ঢাকা ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে নীরব নায়িকা পূজা চেরী সড়ক ও বাঁধ রক্ষায় বিন্নি ঘাস ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে কমিটি জ্বালানি সংকট নিরসনে ৯০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবি জামায়াতের শেয়ারবাজারে মার্জিন ঋণের নতুন নীতিমালা ও শর্তাবলী জারি দুই স্ত্রীর হাতাহাতির ঘটনায় জ্ঞান হারালেন মিশরের কোচ হোসাম হাসান মেলান্দহে ইয়াবাসহ কৃষকদল নেতা আটক, দল থেকে বহিষ্কারের পর কারাগারে সোনালের শতকে লঙ্কানদের ২৮৪, ১৭৮ রানের লিডে ভারত ব্যবসায়ীকে বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে আলোচনায় চিত্রনায়িকা পূজা চেরি সাতক্ষীরার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন শ্যামনগরের সাফিউল ইসলাম ছাতকে ফিশারি থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনৈতিক হাব গড়ার পরিকল্পনা সরকারের

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় খুলনার হোটেল সিটি ইনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আয়োজিত অংশীজন সম্মেলন-২০২৬-এ তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বন্দরের নাব্যতা নিশ্চিত করা, ড্রেজিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা, জেটি ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়ানো এবং শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে মোংলায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের জন্য মোংলার আকরাম পয়েন্ট পরিদর্শন করা হয়েছে এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে সেখানে সম্ভাবনা দেখা গেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাই ও হাইড্রোমরফোলজি সমীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।

খুলনা-মোংলা যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এর পরবর্তী পর্যায়ের প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন হওয়ায় এর সুফল ও বন্দরের রাজস্ব সক্ষমতা বিবেচনা করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

নাব্যতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জাহাজ চলাচলের জন্য নিরবচ্ছিন্ন নাব্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। ১০ মিটার ড্রাফট নিশ্চিত করা গেলে বড় জাহাজ মোংলা বন্দরে আসতে পারবে। এ লক্ষ্যে ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। ড্রেজিং কার্যক্রমে অনিয়ম বন্ধ করে স্বচ্ছতা আনার ওপরও জোর দেন মন্ত্রী। এছাড়া বন্দরের নৌপথে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত জাহাজ বা রেক দ্রুত অপসারণের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপের কাজ আগামী ১৮ মাসের মধ্যে শুরু হতে পারে, যেখানে শিল্প ও সেবা খাতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা আরও ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এই উদ্যোগের আওতায় মোংলায় দুটি বা তিনটি জেটি স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সম্মেলনে খুলনা-২ আসনের এমপি জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পি, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত, খুলনা রেল ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান এবং কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

মোংলা বন্দরকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলে অর্থনৈতিক হাব গড়ার পরিকল্পনা সরকারের

আপডেট সময় : ১২:১৪:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক হাব গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় খুলনার হোটেল সিটি ইনে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ আয়োজিত অংশীজন সম্মেলন-২০২৬-এ তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, বন্দরের নাব্যতা নিশ্চিত করা, ড্রেজিং কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনা, জেটি ও কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়ানো এবং শিল্প ও সেবা খাতে বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার কাজ করছে। একই সঙ্গে মোংলায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের সম্ভাবনা যাচাই করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের জন্য মোংলার আকরাম পয়েন্ট পরিদর্শন করা হয়েছে এবং প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে সেখানে সম্ভাবনা দেখা গেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পূর্ণাঙ্গ সম্ভাব্যতা যাচাই ও হাইড্রোমরফোলজি সমীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।

খুলনা-মোংলা যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এর পরবর্তী পর্যায়ের প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ প্রয়োজন হওয়ায় এর সুফল ও বন্দরের রাজস্ব সক্ষমতা বিবেচনা করা হচ্ছে। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।

নাব্যতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, জাহাজ চলাচলের জন্য নিরবচ্ছিন্ন নাব্যতা নিশ্চিত করা জরুরি। ১০ মিটার ড্রাফট নিশ্চিত করা গেলে বড় জাহাজ মোংলা বন্দরে আসতে পারবে। এ লক্ষ্যে ক্যাপিটাল ড্রেজিং ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম নিয়মিত মনিটরিং করা হবে। ড্রেজিং কার্যক্রমে অনিয়ম বন্ধ করে স্বচ্ছতা আনার ওপরও জোর দেন মন্ত্রী। এছাড়া বন্দরের নৌপথে পড়ে থাকা পরিত্যক্ত জাহাজ বা রেক দ্রুত অপসারণের আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চলের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, প্রথম ধাপের কাজ আগামী ১৮ মাসের মধ্যে শুরু হতে পারে, যেখানে শিল্প ও সেবা খাতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে দ্বিতীয় ধাপের কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা আরও ৬০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবে। এই উদ্যোগের আওতায় মোংলায় দুটি বা তিনটি জেটি স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সম্মেলনে খুলনা-২ আসনের এমপি জাহাঙ্গীর হোসাইন হেলাল, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শফিকুল আলম মনা, খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক মনিরুল হাসান বাপ্পি, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, খুলনা জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত, খুলনা রেল ডিআইজি মোস্তাফিজুর রহমান এবং কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh