ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রিন ইয়ার্ডের আড়ালে সীতাকুণ্ডের শিপইয়ার্ডে ঝুঁকি ও প্রাণহানি মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনৈতিক হাব গড়ার পরিকল্পনা সরকারের শরীয়তপুরে ভুয়া চক্ষু চিকিৎসককে তিন মাসের কারাদণ্ড সরকারের ছয় মাসের অগ্রগতি হতাশাজনক: এবি পার্টি দুদকের নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান সাভারের এসআই নেয়ামত উল্লাহর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ ব্রাজিলে উদ্ধার অঁরি মাতিসের আটটি দুর্লভ শিল্পকর্ম দুদকের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেলেন বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে দলে পেতে জুভেন্টাসের নতুন প্রস্তাব বিএনপি সরকারের ৬ মাসের মূল্যায়ন নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে জামায়াত

ধর্ষণ ও দাদী-নাতনী হত্যায় জড়িত সন্দেহে দুইজন আটক

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ফখরুল আলম সাজু

পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে দাদীকে হত্যা ও নাতনীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২জনকে আটক করেছে পুলিশ।

তবে এখনো হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ তাঁদের ২জনকে আটক করে, ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আটক ২জন হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মণ্ডলের ছেলে রাব্বি মণ্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম, তাঁদের পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিহত জামিলা আক্তার উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ও হাফেজা ছিলেন, তিনি তাঁর দাদী সুফিয়া বেগমের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন, বাড়িতে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্য ছিলেন না।

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতের পর কোনো এক সময় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, শনিবার সকালে তাঁদের মরদেহ পৃথক স্থানে পাওয়া যায়।

নিহতরা হলেন, ভবানীপুর উত্তরপাড়ার মৃত নাজিমুদ্দিন খাঁর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) এবং তাঁর নাতনী জামিলা আক্তার (১৫), জামিলার পিতার নাম জয়নাল খাঁ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান, সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা, এ সময় জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়, পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে র‍্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিআইডি ও ডিএসবি সদস্যরা তদন্তে মাঠে নামেন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে, হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে, দ্রুতই রহস্য উদ্ঘাটন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দাদী-নাতনী হত্যা কাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, স্বজন ও প্রতিবেশীরা দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ধর্ষণ ও দাদী-নাতনী হত্যায় জড়িত সন্দেহে দুইজন আটক

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

ফখরুল আলম সাজু

পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে দাদীকে হত্যা ও নাতনীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ২জনকে আটক করেছে পুলিশ।

তবে এখনো হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিকেলে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ তাঁদের ২জনকে আটক করে, ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, আটক ২জন হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মণ্ডলের ছেলে রাব্বি মণ্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম, তাঁদের পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিহত জামিলা আক্তার উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ও হাফেজা ছিলেন, তিনি তাঁর দাদী সুফিয়া বেগমের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন, বাড়িতে কোনো প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ সদস্য ছিলেন না।

শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতের পর কোনো এক সময় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, শনিবার সকালে তাঁদের মরদেহ পৃথক স্থানে পাওয়া যায়।

নিহতরা হলেন, ভবানীপুর উত্তরপাড়ার মৃত নাজিমুদ্দিন খাঁর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) এবং তাঁর নাতনী জামিলা আক্তার (১৫), জামিলার পিতার নাম জয়নাল খাঁ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যান, সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান স্বজনরা, এ সময় জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়, পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তাঁর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন এলাকাবাসী, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে র‍্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিআইডি ও ডিএসবি সদস্যরা তদন্তে মাঠে নামেন।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর, গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে, হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে, দ্রুতই রহস্য উদ্ঘাটন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

দাদী-নাতনী হত্যা কাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, স্বজন ও প্রতিবেশীরা দ্রুত জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।