কালীগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধনে প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের যৌথ উদ্যোগ
- আপডেট সময় : ০২:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌর এলাকায় মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে এক বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান চালানো হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে কালীগঞ্জ পৌরসভার উদ্যোগে এই সমন্বিত কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ, পৌর কর্তৃপক্ষ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ একযোগে অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে উপজেলা পরিষদ চত্বর, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকা, কালীগঞ্জ বাজার বাসস্ট্যান্ড এবং মূলগাঁওসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন সংশ্লিষ্টরা। অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, শুধু ওষুধ ছিটানো নয়, বরং মশার বংশবিস্তার রোধ করতে প্রজননস্থল ধ্বংস ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা সবচেয়ে জরুরি।
যৌথ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম কামরুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল-আমিন হালদার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার দত্ত এবং বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির মাস্টার। এছাড়া উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এতে অংশ নেন।
কর্মসূচি চলাকালে বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির মাস্টার বলেন, পরিচ্ছন্নতার কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। কেবল প্রশাসন বা পৌরসভার ওপর ভরসা করে বসে থাকলে চলবে না। নিজ নিজ এলাকার বাসিন্দাদের সচেতন করা গেলে মশার উপদ্ববসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।
পরিবেশগত প্রতিরোধের ওপর জোর দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানা রশীদ বলেন, মশাবাহিত রোগ থেকে বাঁচতে চিকিৎসার পাশাপাশি পরিবেশ পরিষ্কার রাখা জরুরি। নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গুসহ অন্যান্য রোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যাবে।
সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে ইউএনও এ. টি. এম কামরুল ইসলাম জানান, মশক নিধন কার্যক্রম সফল করতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও সাধারণ মানুষের যৌথ প্রচেষ্টা প্রয়োজন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি নাগরিকদের নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগ, পৌরসভা ও নাগরিক সমাজের এই সমন্বিত উদ্যোগের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে এবং মশার প্রজনন রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।





























