ঢাকা ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দৃশ্যম ৩-এর সাফল্য ও শতকোটি রুপির সম্পদ: অনন্য শ্রিয়া সরন ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী সৃষ্টি ‘ভানু পেল লটারি’ আওয়ামী লীগ নেতাকে প্রত্যয়ন: বিএনপির দুই নেতার পদ স্থগিত ২২ দিন মেঘনায় মাছ ধরা বন্ধ, ৪২ হাজার জেলে পাবেন চাল ফুলপুরে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর কন্যাসন্তান জন্ম, পিতৃত্বের স্বীকৃতি দাবি কঙ্গো নদীতে দুই নৌকার সংঘর্ষে ২২ জনের মৃত্যু মহেশখালীতে ডেঙ্গু আক্রান্ত কলেজছাত্রের মৃত্যু, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ শাহজালাল বিমানবন্দরে জুতায় লুকানো ১৬ কোটি টাকার স্বর্ণ উদ্ধার টেসলা ও মার্সিডিজের চেয়েও মাল্টা আমদানিতে শুল্ক বেশি বাংলাদেশে ঝিনাইদহে পোলট্রি খামারের দুর্গন্ধে শ্রেণিকক্ষ ছেড়ে গাছতলায় পাঠদান

কড়া নিরাপত্তা বলয়ের গুলশানেও বাড়ছে ছিনতাই-ডাকাতি ও চাঁদাবাজি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নিরাপত্তার কঠোর নজরদারি ও বিশেষ বলয় থাকার পরও রাজধানীর গুলশানে একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশের নিয়মিত টহল, নিরাপত্তা চৌকি, সিসি ক্যামেরা ও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি সেখানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) সক্রিয় রয়েছে। এত কিছুর পরও গুলশান এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং এমনকি নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ২৮০ জন চাঁদাবাজের একটি বড় অংশ গুলশান এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তাদের ছত্রছায়ায় গুলশান-১ ও ২ নম্বর এলাকায় কয়েকটি অপরাধী চক্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফুটপাথের দোকান, কাঁচাবাজার ও ইন্টারনেট-ক্যাবল ব্যবসা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে। বিশেষ করে রাতের শেষ ভাগে এবং ভোরের দিকে ফাঁকা সড়কগুলোতে একা চলাচলকারী মানুষ, মোটরসাইকেল আরোহী ও নগদ অর্থ বহনকারীদের টার্গেট করা হচ্ছে। দিনদুপুরেও গাড়ি থামিয়ে অস্ত্রের মুখে অপহরণ ও সর্বস্ব লুটের ঘটনা ঘটছে।

সম্প্রতি গুলশান-২ এর ৯৬ নম্বর রোডের এক বাসিন্দা জানান, তাদের বাসার এক কর্মী কাজ শেষে ৯৯ নম্বর সড়ক দিয়ে হেঁটে আসার সময় একটি মাইক্রোবাসে করে আসা ৩-৪ জন যুবক তাকে অস্ত্রের মুখে তুলে নেয়। হাত-মুখ বেঁধে তার মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়ার পর তাকে বনানী লেকের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে দেওয়ার জন্য তাকে মারধরও করা হয়। এর আগে গুলশান-১ এর নাভানা টাওয়ারের সামনে থেকে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসাদগেট এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় বোরহান উদ্দিন পাপ্পু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গুলশানে সংঘবদ্ধ অপরাধের আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। গুলশান-২ এর ডিএনসিসি মার্কেটের সামনে এক ব্যবসায়ী ও তার স্বজনকে ছুরিকাঘাত করে প্রায় এক কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গুলশান-২ এর ১০৩ নম্বর রোডের একটি ভবনে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেল ও গাড়িতে এসে নিরাপত্তাকর্মীদের হাত-মুখ স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে ডাকাতির চেষ্টা চালায়। গত ৩ সেপ্টেম্বর বনানী থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির ডিবি গুলশান বিভাগ। তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ওয়াকিটকি এবং পুলিশের মনোগ্রামযুক্ত হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন র‌্যাবের সদস্যও ছিলেন।

এলাকার ময়লা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বারিধারা জে ব্লকের একটি ডিপোতে তৌহিদ নামে এক শ্রমিককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েছিল মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা। জীবন বাঁচাতে গাড়ির নিচে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলেও তৌহিদের পায়ে গুলি লাগে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা দায়েরের পর বান্দরবানের একটি রিসোর্ট থেকে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া চাঁদা না দেওয়ায় গুলশান লেকপাড় এলাকায় শরিফুল ইসলাম করিম নামে এক নার্সারি ব্যবসায়ীকে গুলি করা হয়। এমনকি গুলশান এভিনিউয়ের ২৯ নম্বর রোডে যৌথ বাহিনীর পোশাক পরে এক ব্যবসায়ীর বাসায় ঢুকে ৪৬ লাখ টাকা ও ৬০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের ঘটনাও ঘটেছে।

সম্প্রতি গুলশানের ৩ নম্বর রোডে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা বাসিন্দাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা নাঈমুর রহমান জানান, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কীভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনের এত মানুষ মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এছাড়া পাকিস্তান ও চীনসহ কয়েকটি দূতাবাসে চাঁদা চেয়ে বোমা হামলার হুমকির ঘটনাও ঘটেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গুলশানের বাসিন্দাদের বিভিন্ন যোগাযোগ গ্রুপে একটি ‘জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। সেখানে রাতে চলাচলের সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকা, একা না হাঁটা এবং বাড়ির কর্মী ও চালকদের সচেতন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অপরাধের এসব ঘটনার বিষয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, পুরো গুলশান এলাকায় নিয়মিত টহল ও চেকপোস্টের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। রাতের বা ভোরের ফাঁকা রাস্তায় সংঘবদ্ধ চক্রগুলো সুযোগ বুঝে এসব অপরাধ ঘটায়। অপরাধীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত তথ্য দিয়ে সহায়তার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে, গুলশান থানার সদ্য যোগদানকারী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর দাবি করেন, অন্যান্য এলাকার তুলনায় গুলশানের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

কড়া নিরাপত্তা বলয়ের গুলশানেও বাড়ছে ছিনতাই-ডাকাতি ও চাঁদাবাজি

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

নিরাপত্তার কঠোর নজরদারি ও বিশেষ বলয় থাকার পরও রাজধানীর গুলশানে একের পর এক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুলিশের নিয়মিত টহল, নিরাপত্তা চৌকি, সিসি ক্যামেরা ও গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি সেখানে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) সক্রিয় রয়েছে। এত কিছুর পরও গুলশান এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজি, অপহরণ, ডাকাতির প্রস্তুতি এবং এমনকি নিষিদ্ধ সংগঠনের মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ২৮০ জন চাঁদাবাজের একটি বড় অংশ গুলশান এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। তাদের ছত্রছায়ায় গুলশান-১ ও ২ নম্বর এলাকায় কয়েকটি অপরাধী চক্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, ফুটপাথের দোকান, কাঁচাবাজার ও ইন্টারনেট-ক্যাবল ব্যবসা থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে। বিশেষ করে রাতের শেষ ভাগে এবং ভোরের দিকে ফাঁকা সড়কগুলোতে একা চলাচলকারী মানুষ, মোটরসাইকেল আরোহী ও নগদ অর্থ বহনকারীদের টার্গেট করা হচ্ছে। দিনদুপুরেও গাড়ি থামিয়ে অস্ত্রের মুখে অপহরণ ও সর্বস্ব লুটের ঘটনা ঘটছে।

সম্প্রতি গুলশান-২ এর ৯৬ নম্বর রোডের এক বাসিন্দা জানান, তাদের বাসার এক কর্মী কাজ শেষে ৯৯ নম্বর সড়ক দিয়ে হেঁটে আসার সময় একটি মাইক্রোবাসে করে আসা ৩-৪ জন যুবক তাকে অস্ত্রের মুখে তুলে নেয়। হাত-মুখ বেঁধে তার মোবাইল ও মানিব্যাগ কেড়ে নেওয়ার পর তাকে বনানী লেকের পানিতে ফেলে দেওয়া হয়। তার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলে দেওয়ার জন্য তাকে মারধরও করা হয়। এর আগে গুলশান-১ এর নাভানা টাওয়ারের সামনে থেকে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রাখা হয়েছিল। পরে তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে আসাদগেট এলাকায় ফেলে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় বোরহান উদ্দিন পাপ্পু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গুলশানে সংঘবদ্ধ অপরাধের আরও বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। গুলশান-২ এর ডিএনসিসি মার্কেটের সামনে এক ব্যবসায়ী ও তার স্বজনকে ছুরিকাঘাত করে প্রায় এক কোটি টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এছাড়া গুলশান-২ এর ১০৩ নম্বর রোডের একটি ভবনে প্রায় ৫০ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেল ও গাড়িতে এসে নিরাপত্তাকর্মীদের হাত-মুখ স্কচটেপ দিয়ে বেঁধে ডাকাতির চেষ্টা চালায়। গত ৩ সেপ্টেম্বর বনানী থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির ডিবি গুলশান বিভাগ। তাদের কাছ থেকে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ওয়াকিটকি এবং পুলিশের মনোগ্রামযুক্ত হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে একজন র‌্যাবের সদস্যও ছিলেন।

এলাকার ময়লা ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বারিধারা জে ব্লকের একটি ডিপোতে তৌহিদ নামে এক শ্রমিককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েছিল মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা। জীবন বাঁচাতে গাড়ির নিচে আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করলেও তৌহিদের পায়ে গুলি লাগে। এ ঘটনায় গুলশান থানায় মামলা দায়েরের পর বান্দরবানের একটি রিসোর্ট থেকে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া চাঁদা না দেওয়ায় গুলশান লেকপাড় এলাকায় শরিফুল ইসলাম করিম নামে এক নার্সারি ব্যবসায়ীকে গুলি করা হয়। এমনকি গুলশান এভিনিউয়ের ২৯ নম্বর রোডে যৌথ বাহিনীর পোশাক পরে এক ব্যবসায়ীর বাসায় ঢুকে ৪৬ লাখ টাকা ও ৬০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের ঘটনাও ঘটেছে।

সম্প্রতি গুলশানের ৩ নম্বর রোডে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা বাসিন্দাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা নাঈমুর রহমান জানান, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কীভাবে নিষিদ্ধ সংগঠনের এত মানুষ মিছিল ও ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এছাড়া পাকিস্তান ও চীনসহ কয়েকটি দূতাবাসে চাঁদা চেয়ে বোমা হামলার হুমকির ঘটনাও ঘটেছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গুলশানের বাসিন্দাদের বিভিন্ন যোগাযোগ গ্রুপে একটি ‘জরুরি নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি করা হয়েছে। সেখানে রাতে চলাচলের সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকা, একা না হাঁটা এবং বাড়ির কর্মী ও চালকদের সচেতন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অপরাধের এসব ঘটনার বিষয়ে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, পুরো গুলশান এলাকায় নিয়মিত টহল ও চেকপোস্টের পাশাপাশি সাদা পোশাকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। রাতের বা ভোরের ফাঁকা রাস্তায় সংঘবদ্ধ চক্রগুলো সুযোগ বুঝে এসব অপরাধ ঘটায়। অপরাধীদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দ্রুত তথ্য দিয়ে সহায়তার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে, গুলশান থানার সদ্য যোগদানকারী ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জায়েদ মো. নাজমুন নূর দাবি করেন, অন্যান্য এলাকার তুলনায় গুলশানের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin