ঢাকা ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়ালো অস্ট্রেলিয়া, লিড মাত্র ১৫ রানের অস্ট্রেলিয়াকে ২৮৪ রানে অলআউট, জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ৫৭ রান বিশ্ব রোবটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ জয় করল সেন্ট যোসেফের তিন খুদে শিক্ষার্থী রাজনৈতিক তদবিরে এলএনজি আমদানিতে বিশৃঙ্খলা, সংকটের মুখে সরবরাহ মুখের চামড়া কুঁচকে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকারের উপায় ভালোবাসা: প্রাপ্তির আনন্দ ও হারানোর বেদনার এক চিরন্তন দ্বন্দ্ব নতুন সপ্তাহের শুরুতে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকের সর্বশেষ পরিস্থিতি হরমুজ প্রণালিতে সামরিক পদক্ষেপ নিলে পরাজয় নিশ্চিত: ইরান ফ্রান্সের কর বিভাগে সাইবার হামলা, ৬ লাখের বেশি তথ্য চুরি

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে, তারিখ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দুই দিনের এই সফর আয়োজনের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশই আগস্টের তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যে সফরের সূচি নিয়ে আলোচনা করছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ এবার একটি 'সহায়ক পরিবেশ' তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে সংবেদনশীল ইস্যুগুলো সমাধানের বিষয়ে ঢাকা তাগিদ দিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ভারত সব ধরনের বিষয়ে আলোচনা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে খোলামনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারতীয় পক্ষ প্রাথমিকভাবে ২০ ও ২১ আগস্ট সফরের প্রস্তাব দিলেও, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওই তারিখের পরিবর্তে ২২ ও ২৩ আগস্টের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও পরবর্তী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী চার দিনের দিল্লি সফর শেষে গত শুক্রবার ঢাকায় ফিরেছেন। দিল্লি অবস্থানকালে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেছেন এবং সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে নির্দেশনা ও বাংলাদেশের জন্য বার্তা নিয়ে এসেছেন। তবে দিল্লি থেকে ফেরার পর এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়নি।

কূটনৈতিক সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন যে, আসন্ন সফরে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। এছাড়া শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকালীন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য বন্ধের বিষয়েও ভারত সরকারের কাছে নিশ্চয়তা চাইবে বাংলাদেশ।

রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ও এই সফরের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্রানজিট, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা অন্যতম। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ এ বছরের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাওয়ায়, এই চুক্তি নবায়নের আলোচনা সফরের বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে। যদিও কোনো দেশই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের তারিখ ঘোষণা করেনি, তবুও দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের প্রস্তুতি চলছে, তারিখ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত

আপডেট সময় : ০৭:৪০:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে রাষ্ট্রীয় সফরে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের পক্ষ থেকে আগস্ট মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দুই দিনের এই সফর আয়োজনের একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশই আগস্টের তৃতীয় ও চতুর্থ সপ্তাহের মধ্যে সফরের সূচি নিয়ে আলোচনা করছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করতে বাংলাদেশ এবার একটি 'সহায়ক পরিবেশ' তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে সংবেদনশীল ইস্যুগুলো সমাধানের বিষয়ে ঢাকা তাগিদ দিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, ভারত সব ধরনের বিষয়ে আলোচনা ও সহযোগিতার ক্ষেত্রে খোলামনে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারতীয় পক্ষ প্রাথমিকভাবে ২০ ও ২১ আগস্ট সফরের প্রস্তাব দিলেও, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ওই তারিখের পরিবর্তে ২২ ও ২৩ আগস্টের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হলো ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ও পরবর্তী শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান।

ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী চার দিনের দিল্লি সফর শেষে গত শুক্রবার ঢাকায় ফিরেছেন। দিল্লি অবস্থানকালে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেছেন এবং সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে নির্দেশনা ও বাংলাদেশের জন্য বার্তা নিয়ে এসেছেন। তবে দিল্লি থেকে ফেরার পর এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ হয়নি।

কূটনৈতিক সংশ্লিষ্টরা আভাস দিয়েছেন যে, আসন্ন সফরে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি বিশেষ গুরুত্ব পেতে পারে। এছাড়া শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থানকালীন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য বন্ধের বিষয়েও ভারত সরকারের কাছে নিশ্চয়তা চাইবে বাংলাদেশ।

রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয়ও এই সফরের অগ্রাধিকার তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ট্রানজিট, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা অন্যতম। বিশেষ করে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ এ বছরের ডিসেম্বরে শেষ হতে যাওয়ায়, এই চুক্তি নবায়নের আলোচনা সফরের বাড়তি গুরুত্ব বহন করছে। যদিও কোনো দেশই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরের তারিখ ঘোষণা করেনি, তবুও দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo