বগুড়ায় ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ অকৃতকার্য
- আপডেট সময় : ০৯:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বগুড়া জেলার নয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। সোমবার (১০ আগস্ট) ফল প্রকাশের পর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রমজান আলী আকন্দ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া এই প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আটটি মাদরাসা এবং একটি কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।
বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা আক্তার জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের এই ফল বিপর্যয়ের কারণ অনুসন্ধানের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘুরে দাঁড়াতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করা হবে। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, মাদরাসাগুলোতে শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে, তবে অনেক ক্ষেত্রে দুর্বল ও অবহেলিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি করাও খারাপ ফলের অন্যতম কারণ।
শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া মাদরাসাগুলো হলো—গাবতলীর কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদরাসা, শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদরাসা, ধাড়িয়া গাংগইট দাখিল মাদরাসা ও দুদাহার রহমানিয়া দাখিল মাদরাসা, শেরপুরের কল্যাণী বালিকা দাখিল মাদরাসা ও মধ্যভাগ বালিকা দাখিল মাদরাসা, সোনাতলার তেকানী চুকাইনগর পিএম দাখিল মাদরাসা এবং ধুনটের রাঙ্গামাটি বালিকা দাখিল মাদরাসা। এ ছাড়া তালিকায় ধুনটের হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজও রয়েছে।
এমন ফলাফলে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানরা হতাশা প্রকাশ করেছেন। কামারচট্ট বাঠাতন নেছা আলিম মাদরাসার সুপারিনটেনডেন্ট আব্দুল জলিল জানিয়েছেন, ৫০ বছরের কর্মজীবনে এটি মাদরাসাটির সবচেয়ে খারাপ ফল। তিনি বলেন, ‘এ ব্যাচের শিক্ষার্থীরাও দুর্বল ছিল। ২১ জন শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও এমন ফল হতাশাজনক। বর্তমানে আলিম মাদরাসায় শিক্ষার্থী ধরে রাখা এবং তাদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করাই বড় চ্যালেঞ্জ।’ শিবগঞ্জের বালা বত্রিশ দাখিল মাদরাসার সুপার জুয়েলুর রহমান জানান, তাদের প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত নয় এবং মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। অনিয়মিত উপস্থিতিই খারাপ ফলের অন্যতম কারণ বলে তিনি উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, ধুনটের হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম কলেজের অধ্যক্ষ ফজলুল হক এ বিষয়ে পরে মন্তব্য করবেন বলে জানিয়েছেন।





























