উদ্বোধনের আগেই ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়েতে ফাটল ও ধস
- আপডেট সময় : ০১:১৩:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নির্মাণাধীন ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়েতে প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বড় ধরনের ফাটল ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত অংশের মাটি সরে গিয়ে কয়েকটি স্থানে সড়কটি দেবে গেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে সড়কটিতে যানবাহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ের সোনারগাঁ অংশের সিংলাব-পাকুন্দা এলাকার আন্ডারপাসের পূর্ব পাশের সড়কে প্রথম ফাটল দেখা দেয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কের নিচের মাটি ধসে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তার স্বার্থে ওই পথ দিয়ে দূরপাল্লার ও স্থানীয় সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বিকল্প হিসেবে আন্ডারপাসের পশ্চিম পাশের সড়ক দিয়ে যানবাহন ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৩ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এই ঢাকা-বাইপাস এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে। বিগত সরকারের আমলে শুরু হওয়া এই মেগা প্রকল্পের কাজ বর্তমানে শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তবে উদ্বোধনের আগেই এমন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ধস নামার কারণ অনুসন্ধানে নেমেছেন প্রকৌশলী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। মাটির গুণগত মান পরীক্ষা করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে নবনির্মিত এই মহাসড়কে ফাটল ধরা ও দেবে যাওয়ার ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের মান ও গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি সংস্কার করা না হলে পুরো আন্ডারপাস কাঠামোটিই ধসে পড়তে পারে। বর্তমানে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা বিকল্প পথে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন।
এ বিষয়ে ঢাকা বাইপাস চার লেন উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ আসলাম আলী জানান, টানা দুই থেকে তিন দিনের বৃষ্টির কারণে সড়কের নিচের মাটি নরম হয়ে গিয়েছিল। এরপর ওই অংশ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করায় নরম মাটি সরে গিয়ে ফাটল ধরে এবং সড়কটি বসে যায়। তিনি আরও জানান, নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প সড়ক তৈরি করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ড্রিল করে দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।




























