ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

৯ সেপ্টেম্বর জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন না করা এবং প্রকল্পের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না করার মতো ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগপত্রে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কাবিটা ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তোতা মিয়ার বাড়ি থেকে কামাল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসি ঢালাইয়ের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও, সেই অর্থ ব্যয়ের পর আরও ৫ লাখ টাকা খরচের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা সিসি ঢালাইয়ের জন্য বরাদ্দ প্রায় ৬ লাখ ৮ হাজার ৪০০ টাকা সদস্যদের অবহিত না করেই ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

৯ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা সিসি ঢালাই, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা নির্মাণের কাজেও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়নের নাগরিকদের ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স বাবদ নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও তুলেছেন তারা। ভিজিডি কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে বরাদ্দ ২৫৭টি কার্ডের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সভায় ২৩৭টি কার্ডের তথ্য জানানো হলেও, পরবর্তী সময়ে কার্ড বিতরণে অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগকারীদের দাবি। এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন বলেন, “মেম্বারদের সঙ্গে মীমাংসা হয়ে গেছে।” অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ জানান, তিনি এখনো অভিযোগের কপি পাননি। তবে মেম্বারদের তার সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:৫৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য ও সাধারণ সদস্যরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

৯ সেপ্টেম্বর জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন সরকারি বিধিবিধান উপেক্ষা করে এবং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ ছাড়াই একক সিদ্ধান্তে উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করছেন। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠন না করা এবং প্রকল্পের অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত না করার মতো ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগপত্রে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের অনিয়মের সুনির্দিষ্ট তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে কাবিটা ইউনিয়ন উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় ৫ নম্বর ওয়ার্ডে তোতা মিয়ার বাড়ি থেকে কামাল মেম্বারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা সিসি ঢালাইয়ের জন্য ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও, সেই অর্থ ব্যয়ের পর আরও ৫ লাখ টাকা খরচের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া ২ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা সিসি ঢালাইয়ের জন্য বরাদ্দ প্রায় ৬ লাখ ৮ হাজার ৪০০ টাকা সদস্যদের অবহিত না করেই ব্যয় করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।

৯ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা সিসি ঢালাই, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে সৌরবিদ্যুৎচালিত স্ট্রিট লাইট স্থাপন এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে রাস্তা নির্মাণের কাজেও অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়নের নাগরিকদের ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স বাবদ নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগও তুলেছেন তারা। ভিজিডি কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্যায়ে বরাদ্দ ২৫৭টি কার্ডের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সভায় ২৩৭টি কার্ডের তথ্য জানানো হলেও, পরবর্তী সময়ে কার্ড বিতরণে অনিয়ম হয়েছে বলেও অভিযোগকারীদের দাবি। এ বিষয়ে সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানানো হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন বলেন, “মেম্বারদের সঙ্গে মীমাংসা হয়ে গেছে।” অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ জানান, তিনি এখনো অভিযোগের কপি পাননি। তবে মেম্বারদের তার সঙ্গে দেখা করতে বলেছেন এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh