ঢাকা ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে নিখোঁজ অন্তত ৯০০ শ্রমিক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেপাল-তিব্বতের আকস্মিক বন্যায় ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় গড়ে ওঠা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কর্মরত অন্তত ৯০০ শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের একটি বড় অংশই স্বল্প আয়ের শ্রমিক, যার মধ্যে অন্তত ৬৩ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। নেপালি সেনাবাহিনী শুক্রবার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাদার দেয়াল ভেঙে বেশ কয়েকজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে উদ্ধারকারী দলের ধারণা, এখনও প্রকল্পের বিভিন্ন সুড়ঙ্গে অন্তত ১০০ জন এবং ত্রিশূলী-৩ প্রকল্পের মাটির নিচে আরও কয়েক ডজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন।

নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন ২৪ বছর বয়সী সুজন নেপালি, যিনি নাইট শিফট শেষে ঘুমানোর সময় বন্যার কবলে পড়েন। তার বোন সুশীশা মালুওয়ার প্রতিদিন হাসপাতালে গিয়ে নিখোঁজের তালিকায় ভাইয়ের নাম খুঁজছেন। তিনি বলেন, আমরা এখনও আশা হারাইনি। হাসপাতালে তার নাম লেখাচ্ছি এবং সর্বত্র ছবি ঝুলিয়ে দিচ্ছি, যাতে কোথাও না কোথাও তার সন্ধান মেলে। হয়তো সে ইতোমধ্যে উদ্ধার হয়েছে বা কোথাও রয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে মরদেহের স্তূপ জমছে। নেপালের সীমিত সক্ষমতার কারণে মরদেহ শনাক্তকরণে জনবল ও সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চিতওয়ান শহরে এত বেশি সংখ্যক মরদেহ আসছে যে সেখানকার মর্গগুলো উপচে পড়ছে এবং মরদেহ রাখার জন্য অস্থায়ী ভবন তৈরি করতে হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে কিছু মরদেহ ভেসে পার্শ্ববর্তী ভারতে গিয়েও পৌঁছেছে। নেপাল সরকার ও সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে, তবে কাদার নিচে ঠিক কত মানুষ চাপা পড়ে আছে তা নিরূপণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নেপালের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে নিখোঁজ অন্তত ৯০০ শ্রমিক

আপডেট সময় : ১০:১৩:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

নেপাল-তিব্বতের আকস্মিক বন্যায় ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় গড়ে ওঠা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কর্মরত অন্তত ৯০০ শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের একটি বড় অংশই স্বল্প আয়ের শ্রমিক, যার মধ্যে অন্তত ৬৩ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন। নেপালি সেনাবাহিনী শুক্রবার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাদার দেয়াল ভেঙে বেশ কয়েকজন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে। তবে উদ্ধারকারী দলের ধারণা, এখনও প্রকল্পের বিভিন্ন সুড়ঙ্গে অন্তত ১০০ জন এবং ত্রিশূলী-৩ প্রকল্পের মাটির নিচে আরও কয়েক ডজন শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন।

নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন ২৪ বছর বয়সী সুজন নেপালি, যিনি নাইট শিফট শেষে ঘুমানোর সময় বন্যার কবলে পড়েন। তার বোন সুশীশা মালুওয়ার প্রতিদিন হাসপাতালে গিয়ে নিখোঁজের তালিকায় ভাইয়ের নাম খুঁজছেন। তিনি বলেন, আমরা এখনও আশা হারাইনি। হাসপাতালে তার নাম লেখাচ্ছি এবং সর্বত্র ছবি ঝুলিয়ে দিচ্ছি, যাতে কোথাও না কোথাও তার সন্ধান মেলে। হয়তো সে ইতোমধ্যে উদ্ধার হয়েছে বা কোথাও রয়েছে।

এদিকে, স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে মরদেহের স্তূপ জমছে। নেপালের সীমিত সক্ষমতার কারণে মরদেহ শনাক্তকরণে জনবল ও সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চিতওয়ান শহরে এত বেশি সংখ্যক মরদেহ আসছে যে সেখানকার মর্গগুলো উপচে পড়ছে এবং মরদেহ রাখার জন্য অস্থায়ী ভবন তৈরি করতে হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে কিছু মরদেহ ভেসে পার্শ্ববর্তী ভারতে গিয়েও পৌঁছেছে। নেপাল সরকার ও সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে, তবে কাদার নিচে ঠিক কত মানুষ চাপা পড়ে আছে তা নিরূপণ করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin