ঢাকা ০৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরেবাংলা নগরে স্থানান্তরিত হচ্ছে সচিবালয়, অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা শায়েস্তাগঞ্জে জয়ন্তিকা ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন, যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ ঢাকায় পা রাখল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শুরু হচ্ছে টেস্ট সিরিজের লড়াই গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকা কর আদায়ের নির্দেশ স্থগিত চাকরির বেতন ও বাসা ভাড়া নির্ধারণে মানুষের হয়ে লড়বে এআই বেতাগীতে অপরাধীদের কোনো ছাড় নয়: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ৯৯ বছর বয়সে বিমানের ডানায় দাঁড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়লেন হেলগা পিস্তল হাতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের অভিযান, তদন্তের আশ্বাস ডিবি প্রধানের মা ইলিশ রক্ষায় ১১১ সংসদ সদস্যকে মৎস্যমন্ত্রীর ডিও লেটার সাতক্ষীরায় হাসপাতালে ঢুকে পিটুনি, চিকিৎসাধীন যুবকের মৃত্যু

তুরস্কের কোনিয়ায় বাড়ছে সিঙ্কহোল, মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল গর্ত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই তুরস্কের মধ্য আনাতোলিয়ার কোনিয়া অঞ্চলে হঠাৎ মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল সব সিঙ্কহোল বা গর্ত। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলটি তুরস্কের ‘শস্যভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে সেখানে মাটি ধসে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রায় ৭০০টি সিঙ্কহোলের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ২ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এসব গর্তের গভীরতা কোথাও ৪০ মিটার আবার কোথাও প্রস্থ ৫০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

স্থানীয় কৃষক ফাতিহ শিক জানিয়েছেন, তার বাড়ির কাছে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখেন মাটি ধসে পানি ও কাদা আকাশের দিকে ছিটকে উঠছে। চোখের পলকেই তার জমিতে ৫০ মিটার চওড়া ও ৪০ মিটার গভীর একটি বিশাল গর্ত তৈরি হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন, পানির সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী খরা। আগে কোনিয়ায় মাত্র ৩০ মিটার গভীরেই ভূগর্ভস্থ পানি পাওয়া যেত, কিন্তু এখন পানির সন্ধানে ৯০ মিটার গভীর পর্যন্ত কূপ খনন করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব। বিগত ৬০ বছরে মধ্য আনাতোলিয়ার ২৪০টি হ্রদের মধ্যে ১৮৬টিই শুকিয়ে বিলীন হয়ে গেছে।

তীব্র গরম এবং কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি ব্যবহারের ফলে মাটির ওপর চাপ বাড়ছে, যা এই ধসের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই সিঙ্কহোলগুলো কেবল তুরস্কের কৃষকদের জন্যই সতর্কবার্তা নয়, বরং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, যেমন স্পেনের জন্যও একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মাটি ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্কের কোনিয়ায় বাড়ছে সিঙ্কহোল, মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল গর্ত

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই তুরস্কের মধ্য আনাতোলিয়ার কোনিয়া অঞ্চলে হঠাৎ মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল সব সিঙ্কহোল বা গর্ত। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলটি তুরস্কের ‘শস্যভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে সেখানে মাটি ধসে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রায় ৭০০টি সিঙ্কহোলের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ২ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এসব গর্তের গভীরতা কোথাও ৪০ মিটার আবার কোথাও প্রস্থ ৫০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

স্থানীয় কৃষক ফাতিহ শিক জানিয়েছেন, তার বাড়ির কাছে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখেন মাটি ধসে পানি ও কাদা আকাশের দিকে ছিটকে উঠছে। চোখের পলকেই তার জমিতে ৫০ মিটার চওড়া ও ৪০ মিটার গভীর একটি বিশাল গর্ত তৈরি হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন, পানির সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী খরা। আগে কোনিয়ায় মাত্র ৩০ মিটার গভীরেই ভূগর্ভস্থ পানি পাওয়া যেত, কিন্তু এখন পানির সন্ধানে ৯০ মিটার গভীর পর্যন্ত কূপ খনন করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব। বিগত ৬০ বছরে মধ্য আনাতোলিয়ার ২৪০টি হ্রদের মধ্যে ১৮৬টিই শুকিয়ে বিলীন হয়ে গেছে।

তীব্র গরম এবং কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি ব্যবহারের ফলে মাটির ওপর চাপ বাড়ছে, যা এই ধসের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই সিঙ্কহোলগুলো কেবল তুরস্কের কৃষকদের জন্যই সতর্কবার্তা নয়, বরং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, যেমন স্পেনের জন্যও একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মাটি ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin