ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তজুমদ্দিনে মাদরাসা ভাঙচুর ও প্রধান শিক্ষককে হয়রানির প্রতিবাদে মানববন্ধন সোনাদিয়া চ্যানেলে জলদস্যুদের তাণ্ডব, আহত ৮ মাঝিমাল্লা চমেক হাসপাতালে চরফ্যাশন আইনজীবী সমিতির এপিপি হিরনের সদস্যপদ ফের স্থগিত পানির তীব্র সংকট: ২০৩০ সালের আগেই ফুরিয়ে যাবে কাবুলের জল! ইরানে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল ডেঙ্গুতে আরও ১০ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৯৯৬ নতুন রোগী ফ্রান্সে ছাত্র বিক্ষোভ ও সংঘাত, গ্রেপ্তার ৬ হাজার জুলাই যোদ্ধাদের সাংবিধানিক সুরক্ষা ও দায়মুক্তি নিশ্চিত করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উপ-নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, পুনর্নির্বাচনের দাবি বিরোধীদের সার্বিয়ার ভিসা দেওয়ার নামে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র

সিডনির আল নূর কবরস্থানে ভাঙচুর, মুসলিম কমিউনিটিতে তীব্র ক্ষোভ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নারেলানে অবস্থিত আল নূর ইসলামিক কবরস্থানে একাধিক কবরের হেডস্টোন ও স্মৃতিচিহ্ন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি নজরে আসার পর নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তবে এটি ইসলামবিদ্বেষী হামলা কি না বা ঘটনার উদ্দেশ্য কী—তা নিয়ে পুলিশ এখনো কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করেনি।

ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন (এলএমএ)। সংগঠনের সেক্রেটারি গামেল খেইর বলেন, কবরের ওপর হামলা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। জীবিত মানুষের পাশাপাশি মৃতদের মর্যাদাও রক্ষা করা জরুরি। এ ধরনের ঘটনা সমাজে বিভাজন ও উত্তেজনা ছড়াতে পারে। অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কবরগুলোর মধ্যে মা-বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি ও সন্তানদের কবর রয়েছে, যারা সবাই মুসলিম অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ছিলেন। মৃত্যুর পরও তাঁরা অন্য যেকোনো অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের মতোই সম্মানের দাবিদার।

স্বজনরা প্রিয়জনের সমাধিতে গিয়ে গভীর মানসিক কষ্টের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে জানিয়েছে এলএমএ। সংগঠনটি আরও জানায়, এর আগেও এই কবরস্থানে শূকরের মাথা ও অবশিষ্টাংশ নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল, যদিও সাম্প্রতিক ভাঙচুরের সঙ্গে আগের ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না তা নিশ্চিত নয়। এলএমএ ঘটনাটিকে মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষের একটি উদ্বেগজনক উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে এনএসডব্লিউ পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার কথা বলেছে।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত কবরগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কবরস্থানে নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন ও অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে সহায়তার জন্য মাল্টিকালচারালিজম বিষয়ক মন্ত্রী স্টিভ ক্যাম্পার ও মাল্টিকালচারাল এনএসডব্লিউ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন অব ইসলামিক কাউন্সিলস (এএফআইসি)-ও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বর্ণবাদ ও ঘৃণার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

সিডনির আল নূর কবরস্থানে ভাঙচুর, মুসলিম কমিউনিটিতে তীব্র ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার সিডনির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নারেলানে অবস্থিত আল নূর ইসলামিক কবরস্থানে একাধিক কবরের হেডস্টোন ও স্মৃতিচিহ্ন ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গত ৩০ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি নজরে আসার পর নিউ সাউথ ওয়েলস (এনএসডব্লিউ) পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, তারা ভাঙচুরের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে, তবে এটি ইসলামবিদ্বেষী হামলা কি না বা ঘটনার উদ্দেশ্য কী—তা নিয়ে পুলিশ এখনো কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করেনি।

ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন (এলএমএ)। সংগঠনের সেক্রেটারি গামেল খেইর বলেন, কবরের ওপর হামলা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। জীবিত মানুষের পাশাপাশি মৃতদের মর্যাদাও রক্ষা করা জরুরি। এ ধরনের ঘটনা সমাজে বিভাজন ও উত্তেজনা ছড়াতে পারে। অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ক্ষতিগ্রস্ত কবরগুলোর মধ্যে মা-বাবা, দাদা-দাদি, নানা-নানি ও সন্তানদের কবর রয়েছে, যারা সবাই মুসলিম অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক ছিলেন। মৃত্যুর পরও তাঁরা অন্য যেকোনো অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকের মতোই সম্মানের দাবিদার।

স্বজনরা প্রিয়জনের সমাধিতে গিয়ে গভীর মানসিক কষ্টের মুখোমুখি হচ্ছেন বলে জানিয়েছে এলএমএ। সংগঠনটি আরও জানায়, এর আগেও এই কবরস্থানে শূকরের মাথা ও অবশিষ্টাংশ নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছিল, যদিও সাম্প্রতিক ভাঙচুরের সঙ্গে আগের ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কি না তা নিশ্চিত নয়। এলএমএ ঘটনাটিকে মুসলমানদের প্রতি বিদ্বেষের একটি উদ্বেগজনক উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়ে এনএসডব্লিউ পুলিশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার কথা বলেছে।

এদিকে, ক্ষতিগ্রস্ত কবরগুলো মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কবরস্থানে নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন ও অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে সহায়তার জন্য মাল্টিকালচারালিজম বিষয়ক মন্ত্রী স্টিভ ক্যাম্পার ও মাল্টিকালচারাল এনএসডব্লিউ-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে লেবানিজ মুসলিম অ্যাসোসিয়েশন। অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন অব ইসলামিক কাউন্সিলস (এএফআইসি)-ও ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বর্ণবাদ ও ঘৃণার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin