ঢাকা ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে অর্থাভাবে থমকে গেছে মেধাবী শামীমের চিকিৎসা, বাবার আকুতি শ্যামনগরের চিংড়ি হ্যাচারিতে দেশের প্রথম ফোল্ডিং সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু পুঠিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নেই, সেবা নিতে এসে ভোগান্তিতে মানুষ মা ইলিশ রক্ষায় নদীতে জাল না ফেলার আহ্বান মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে ‘হোন্ডাবাহিনীর’ রাজত্ব, আতঙ্কে যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা দুর্গাপুরে গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের খোয়া ও রাবিশ ব্যবহারের অভিযোগ মৃত সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে নিয়োগ বাণিজ্য: ঝিনাইদহে তোলপাড় পানির হিস্যায় একচুলও ছাড় দেবে না বাংলাদেশ: নাহিদ ইসলাম নীলফামারীতে আশ্বিনের বৃষ্টি: আমন চাষিদের স্বস্তি, দুশ্চিন্তায় আলু ও সবজি চাষিরা মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে চিকিৎসা ও নিরাপত্তা সংকট, ঝুঁকিতে হাজারো শ্রমিক

তিন মাস কাদায় বাঁধা ছিল মহিষ, উদ্ধার করলেন ইউএনও

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে দীর্ঘ তিন মাস ধরে কাদায় আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রোববার রাতে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন ওই মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আবদুল আলিম তাঁর চারটি মহিষ বাড়ির পাশে প্রচণ্ড কাদার মধ্যে বেঁধে রেখেছিলেন। বর্ষা মৌসুমের তিন মাস ধরে মহিষগুলোকে মাঠে চরাতে নিতে না পারায় সারাক্ষণ কাদার মধ্যেই থাকতে হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকার বাসিন্দারা অসন্তোষ প্রকাশ করলেও আবদুল আলিম কোনো ব্যবস্থা নেননি। আলিমের মা সত্য খাতুন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে মহিষগুলোকে বিক্রি করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি তা শোনেননি। এছাড়া বাড়ির মহিলারা ভয়ে মহিষগুলোর কাছে যেতে না পারায় সেগুলোকে সেখান থেকে সরানো সম্ভব হচ্ছিল না।

পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর দুরবস্থার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। বিষয়টি ইউএনও সাজ্জাদ হোসেনের নজরে এলে তিনি গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মহিষগুলোকে কাদা থেকে মুক্ত করেন। ইউএনও মহিষগুলোকে আপাতত বাড়ির পাশের শুকনো জায়গায় রাখার ব্যবস্থা করেছেন।

এই ঘটনায় আবদুল আলিমকে ১৫ দিনের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য নিরাপদ জায়গা ও পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাণীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত তিন মাস সেই কাদার মধ্যে ২৪ ঘণ্টা বাঁধা ছিল আবদুল আলিমের চারটি মহিষ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

তিন মাস কাদায় বাঁধা ছিল মহিষ, উদ্ধার করলেন ইউএনও

আপডেট সময় : ০৬:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গোকুলনগর গ্রামে দীর্ঘ তিন মাস ধরে কাদায় আটকে থাকা চারটি মহিষ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসানের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রোববার রাতে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাজ্জাদ হোসেন ওই মহিষগুলোকে উদ্ধার করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আবদুল আলিম তাঁর চারটি মহিষ বাড়ির পাশে প্রচণ্ড কাদার মধ্যে বেঁধে রেখেছিলেন। বর্ষা মৌসুমের তিন মাস ধরে মহিষগুলোকে মাঠে চরাতে নিতে না পারায় সারাক্ষণ কাদার মধ্যেই থাকতে হচ্ছিল। বিষয়টি নিয়ে এলাকার বাসিন্দারা অসন্তোষ প্রকাশ করলেও আবদুল আলিম কোনো ব্যবস্থা নেননি। আলিমের মা সত্য খাতুন জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে মহিষগুলোকে বিক্রি করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হলেও তিনি তা শোনেননি। এছাড়া বাড়ির মহিলারা ভয়ে মহিষগুলোর কাছে যেতে না পারায় সেগুলোকে সেখান থেকে সরানো সম্ভব হচ্ছিল না।

পরিবেশকর্মী নাজমুল হাসান মহিষগুলোর দুরবস্থার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। বিষয়টি ইউএনও সাজ্জাদ হোসেনের নজরে এলে তিনি গতকাল সন্ধ্যায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মহিষগুলোকে কাদা থেকে মুক্ত করেন। ইউএনও মহিষগুলোকে আপাতত বাড়ির পাশের শুকনো জায়গায় রাখার ব্যবস্থা করেছেন।

এই ঘটনায় আবদুল আলিমকে ১৫ দিনের মধ্যে মহিষগুলোর জন্য নিরাপদ জায়গা ও পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইউএনও মো. সাজ্জাদ হোসেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রাণীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে না পারলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত তিন মাস সেই কাদার মধ্যে ২৪ ঘণ্টা বাঁধা ছিল আবদুল আলিমের চারটি মহিষ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo