ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গোয়াইনঘাটে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সড়ক পরিদর্শনে এলজিইডির ডিজাইন টিম প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা ও সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ করতে হবে: রাষ্ট্রপতি ঈশ্বরদীতে জেলি মেশানো ১০ কেজি চিংড়ি জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় ৫ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ভারতে ছাত্র আন্দোলনের ‘পোস্টার গার্ল’ নেহা বোরা কে? ২০২৭ সালেও মুখোমুখি হচ্ছে পিএসএল ও আইপিএল জঙ্গল সলিমপুরে নতুন পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হচ্ছে কটিয়াদীতে পুলিশের ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ৫ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে পাকিস্তান ও বাহরাইনের সংলাপের আহ্বান চরফ্যাশনে জেলেদের খাদ্য সহায়তা তালিকা নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ

ইইউ-চীন বাণিজ্য আলোচনা শুরু: ঘাটতি ও বিধিনিষেধ নিয়ে বাড়ছে চাপ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চীনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন ইউরোপীয় বাণিজ্য কমিশনার মারোস সেফকোভিচ। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তিনি চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাওয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। গত কয়েক মাস ধরে চলা এই আলোচনায় ইইউর প্রতিদিন ১০০ কোটি ইউরোর বেশি বাণিজ্য ঘাটতি এবং চীনের বিরল মাটি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে আরোপিত বিধিনিষেধ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

আল জাজিরার অনলাইন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতাদের বাজারে চীনা কোম্পানিগুলোর হাইব্রিড গাড়ি ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। বুধবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, আলোচনার আগে চীনা হাইব্রিড গাড়ি রপ্তানিতে স্বেচ্ছায় সীমা আরোপের ইইউর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং। এমন পরিস্থিতিতে, ইউরোপীয় কমিশন এখন চীনের কাছে হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে একতরফাভাবে সীমা আরোপের ইইউর প্রস্তাব মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাতে পারে বলে দুই কূটনীতিককে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে।

এই দুই দিনের আলোচনা শুরু হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন বুধবার ইইউর সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতা বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর বাণিজ্যনীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে একটি বাধ্যতামূলক নয়, এমন প্রস্তাব পাস করেছেন। অন্যদিকে, চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ইইউ যদি চীনা কোম্পানি বা পণ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে, তাহলে বেইজিং নিজেদের শিল্প সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানাবে।

এর আগে মঙ্গলবার ইইউর দুই বৃহত্তম শক্তি ফ্রান্স ও জার্মানির নেতা, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস, জোটটিকে এমন একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান জানান, যা অর্থনৈতিকভাবে ইইউর ক্ষতি করে এমন দেশগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা নিতে ব্যবহার করা যাবে। জার্মান কর্মকর্তারা বলেছেন, ইইউর এমন একটি হাতিয়ার প্রয়োজন, যা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ‘সেকশন ৩০১’ শুল্ক কিংবা চীনের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধের মতো শক্তিশালী হবে।

আগামী সপ্তাহে ইইউ নেতাদের সম্মেলনে প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এটি অনুমোদিত হয়, তাহলে ইউরোপীয় কমিশন বাণিজ্যিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কয়েক দিনের মধ্যেই পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারবে। তবে চীন ফ্রান্স ও জার্মানিকে সংরক্ষণবাদী পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

ইইউ-চীন বাণিজ্য আলোচনা শুরু: ঘাটতি ও বিধিনিষেধ নিয়ে বাড়ছে চাপ

আপডেট সময় : ১১:৪৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

চীনের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ক্রমবর্ধমান বাণিজ্য ঘাটতি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন ইউরোপীয় বাণিজ্য কমিশনার মারোস সেফকোভিচ। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার তিনি চীনের বাণিজ্যমন্ত্রী ওয়াং ওয়েনতাওয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। গত কয়েক মাস ধরে চলা এই আলোচনায় ইইউর প্রতিদিন ১০০ কোটি ইউরোর বেশি বাণিজ্য ঘাটতি এবং চীনের বিরল মাটি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে আরোপিত বিধিনিষেধ বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে।

আল জাজিরার অনলাইন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতাদের বাজারে চীনা কোম্পানিগুলোর হাইব্রিড গাড়ি ক্রমেই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। বুধবার ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, আলোচনার আগে চীনা হাইব্রিড গাড়ি রপ্তানিতে স্বেচ্ছায় সীমা আরোপের ইইউর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং। এমন পরিস্থিতিতে, ইউরোপীয় কমিশন এখন চীনের কাছে হাইব্রিড গাড়ি আমদানিতে একতরফাভাবে সীমা আরোপের ইইউর প্রস্তাব মেনে নেওয়ার আহ্বান জানাতে পারে বলে দুই কূটনীতিককে উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে।

এই দুই দিনের আলোচনা শুরু হয়েছে এমন এক সময়ে, যখন বুধবার ইইউর সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতা বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে আরও কঠোর বাণিজ্যনীতি গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে একটি বাধ্যতামূলক নয়, এমন প্রস্তাব পাস করেছেন। অন্যদিকে, চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ইইউ যদি চীনা কোম্পানি বা পণ্যের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করে, তাহলে বেইজিং নিজেদের শিল্প সুরক্ষায় দৃঢ় প্রতিক্রিয়া জানাবে।

এর আগে মঙ্গলবার ইইউর দুই বৃহত্তম শক্তি ফ্রান্স ও জার্মানির নেতা, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন এবং জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস, জোটটিকে এমন একটি বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা তৈরির আহ্বান জানান, যা অর্থনৈতিকভাবে ইইউর ক্ষতি করে এমন দেশগুলোর বিরুদ্ধে দ্রুত পাল্টা ব্যবস্থা নিতে ব্যবহার করা যাবে। জার্মান কর্মকর্তারা বলেছেন, ইইউর এমন একটি হাতিয়ার প্রয়োজন, যা যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ‘সেকশন ৩০১’ শুল্ক কিংবা চীনের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধের মতো শক্তিশালী হবে।

আগামী সপ্তাহে ইইউ নেতাদের সম্মেলনে প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। যদি এটি অনুমোদিত হয়, তাহলে ইউরোপীয় কমিশন বাণিজ্যিক আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কয়েক দিনের মধ্যেই পাল্টা ব্যবস্থা নিতে পারবে। তবে চীন ফ্রান্স ও জার্মানিকে সংরক্ষণবাদী পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin