নিকাব পরিহিত ছাত্রীকে হেনস্তার ঘটনায় প্রতিবাদ জানাল ইসলামী ছাত্রীসংস্থা
- আপডেট সময় : ০৩:৫৮:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে শ্রেণিকক্ষে হিজাব ও নিকাব পরার কারণে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে। ওই বিভাগের শিক্ষক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে এই ছাত্রীকে কটাক্ষ করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, শিক্ষক ওই ছাত্রীকে 'ফান্ডামেন্টালিস্ট' ও 'জঙ্গি' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রীসংস্থা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রগতিশীলতার দোহাই দিয়ে হিজাব-নিকাববিদ্বেষ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাদের মতে, অভিযুক্ত শিক্ষকের এ ধরনের মন্তব্য কেবল ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি 'হিজাবোফোবিয়া'র একটি স্পষ্ট উদাহরণ।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিবাদী সংস্কৃতির মূলোৎপাটন করা। এত ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন দেশে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ফ্যাসিবাদী মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এমন আচরণ অত্যন্ত দুঃখজনক।
সহপাঠীর ওপর এই হয়রানির প্রতিবাদে শ্রেণিকক্ষের সাধারণ শিক্ষার্থীরা যে স্বতঃস্ফূর্ত অবস্থান নিয়েছে এবং ক্লাস বর্জনের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তার প্রশংসা করেছে ইসলামী ছাত্রীসংস্থা।
ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা রোধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, ধর্মীয় পোশাক পরিধানের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে বৈষম্য বা হয়রানি করা হলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের লিখিত নীতিমালায় শাস্তিযোগ্য অসদাচরণ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শাস্তির মাত্রা ও প্রক্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করার দাবি জানানো হয়েছে।





























