ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিগারেটের নতুন খুচরা মূল্য নির্ধারণ: ৬৫ থেকে ২১০ টাকা ভারতের উত্তর প্রদেশে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৫৬ হাফপ্যান্ট পরায় অ্যাথলেট প্রশিক্ষককে মেট্রোস্টেশনে হেনস্তা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যা অগ্রহণযোগ্য, মন্তব্য রাশিয়ার ভালো কিংবা মন্দ, সরকারের পাঁচ বছরের ‘চুক্তি’ মেনেই ধৈর্য ধরার পরামর্শ প্রতিবাদ ও ‘আগের ১৪ বছর’ বিতর্ক: একটি সামাজিক বিশ্লেষণ রাড্ডা ক্লিনিকে হামলায় ওসির অবহেলার প্রমাণ, ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর শাহজালাল বিমানবন্দরে ২৮ লাখ টাকার সিরিঞ্জসহ নারী যাত্রী আটক জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ শিক্ষার্থী পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন আইনমন্ত্রী

সিলেটে তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিলেটে তীব্র দাবদাহ ও অসহনীয় গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত সমানতালে চলছে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ঘণ্টায় ঘণ্টায় অনিয়মিত লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সোমবার সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন পরিস্থিতিতে লোডশেডিংয়ের ফলে অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানীয় জলের সংকট।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এই চরম অবনতিতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা রোববার রাতে সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজারে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে তারা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। জিন্দাবাজারের পোশাক ব্যবসায়ী জাবের আহমদ জানান, এমনিতেই ব্যবসার মন্দা চলছে, তার ওপর জেনারেটর চালিয়ে লাইট ও ফ্যান সচল রাখতে গিয়ে আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। ভার্থখলা এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুতের ঘনঘন আসা-যাওয়ার কারণে ফ্রিজ ও এসি ঠিকমতো সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না, যার ফলে ফ্রিজে রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

শিবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা রাহেলা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দিনে-রাতে অন্তত সাত থেকে আটবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এমনকি রাত ১২টার পর বিদ্যুতের চাহিদা কমে গেলেও লোডশেডিং অব্যাহত থাকছে।

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সিলেটে ২৪৭ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া গেছে ২০২ মেগাওয়াট, অর্থাৎ ৪৫ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। আগের দিন রোববার ২৩৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৭৭ মেগাওয়াট, যেখানে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৫৬ মেগাওয়াট।

লোডশেডিং ও জনদুর্ভোগ প্রসঙ্গে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন জানান, সারাদেশেই এখন চরম বিদ্যুৎ সংকট চলছে। গ্রিড থেকে যে পরিমাণ বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে, তা-ই বণ্টন করা হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ বাড়লে লোডশেডিং কমে আসবে, তবে সরবরাহে ঘাটতি থাকলে লোডশেডিং করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেটে তীব্র লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত জনজীবন, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

আপডেট সময় : ১১:০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

সিলেটে তীব্র দাবদাহ ও অসহনীয় গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত সমানতালে চলছে এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট। ঘণ্টায় ঘণ্টায় অনিয়মিত লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সোমবার সিলেটে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এমন পরিস্থিতিতে লোডশেডিংয়ের ফলে অফিস, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা-বাণিজ্যে বড় ধরনের ধস নেমেছে। অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র পানীয় জলের সংকট।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতির এই চরম অবনতিতে ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা রোববার রাতে সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজারে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে তারা চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। জিন্দাবাজারের পোশাক ব্যবসায়ী জাবের আহমদ জানান, এমনিতেই ব্যবসার মন্দা চলছে, তার ওপর জেনারেটর চালিয়ে লাইট ও ফ্যান সচল রাখতে গিয়ে আয়ের চেয়ে ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। ভার্থখলা এলাকার ওষুধ ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, বিদ্যুতের ঘনঘন আসা-যাওয়ার কারণে ফ্রিজ ও এসি ঠিকমতো সচল রাখা সম্ভব হচ্ছে না, যার ফলে ফ্রিজে রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

শিবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা রাহেলা বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দিনে-রাতে অন্তত সাত থেকে আটবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এমনকি রাত ১২টার পর বিদ্যুতের চাহিদা কমে গেলেও লোডশেডিং অব্যাহত থাকছে।

সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সিলেটে ২৪৭ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া গেছে ২০২ মেগাওয়াট, অর্থাৎ ৪৫ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে। আগের দিন রোববার ২৩৩ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ ছিল ১৭৭ মেগাওয়াট, যেখানে ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৫৬ মেগাওয়াট।

লোডশেডিং ও জনদুর্ভোগ প্রসঙ্গে সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলী ইমাম হোসেন জানান, সারাদেশেই এখন চরম বিদ্যুৎ সংকট চলছে। গ্রিড থেকে যে পরিমাণ বরাদ্দ পাওয়া যাচ্ছে, তা-ই বণ্টন করা হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ বাড়লে লোডশেডিং কমে আসবে, তবে সরবরাহে ঘাটতি থাকলে লোডশেডিং করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor