরদেহ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত রুবেল নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়নের শহরমূল গ্রামের রাজা হাওলাদারের ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রুবেল তার বাবার দায়ের করা একটি সিআর মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন। তিনি বাড়িতে অবস্থান করছেন এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে এএসআই আমজাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে থানা হাজতে রাখা হয়।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে পুলিশ জানায়, কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এএসআই শেফালী আক্তার হাজতি রুবেলকে আদালতে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করছিলেন। বেলা ১১টার দিকে তিনি হাজতখানায় গিয়ে দেখতে পান যে, রুবেল তার পরিহিত শার্ট খুলে হাজতখানার গ্রিলের সঙ্গে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছেন।

বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে এএসআই শেফালী আক্তার নিকলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুল আলমকে অবহিত করেন। পরবর্তীতে ওসি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। কিশোরগঞ্জ জেলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহীদুল্লাহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি মরদেহ নামিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। ম্যাজিস্ট্রেট জানান, মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

নিকলী থানার ওসি মাহবুবুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রুবেল নিয়মিত মাদকসেবী ছিলেন। তার উচ্ছৃঙ্খল আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে তার বাবা মামলাটি দায়ের করেছিলেন। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।