রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ছাত্রদলের তিন নেতা বহিষ্কার
- আপডেট সময় : ০৯:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় ছাত্রদলের তিন নেতাকে সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই ঘটনায় সংগঠনটির আরও ছয় নেতাকর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সোমবার (৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ এ সিদ্ধান্ত নেয়। দপ্তর সম্পাদক ও সহসভাপতি পদমর্যাদার মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীব ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসিব হাসানকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ছাত্রনেতা বিশাল চক্রবর্তীকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে রাবি শাখা ছাত্রদলের সহসভাপতি তাকবীর আহমেদ ইমন, বুলবুল রহমান, শরিফুল ইসলাম ও ফারুক হোসেন, সহদপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার আলম এবং ছাত্রনেতা সাজুকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দায়িত্বশীল পদে থেকে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উপস্থিতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাজির হয়ে তাঁদের লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে রোববার (৪ অক্টোবর) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের সামনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রদলের সহসভাপতি আহসান হাবীবের নেতৃত্বে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান। এ ঘটনায় চার সাংবাদিকসহ প্রায় ১০ জন আহত হন। আহত সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ উজ্জামান কোরবান, আগামীর সময়ের প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম, দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি নূর আহসান মৃদুল এবং দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি মাঈনুল ইসলাম রাজু। ঘটনার পর হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করল।

























