ঢাকা ০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গফরগাঁওয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে গণধর্ষণ: অভিযুক্তদের বাড়িঘরে ভাঙচুর বার্সেলোনায় ফিরল ‘এমএসএন’ যুগের স্মৃতি, রাফিনিয়া-ইয়ামালদের গোলবন্যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান লঞ্চ ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানোর দাবি মালিকদের যুদ্ধ জিতলে লুটের মালে বিজয়ীরই অধিকার, জাতিসংঘে ঘোষণা ট্রাম্পের বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের দুই প্রশাসনিক পদে সেনা কর্মকর্তাদের নিয়োগ জাতিসংঘের বিকল্প কেবলই কল্পনাতীত: ড. খলিলুর রহমান পুলিশের দাবি উন্নতি, বাস্তবে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকণ্ঠা পাকিস্তানে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের ফাঁদে ১৫ লাখ শিশু গাজায় বিশ্ববাসীর নিষ্ক্রিয়তা লজ্জাজনক: জাতিসংঘে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ

রাঙ্গাবালীতে শিক্ষার্থীদের দিয়ে এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (বিএম) ইনস্টিটিউটের একটি শ্রেণিকক্ষে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র শিক্ষার্থীদের দিয়ে মূল্যায়নের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির চারজন শিক্ষার্থী বেঞ্চে বসে উত্তরপত্র দেখছেন এবং কলম দিয়ে খাতার ওপর লিখছেন। সোমবার এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (বিএমটি) শাখা থেকে গত ৪ জুলাই বাংলা বিষয়ের (বিষয় কোড-২১৮১১) ৩৫০টি উত্তরপত্র মূল্যায়ন করার জন্য ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রিপনের কাছে পাঠানো হয়। আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে এসব উত্তরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা ছিল। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষক রিপন নিজে খাতা না দেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ মানজুর জানান, তিনি ভিডিওটি দেখেছেন। তার দাবি, পরীক্ষক নিজেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেছেন, তবে সময়স্বল্পতার কারণে শুধুমাত্র উত্তরপত্রের মলাট পূরণের কাজ শিক্ষার্থীদের দিয়ে করানো হয়েছে। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সব দায়িত্ব পরীক্ষকের এবং এতে অন্য কাউকে সম্পৃক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

স্থানীয় অভিভাবকরা এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো স্পর্শকাতর কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করায় পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে অভিযুক্ত প্রভাষক রিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার অনাদি কুমার বাহাদুর বলেন, খাতাগুলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নয়, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের। তিনি জানান, তার প্রাথমিক তথ্যে পরীক্ষকই খাতা দেখেছেন, শিক্ষার্থীরা কেবল নিজেদের খাতা ভেবে উল্টিয়ে দেখছিল। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখছেন। রাঙ্গাবালী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক জানিয়েছেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

রাঙ্গাবালীতে শিক্ষার্থীদের দিয়ে এইচএসসির উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট (বিএম) ইনস্টিটিউটের একটি শ্রেণিকক্ষে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র শিক্ষার্থীদের দিয়ে মূল্যায়নের অভিযোগ উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির চারজন শিক্ষার্থী বেঞ্চে বসে উত্তরপত্র দেখছেন এবং কলম দিয়ে খাতার ওপর লিখছেন। সোমবার এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ (বিএমটি) শাখা থেকে গত ৪ জুলাই বাংলা বিষয়ের (বিষয় কোড-২১৮১১) ৩৫০টি উত্তরপত্র মূল্যায়ন করার জন্য ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রিপনের কাছে পাঠানো হয়। আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে এসব উত্তরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা ছিল। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত পরীক্ষক রিপন নিজে খাতা না দেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে এই কাজ করিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহ মানজুর জানান, তিনি ভিডিওটি দেখেছেন। তার দাবি, পরীক্ষক নিজেই উত্তরপত্র মূল্যায়ন করেছেন, তবে সময়স্বল্পতার কারণে শুধুমাত্র উত্তরপত্রের মলাট পূরণের কাজ শিক্ষার্থীদের দিয়ে করানো হয়েছে। তবে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী, উত্তরপত্রের গোপনীয়তা রক্ষা এবং মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার সব দায়িত্ব পরীক্ষকের এবং এতে অন্য কাউকে সম্পৃক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।

স্থানীয় অভিভাবকরা এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, উত্তরপত্র মূল্যায়নের মতো স্পর্শকাতর কাজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করায় পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তবে অভিযুক্ত প্রভাষক রিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার অনাদি কুমার বাহাদুর বলেন, খাতাগুলো সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নয়, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের। তিনি জানান, তার প্রাথমিক তথ্যে পরীক্ষকই খাতা দেখেছেন, শিক্ষার্থীরা কেবল নিজেদের খাতা ভেবে উল্টিয়ে দেখছিল। বিষয়টি তিনি খতিয়ে দেখছেন। রাঙ্গাবালী উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক জানিয়েছেন, বিষয়টি তার জানা ছিল না। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin