ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিকসহ ৫ জনের মৃত্যু সিরিয়ার সাবেক জেনারেল বাসাম আল-হাসানকে সুরক্ষা দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও লেবানন পাবনায় চায়ের দোকানে কলারুটি গলায় আটকে বৃদ্ধের মৃত্যু নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচন নিয়ে গুরু-শিষ্যের দ্বন্দ্ব ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে ২ বছর ধরে লোকাল ট্রেন বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা খুলনা সিটি কর্পোরেশনের গ্যারেজে ময়লার গাড়ির চাপায় চালক নিহত মুক্ত হয়ে নির্যাতনের ভয়াবহ কাহিনী জানালেন সোমালি নারী সাজিয়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ হামলা বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী হাড়ের ক্ষয় ও দুর্বলতা এড়াতে চিকিৎসকদের জরুরি পরামর্শ

অক্টোবরে চালু হবে দেশের পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬ ১৯ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



দেশের শিশু স্বাস্থ্যের মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাসেই একযোগে এই পাঁচটি হাসপাতাল কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য জানান। সকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ, দোয়া এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি নতুন ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া। সময়ের প্রয়োজনে হাসপাতালটি এখন আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও বর্ধিত পরিসরে সেবা প্রদান করছে। তিনি হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য টেকনিশিয়ানদের ধন্যবাদ জানান।

স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, খিঁচুনি বা ইপিলেপসি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া এবং মেরুদণ্ডের জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনের ফলে এই রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সুবিধাসম্পন্ন এই ভবনটি চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল অবকাঠামো নয়, বরং উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি মানবিক আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারলেও রোগীর মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মান বজায় রাখা জরুরি, অন্যথায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও বিদেশমুখী চিকিৎসা প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে না।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হো

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত শয্যা ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো হয়ে উঠবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

অক্টোবরে চালু হবে দেশের পাঁচটি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল

আপডেট সময় : ০২:০৩:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

দেশের শিশু স্বাস্থ্যের মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সরকার খুলনা, বরিশাল, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগ এবং কুমিল্লা জেলায় একটি করে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর মাসেই একযোগে এই পাঁচটি হাসপাতাল কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনকালে তিনি এ তথ্য জানান। সকালে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ, দোয়া এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে তিনি নতুন ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া। সময়ের প্রয়োজনে হাসপাতালটি এখন আরও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও বর্ধিত পরিসরে সেবা প্রদান করছে। তিনি হাসপাতালের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য টেকনিশিয়ানদের ধন্যবাদ জানান।

স্নায়ুবিক জটিলতা বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্ট্রোক, খিঁচুনি বা ইপিলেপসি, পারকিনসন্স ডিজিজ, ডিমেনশিয়া এবং মেরুদণ্ডের জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। নতুন ৫০০ শয্যার ভবন উদ্বোধনের ফলে এই রোগের চিকিৎসা সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। আধুনিক আইসিইউ, অপারেশন থিয়েটার ও ডায়াগনস্টিক সুবিধাসম্পন্ন এই ভবনটি চিকিৎসা গবেষণা ও উচ্চতর শিক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল অবকাঠামো নয়, বরং উন্নত প্রযুক্তি ও দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা। তিনি চিকিৎসকদের প্রতি মানবিক আচরণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, প্রযুক্তি রোগ শনাক্ত করতে পারলেও রোগীর মানসিক কষ্ট বুঝে তাকে আশ্বস্ত করার ক্ষেত্রে মানবিক আচরণের বিকল্প নেই। চিকিৎসক, রোগী ও রোগীর স্বজনদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সম্মান বজায় রাখা জরুরি, অন্যথায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন সত্ত্বেও বিদেশমুখী চিকিৎসা প্রবণতা কমানো সম্ভব হবে না।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের নতুন ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। পরে মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হো

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষ যাতে স্বল্প খরচে বিশ্বমানের নিউরোচিকিৎসা পেতে পারেন, সেই লক্ষ্যেই ‘নিউরোসায়েন্স-২’ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তি, অতিরিক্ত শয্যা ও দক্ষ জনবলের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই ব্যবস্থা দেশের হাজারো রোগীর জন্য আশার আলো হয়ে উঠবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor