ঢাকা ০৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের বিকল্প কেবলই কল্পনাতীত: ড. খলিলুর রহমান পুলিশের দাবি উন্নতি, বাস্তবে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা ও উৎকণ্ঠা পাকিস্তানে অনলাইনে যৌন নিপীড়নের ফাঁদে ১৫ লাখ শিশু গাজায় বিশ্ববাসীর নিষ্ক্রিয়তা লজ্জাজনক: জাতিসংঘে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগ নৈরাজ্য সৃষ্টি করলে স্থানীয়ভাবে প্রতিহত করার আহ্বান প্রিন্সের স্ত্রীর মৃত্যুর তদন্তে ঘুষ: অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি নাগরিক গ্রেপ্তার দেবিদ্বারে মাকে কুপিয়ে ও আট মাসের ভাতিজিকে আছড়ে হত্যা গুলশানে গ্রেফতার সন্দ্বীপের সাবেক আওয়ামী লীগ এমপি মিতা যশোর প্রেস ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

এয়ারপোর্ট ডিভোর্স কী? কেন দম্পতিদের মধ্যে বাড়ছে এই প্রবণতা?

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:২৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ভ্রমণে বের হওয়ার পর বিমানবন্দরে পৌঁছানো থেকে শুরু করে প্লেনে ওঠা পর্যন্ত সময়টুকু অনেক দম্পতির জন্য বেশ চাপের হতে পারে। একেকজনের পছন্দ একেক রকম—কেউ হাতে সময় নিয়ে অনেক আগে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, আবার কেউ শেষ মুহূর্তে গেটে পৌঁছানোয় অভ্যস্ত। আবার কেনাকাটা কিংবা নিরিবিলি বসে সময় কাটানোর মতো ভিন্ন ভিন্ন অভ্যাসের কারণে বিমানবন্দরে ছোটখাটো ঝগড়া বা বিরক্তি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এই অস্বস্তি এড়াতে বর্তমানে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ নামক একটি কৌশলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ব্রিটিশ সাংবাদিক হিউ অলিভার ‘সানডে টাইমস’-এর ভ্রমণবিষয়ক কলামে এই সমস্যার একটি মজার সমাধান হিসেবে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ শব্দটির প্রচলন করেন। মূলত নিরাপত্তা তল্লাশি পার হওয়ার পর থেকে প্লেনে ওঠার আগপর্যন্ত দম্পতিরা ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকাকেই এই নামে অভিহিত করা হচ্ছে। অলিভার মজা করে একে ‘সুখী সম্পর্কের গোপন রহস্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ২০২৩ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী স্বীকার করেছেন যে বিমানবন্দরে গেলে তাঁদের আচরণ বা ব্যক্তিত্বে পরিবর্তন আসে। বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং ভ্রমণ বিশেষজ্ঞরা এই ধারণাটিকে কার্যকর মনে করেন। কারণ, বিমানবন্দরের পরিবেশ অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

বাস্তবিক অর্থে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ কোনো বিচ্ছেদ নয়, বরং এটি একটি সাময়িক বিরতি। এর সুবিধা হলো, দম্পতিরা নিজেদের পছন্দমতো স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সময় কাটাতে পারেন, যা সঙ্গীর অভ্যাসের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। মার্কিন টেলিভিশন তারকা কেলি রিপা ও তাঁর স্বামী মার্ক কনসুয়েলোস ২০২৫ সালের অক্টোবরে তাঁদের অনুষ্ঠান ‘লাইভ উইথ কেলি অ্যান্ড মার্ক’-এ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা নিজেরাও ভ্রমণের সময় এই কৌশলটি অনুসরণ করেন, কারণ তাঁদের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর ধরন ভিন্ন।

সব সময় পাশাপাশি থাকাই যে সম্পর্কের ভিত্তি, তা নয়। ভ্রমণের শুরুতেই এই সামান্য দূরত্ব বজায় রাখা অনেক সময় দম্পতিদের একে অপরের সঙ্গ আরও বেশি উপভোগ করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। এটি মূলত সম্পর্কের শান্তি ধরে রাখার একটি কার্যকর কৌশল হিসেবেই পরিচিতি পাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

এয়ারপোর্ট ডিভোর্স কী? কেন দম্পতিদের মধ্যে বাড়ছে এই প্রবণতা?

আপডেট সময় : ০২:২৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভ্রমণে বের হওয়ার পর বিমানবন্দরে পৌঁছানো থেকে শুরু করে প্লেনে ওঠা পর্যন্ত সময়টুকু অনেক দম্পতির জন্য বেশ চাপের হতে পারে। একেকজনের পছন্দ একেক রকম—কেউ হাতে সময় নিয়ে অনেক আগে বিমানবন্দরে পৌঁছাতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, আবার কেউ শেষ মুহূর্তে গেটে পৌঁছানোয় অভ্যস্ত। আবার কেনাকাটা কিংবা নিরিবিলি বসে সময় কাটানোর মতো ভিন্ন ভিন্ন অভ্যাসের কারণে বিমানবন্দরে ছোটখাটো ঝগড়া বা বিরক্তি তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এই অস্বস্তি এড়াতে বর্তমানে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ নামক একটি কৌশলের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ব্রিটিশ সাংবাদিক হিউ অলিভার ‘সানডে টাইমস’-এর ভ্রমণবিষয়ক কলামে এই সমস্যার একটি মজার সমাধান হিসেবে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ শব্দটির প্রচলন করেন। মূলত নিরাপত্তা তল্লাশি পার হওয়ার পর থেকে প্লেনে ওঠার আগপর্যন্ত দম্পতিরা ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু সময়ের জন্য আলাদা থাকাকেই এই নামে অভিহিত করা হচ্ছে। অলিভার মজা করে একে ‘সুখী সম্পর্কের গোপন রহস্য’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের ২০২৩ সালের একটি জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৫৪ শতাংশ অংশগ্রহণকারী স্বীকার করেছেন যে বিমানবন্দরে গেলে তাঁদের আচরণ বা ব্যক্তিত্বে পরিবর্তন আসে। বিভিন্ন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং ভ্রমণ বিশেষজ্ঞরা এই ধারণাটিকে কার্যকর মনে করেন। কারণ, বিমানবন্দরের পরিবেশ অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।

বাস্তবিক অর্থে ‘এয়ারপোর্ট ডিভোর্স’ কোনো বিচ্ছেদ নয়, বরং এটি একটি সাময়িক বিরতি। এর সুবিধা হলো, দম্পতিরা নিজেদের পছন্দমতো স্বস্তিদায়ক পরিবেশে সময় কাটাতে পারেন, যা সঙ্গীর অভ্যাসের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়। মার্কিন টেলিভিশন তারকা কেলি রিপা ও তাঁর স্বামী মার্ক কনসুয়েলোস ২০২৫ সালের অক্টোবরে তাঁদের অনুষ্ঠান ‘লাইভ উইথ কেলি অ্যান্ড মার্ক’-এ এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁরা নিজেরাও ভ্রমণের সময় এই কৌশলটি অনুসরণ করেন, কারণ তাঁদের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর ধরন ভিন্ন।

সব সময় পাশাপাশি থাকাই যে সম্পর্কের ভিত্তি, তা নয়। ভ্রমণের শুরুতেই এই সামান্য দূরত্ব বজায় রাখা অনেক সময় দম্পতিদের একে অপরের সঙ্গ আরও বেশি উপভোগ করার সুযোগ তৈরি করে দেয়। এটি মূলত সম্পর্কের শান্তি ধরে রাখার একটি কার্যকর কৌশল হিসেবেই পরিচিতি পাচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo