ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উজিরপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে চার প্রতিষ্ঠানকে ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা মেসির জার্সিটা আমি নেবই, মায়ের কসম: বেনিনি ডিফেন্ডার হরমুজ প্রণালিতে তেলের ট্যাংকারে হামলা, আহত ১১ ভারতীয় নাবিক বিয়ে নিয়ে নিজের ভাবনা জানালেন অভিনেত্রী কেয়া পায়েল গাজায় নিখোঁজ স্বজনদের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে হাজারো ফিলিস্তিনি পরিবার জাপানের ভিসা নীতি: আতঙ্কিত না হয়ে নিয়ম মেনে চলাই জরুরি ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতার মালা, নিন্দার ঝড় নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সেপ্টেম্বর মাসের অভিযানে ১ কোটি টাকা জরিমানা পাকিস্তানে নতুন প্রদেশ গঠনের পরিকল্পনা, নেপথ্যে সেনাপ্রধানের ক্ষমতা বৃদ্ধি নোয়াখালীর সেনবাগে নতুন গ্যাস কূপের সন্ধান, মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট

নেত্রকোনায় বিদ্যালয়ের সভায় স্ত্রীকে থাপ্পড় দিলেন শিক্ষক, ভিডিও ভাইরাল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোনার কলমাকান্দায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভা চলাকালে এক সহকারী শিক্ষিকাকে তাঁরই স্বামী ও সহকর্মী শিক্ষক কর্তৃক থাপ্পড় মারার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঘটলেও, মঙ্গলবার বিকেল থেকে এর ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলমের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে খুরশেদ আলমের স্ত্রী ও ওই বিদ্যালয়েরই সহকারী শিক্ষিকা তাঁদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে খুরশেদ আলম স্ত্রীকে থাপ্পড় মারেন। ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, খুরশেদ আলম প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলছেন। স্ত্রী শান্ত করতে চাইলে খুরশেদ তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘থাপ্পড় দিয়া দাঁত ফালাইয়া দিবো, কথা কস ক্যারে?’ শিক্ষিকা ‘এখন রাখুন, এটা অফিস’ বললে খুরশেদ আরও উত্তেজিত হয়ে অফিস নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন এবং স্ত্রীকে থাপ্পড় মেরে ‘বাইর হ’ বলে নির্দেশ দেন।

ঘটনার পাঁচ দিন পর ২০ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র পালকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষক খুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে গতকাল সোমবার বিকেলে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্বামী-স্ত্রী হলেও বিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো শিক্ষক আরেকজন শিক্ষককে থাপ্পড় মারতে পারেন না। তিনি জানান, এটি চাকরি বিধির পরিপন্থী এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, তিনি আট বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন এবং তাঁর স্ত্রী পাঁচ বছর ধরে আছেন। ঘটনার সময় তিনি নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং এ নিয়ে তিনি অনুতপ্ত। তিনি ও তাঁর স্ত্রী বর্তমানে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

নেত্রকোনায় বিদ্যালয়ের সভায় স্ত্রীকে থাপ্পড় দিলেন শিক্ষক, ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় : ১০:৪৪:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সভা চলাকালে এক সহকারী শিক্ষিকাকে তাঁরই স্বামী ও সহকর্মী শিক্ষক কর্তৃক থাপ্পড় মারার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঘটলেও, মঙ্গলবার বিকেল থেকে এর ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই দিন সভায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলামের সঙ্গে সহকারী শিক্ষক মো. খুরশেদ আলমের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে খুরশেদ আলমের স্ত্রী ও ওই বিদ্যালয়েরই সহকারী শিক্ষিকা তাঁদের শান্ত হওয়ার অনুরোধ জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে খুরশেদ আলম স্ত্রীকে থাপ্পড় মারেন। ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, খুরশেদ আলম প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে উত্তেজিতভাবে কথা বলছেন। স্ত্রী শান্ত করতে চাইলে খুরশেদ তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘থাপ্পড় দিয়া দাঁত ফালাইয়া দিবো, কথা কস ক্যারে?’ শিক্ষিকা ‘এখন রাখুন, এটা অফিস’ বললে খুরশেদ আরও উত্তেজিত হয়ে অফিস নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন এবং স্ত্রীকে থাপ্পড় মেরে ‘বাইর হ’ বলে নির্দেশ দেন।

ঘটনার পাঁচ দিন পর ২০ সেপ্টেম্বর প্রধান শিক্ষক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শীতেষ চন্দ্র পালকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষক খুরশেদ আলমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে গতকাল সোমবার বিকেলে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল আজম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, স্বামী-স্ত্রী হলেও বিদ্যালয়ের মধ্যে কোনো শিক্ষক আরেকজন শিক্ষককে থাপ্পড় মারতে পারেন না। তিনি জানান, এটি চাকরি বিধির পরিপন্থী এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. খুরশেদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, তিনি আট বছর ধরে ওই বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন এবং তাঁর স্ত্রী পাঁচ বছর ধরে আছেন। ঘটনার সময় তিনি নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি এবং এ নিয়ে তিনি অনুতপ্ত। তিনি ও তাঁর স্ত্রী বর্তমানে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন বলেও জানান।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo