ঢাকা ১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে গোলাগুলি, অস্ত্র ও ইয়াবাসহ ভারতীয় আটক প্রযুক্তির যুগে দাওয়াহর সম্ভাবনা ও দাঈদের নিয়ত রক্ষার চ্যালেঞ্জ নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক ঢলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৭২ নেপালে ভয়াবহ বিপর্যয়: চট্টগ্রামে চরম উৎকণ্ঠায় নেপালি শিক্ষার্থীরা নেপালের বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ৩ কোটি ডলারের আবেদন রেড ক্রসের ঋণের চাপে সপরিবারে আত্মগোপনে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু আটক পাকিস্তান ও কুয়েতের মধ্যে নতুন যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের জন্য অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারের তালিকা প্রকাশ মিয়ানমারে পণ্য রপ্তানির অর্থ আসবে তৃতীয় দেশ থেকে, ছাড় দিচ্ছে এনবিআর

তুরস্কের কোনিয়ায় বাড়ছে সিঙ্কহোল, মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল গর্ত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই তুরস্কের মধ্য আনাতোলিয়ার কোনিয়া অঞ্চলে হঠাৎ মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল সব সিঙ্কহোল বা গর্ত। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলটি তুরস্কের ‘শস্যভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে সেখানে মাটি ধসে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রায় ৭০০টি সিঙ্কহোলের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ২ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এসব গর্তের গভীরতা কোথাও ৪০ মিটার আবার কোথাও প্রস্থ ৫০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

স্থানীয় কৃষক ফাতিহ শিক জানিয়েছেন, তার বাড়ির কাছে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখেন মাটি ধসে পানি ও কাদা আকাশের দিকে ছিটকে উঠছে। চোখের পলকেই তার জমিতে ৫০ মিটার চওড়া ও ৪০ মিটার গভীর একটি বিশাল গর্ত তৈরি হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন, পানির সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী খরা। আগে কোনিয়ায় মাত্র ৩০ মিটার গভীরেই ভূগর্ভস্থ পানি পাওয়া যেত, কিন্তু এখন পানির সন্ধানে ৯০ মিটার গভীর পর্যন্ত কূপ খনন করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব। বিগত ৬০ বছরে মধ্য আনাতোলিয়ার ২৪০টি হ্রদের মধ্যে ১৮৬টিই শুকিয়ে বিলীন হয়ে গেছে।

তীব্র গরম এবং কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি ব্যবহারের ফলে মাটির ওপর চাপ বাড়ছে, যা এই ধসের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই সিঙ্কহোলগুলো কেবল তুরস্কের কৃষকদের জন্যই সতর্কবার্তা নয়, বরং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, যেমন স্পেনের জন্যও একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মাটি ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্কের কোনিয়ায় বাড়ছে সিঙ্কহোল, মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল গর্ত

আপডেট সময় : ০৩:৫২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬

কোনো পূর্বসংকেত ছাড়াই তুরস্কের মধ্য আনাতোলিয়ার কোনিয়া অঞ্চলে হঠাৎ মাটি ধসে তৈরি হচ্ছে বিশাল সব সিঙ্কহোল বা গর্ত। কৃষিনির্ভর এই অঞ্চলটি তুরস্কের ‘শস্যভান্ডার’ হিসেবে পরিচিত হলেও বর্তমানে সেখানে মাটি ধসে যাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন পর্যন্ত ওই এলাকায় প্রায় ৭০০টি সিঙ্কহোলের সন্ধান পাওয়া গেছে এবং বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভবিষ্যতে এই সংখ্যা ২ হাজার ৫০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এসব গর্তের গভীরতা কোথাও ৪০ মিটার আবার কোথাও প্রস্থ ৫০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

স্থানীয় কৃষক ফাতিহ শিক জানিয়েছেন, তার বাড়ির কাছে হঠাৎ বিকট শব্দ শুনে তাকিয়ে দেখেন মাটি ধসে পানি ও কাদা আকাশের দিকে ছিটকে উঠছে। চোখের পলকেই তার জমিতে ৫০ মিটার চওড়া ও ৪০ মিটার গভীর একটি বিশাল গর্ত তৈরি হয়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভয়াবহ পরিস্থিতির পেছনে রয়েছে ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত উত্তোলন, পানির সংকট এবং দীর্ঘস্থায়ী খরা। আগে কোনিয়ায় মাত্র ৩০ মিটার গভীরেই ভূগর্ভস্থ পানি পাওয়া যেত, কিন্তু এখন পানির সন্ধানে ৯০ মিটার গভীর পর্যন্ত কূপ খনন করতে হচ্ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব। বিগত ৬০ বছরে মধ্য আনাতোলিয়ার ২৪০টি হ্রদের মধ্যে ১৮৬টিই শুকিয়ে বিলীন হয়ে গেছে।

তীব্র গরম এবং কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি ব্যবহারের ফলে মাটির ওপর চাপ বাড়ছে, যা এই ধসের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। এই সিঙ্কহোলগুলো কেবল তুরস্কের কৃষকদের জন্যই সতর্কবার্তা নয়, বরং ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, যেমন স্পেনের জন্যও একটি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পানির ওপর অতিরিক্ত চাপ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে আরও বিভিন্ন দেশে এ ধরনের মাটি ধসের ঝুঁকি বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin