ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে ইসি অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ ঝিনাইদহে পুকুরে ডুবে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু অনারারি ডক্টরেট পেলেন বলিউড অভিনেত্রী রানী মুখার্জি প্রাণ গ্রুপে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার পদে চাকরির সুযোগ দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ ১১ জনের প্রাণহানি হাসিনাকে ‘অমূল্য সম্পদ’ বলা চসিক সচিবের অডিও ফাঁস কিশোরগঞ্জে ইমাম ও পুরোহিতদের সম্মানি ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করছেন প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ৩১৮ বার পড়া হয়েছে

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:-

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

দুর্ভোগের আরেক নাম কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা

আপডেট সময় : ০৭:৫৮:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আরিফ হোসেন রনি, সাতক্ষীরা জেলা প্রতিনিধি:-

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়নের অন্তর্গত কলিমাখালী আজিজিয়া সিদ্দিকিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসা ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এক গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গুণগত মান ও শিক্ষার্থীদের সাফল্যের দিক থেকে এই মাদ্রাসা ইতোমধ্যে অত্র অঞ্চলে ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাজারো দরিদ্র ও অসহায় শিক্ষার্থী এখান থেকে লেখাপড়া করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। অনেকেই হয়েছেন শিক্ষক, অধ্যাপক, আলেম, সচিব ও সরকারি কর্মকর্তা। শিক্ষাক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি সাতক্ষীরা জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয় এবং মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পুরস্কারস্বরূপ ১ লক্ষ টাকা লাভ করে। বর্তমানে দাখিল, আলেম ও ফাজিল শাখায় প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত, যেখানে পাশের হার প্রতি বছর প্রায় শতভাগ।

তবে শিক্ষার এ উজ্জ্বল ইতিহাসের পেছনে রয়েছে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার দীর্ঘ ছাপ। মাদ্রাসার প্রধান মাঠটি নিচু হওয়ায় অল্প বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায়। এর ফলে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হয়। পাশাপাশি চারপাশে কোনো বাউন্ডারি না থাকায় শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ অবস্থায় অভিভাবক ও এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে মাঠ ভরাট ও বাউন্ডারি প্রাচীর নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছেন।

এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা দুটোই বিঘ্নিত হতে পারে। তারা জানান, যেহেতু জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাদ্রাসাটির গভর্নিং বডির সভাপতি, তাই এরই মধ্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা পরিষদের বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অচিরেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে কলিমাখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেবল একটি ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবেই নয়, বরং একটি আকর্ষণীয় মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত হবে।